• শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত নাচোল সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ১ম বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Reporter Name / ২৬১ Time View
Update : সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

বাগমারায় রামরামা-কামারখালী সুফলভোগী সমিতির সফলতা

মোঃ মিজানুর রহমান,(বাগমারা প্রতিনিধি):
জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ও আনন্দমূখর পরিবেশে আজ “ রাজশাহী জেলা বাগমারা রামরামা-কামারখালী সুফলভোগী মৎস্য অভয়াশ্রম সমিতির” মাধ্যমে এলাকার গরীব দুখী মানুষের মধ্যে মাছ বিতরণ করা হলো।
এলাকাটি রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার দক্ষিণ-পূর্ব শেষ প্রান্তে রামরামা ও কামারখালী নামক দুটি গ্রামে অবস্থিত। সমিতির সভাপতি জনাব মোঃ মোজাহার আলী মন্ডল সাহেব ‘রাজশাহী টাইমস‘কে জানান, নদীর উত্তর পাড়ে রামরামা ও কামারখালী ও নদীর দক্ষিণ পাড়ে পুঠিয়া উপজেলাধীন গোবিন্দ পাড়া গ্রাম। এই গ্রামগুলির ভিতর দিয়ে বয়ে যাওয়া বারনই নদীতে বাগমারা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ও মৎস্য অফিসার মহোদয়ের উদ্যোগে এই সমিতি গঠিত হয়। মৎস্য অফিসার মহোদয় ২৫/১১/২০২০ খ্রিঃ নিজে উপস্থিত থেকে নদীতে ডাল-পালা ফেলে সমিতির কার্যক্রমের শুভ সূচনা করেন। উল্লেখ্য যে, এই নদীর দৈর্ঘ্য বরাবর ৪/৫ কিলোমিটার দূরত্ব জায়গা দীর্ঘ ২০/২৫ বছর ধরে রামরামা গ্রামের মোঃ মহন মন্ডলের পরিবার এককভাবে অবৈধভাবে নদীতে সুতি জাল দিয়ে ডাল-পালা ফেলে এবং বিভিন্ন পন্থায় মাছ ধরার কৌশল অবলম্বন করে জনগণের নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত করে নদী দখল করে আসছিলো।

সুতি জাল দিয়ে মাছ ধরার জন্য নদীতে কৃত্রিমভাবে স্রোত সৃষ্টি করতে হয়। যার ফলে নদী পাড়ের জমি, বিশেষ করে নদীর পাড়ে বসবাসকারী জনগণের বাড়িঘর, গাছ-পালা নদীর কৃত্রিম স্রোতে ভেঙ্গে বিলীন হয়ে গেছে এবং যেগুলি কোন রকমে টিকে আছে তা আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে! এ ব্যাপারে মহন মন্ডলকে বার বার জানালে বিষয়টি তিনি কোনো আমলে নেয়নি!

তাই বিষয়টি জনগণ কর্তৃপক্ষকে জানালে, সে পরিবার যেন অবৈধভাবে দখলের মাধ্যমে জনগণের কোন ক্ষতিসাধন করতে না পারে, সেজন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ এখানে একটি মৎস্য অভয়াশ্রম তৈরি করে দেন, যেখানে মাছ ধরা দণ্ডনীয় অপরাধ। অতঃপর কর্তৃপক্ষ অভয়াশ্রমের পাশে/বর্ধিতাংশে সরকারি শর্তাধীনে এই “রামরামা-কামারখালী সুফলভোগী মৎস্য অভয়াশ্রম সমিতি” নামকরণ করে একটি সমিতি গঠন করে দেন, এবং বিশেষ শর্তে শুধু খরা মৌসুমে মাছ ধরার অনুমতি দেন। তিনি আরও জানান, নদীর উভয় পাড়ের উল্লেখিত তিনটি গ্রামের প্রতি পরিবারের এক জন করে সদস্য নিয়ে সমিতির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৩০ জন, এবং এলাকার নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির যে কোন ব্যক্তি যে কোন সময় সমিতিকে ভর্তি হবার সুযোগ আছে। এই অবস্থায় অবৈধ দখলকারী পরিবারের, দুই যুগ ধরে দখলকৃত নদী হাত-ছাড়া হওয়ার কারণে মোঃ মহন মন্ডল ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং সমিতির অংশে জোর করে মাছ ধরার হুমকি ও পাঁয়তারা করে, কিন্তু সরকারি কর্তৃপক্ষ/প্রশাসনের প্রত্যক্ষ তৎপরতার কারণে তার সকল প্রচেষ্টা বিফলে যায়। তার শেষ প্রচেষ্টা মিথ্যাচারের মাধ্যমে সমিতির ভাবমূর্তি নষ্ট করার লক্ষ্যে তথাকথিত পকেট সাংবাদিক দিয়ে পত্রিকা ‘সাপ্তাহিক অগ্রযাত্রা’ Channel-S সহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ পরিবেশন করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। এই মিথ্যাচার ও ভুয়া সংবাদকে সভাপতি সাহেব ঘৃনাভরে প্রত্যাখ্যান করেন ও তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। মাছ বিতরণ সম্পর্কীয় এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “এই নদী জনগণের, তাই সমিতিতে কেউ সদস্য হোক বা না হোক, প্রতি বছর এভাবেই সমিতি কর্তৃক, সমিতির সদস্য ছাড়াও এলাকার গরিব-অসহায় মানুষদের মাঝে মাছ বিতরণ করা হবে।”
এছাড়া মাছ বিতরণের সময় তিনি অসহায়দের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, “এই মাছ বিতরণ কারোর প্রতি কোনো ধরণের দয়া বা অনুদান নয়, এটা তোমাদেরই অধিকার, যা পূর্বে দখলদারদের দ্বারা দুই যুগ ধরে হরণ করা হয়ে আসছিলো!” মাছ বিতরণ শেষে অসহায় মানুষেরা অনেকেই আপ্লূত হয়ে জানান, “পূর্বে কখনো তাদের মাঝে এভাবে মাছ বিতরণ করা হয় নাই, তারা “রামরামা-কামারখালী সুফলভোগী সমিতি” কর্তৃক মাছ পেয়ে অনেক খুশি এবং আশাবাদী যে, সামনের দিনেও তারা এভাবেই ‘সুফলভোগী সমিতি’ কর্তৃক সুফল ভোগ করবে।

পরিশেষে সভাপতি সাহেব সুষ্ঠুভাবে সমিতির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca