• শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের কর্মবিরতি পালন চাঁপাইনবাবগঞ্জে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মবিরতি নাচোলে গনমাধ্যম কর্মীদের সাথে ইউএনও’র মতবিনিময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহানন্দা ব্যাটালিয়নের ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন জঙ্গলবাড়ী চা বাগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণির বিদায়ী আয়োজন নাচোলে বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল গোমস্তাপুরে সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন কুড়িগ্রামে বাল্যবিবাহের হার ৫১ শতাংশ সবচেয়ে ঝুঁকিতে চরাঞ্চলের মেয়েরা নাচোলে পিঠা উৎসব/২৫ উদযাপিত হয়েছে। মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবীতে নাচোলে কর্মবিরতি পালন

কোটচাঁদপুরের অদম্য মেধাবী রাশেদুল কি মেডিকেলে ভর্তি হতে পারবে

Reporter Name / ২১৮ Time View
Update : শুক্রবার, ৯ এপ্রিল, ২০২১

কে নিবেন তাঁর দায়িত্ব???

আসিফ কাজল /রফিক মন্ডল, কোটচাঁদপুর।।

রুহানীর পর এবার অর্থের অভাবে মেডিকেলে ভর্তির শংকা তৈরী হয়েছে রাশেদুল ইসলামের (২০)। কি ভাবে ভর্তির টাকা জোগাড় হবে এই চিন্তায় পড়েছে রাশেদুলের পরিবার। চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অদম্য মেধার পরিচয় দিয়েছেন রাশেদুল। রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ হয়েছে তাঁর। কিন্তু সেই স্বপ্নপূরণে এখন বড় বাধা অর্থ। ভর্তি থেকে শুরু করে পরবর্তী পড়ালেখার খরচ কীভাবে জুটবে, এই চিন্তা এখন গোটা পরিবারের। বাবা মজনুর রহমান পাওয়ার টিলার চালক। অন্যের গাড়িতে কাজ করেন। মাঠে মাঠে জমি চাষ করেন। এভাবে যা আয় করেন, তা দিয়ে ঠিকমতো সংসারই চলে না, সেখানে ছেলের পড়ার খরচ কোথা থেকে আসবে এই চিন্তা তাঁর। পরিবারের সদস্যদের আশঙ্কা, অর্থের অভাবে ছেলের স্বপ্ন শেষ না হয়ে যায়। রাশেদুলদের বাড়ি ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার ফাজিলপুর গ্রামে। সামিয়া মরিয়ম (৭) নামের তাঁর আরেকটি ছোট বোন রয়েছে। রাশেদুলের বাবা মজনু জানান, অভাবের সংসার তাঁর। নিজের মাঠে কোনো চাষযোগ্য জমি নেই। মাত্র ৯ শতক জমির ওপর ভিটেবাড়ি। মাটির এক কক্ষের ঘরের মধ্যে রাশেদুল পড়ালেখা করেন। আর বারান্দা ঘিরে তাঁরা স্বামী-স্ত্রী ছোট মেয়েকে নিয়ে ঘুমান। বাড়িতে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি আর কবুতর পালন করেন তাঁরা। মা ফিরোজা বেগম বলেন, ছোটবেলা থেকেই রাশেদুলের পড়ালেখার প্রতি খুবই আগ্রহ। সারাক্ষণ পড়ালেখা নিয়েই থাকেন। কখনো ছেলেকে পড়ার কথা বলতে হয়নি। বাড়িতে পড়ালেখা করেই সব সময় ভালো ফল করেছেন। কোনো পরীক্ষায় রাশেদুল দ্বিতীয় হননি। মা বলেন, ‘ছেলের অনেক দিনের স্বপ্ন ডাক্তারি পড়ার। এখন মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে, কিন্তু পড়ানোর ক্ষমতা আমাদের নেই। স্বামী কলের লাঙল চালিয়ে দিনে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা আয় করেন। বছরে ৪ মাস এই কাজ হয়। বাকি ৮ মাস বাড়িতে গরু লালনপালনের পাশাপাশি শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। রাশেদুল জানান, বাবা পড়ালেখার খরচ দিতে পারেন না, তাই কখনো প্রাইভেট পড়তে যাননি। বাড়িতে পড়ালেখা করেই ভালো ফল নিয়ে এসেছেন। রাশেদুর পার্শ্ববর্তী রামনগর কে বি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০১৮ সালে সব বিষয়ে জিপিএ-৫ নিয়ে এসএসসি পাস করেন। একই গ্রামে অবস্থিত এ অ্যান্ড জে কলেজ থেকে ২০২০ সালে এইচএসসি পাস করছেন। করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা দিতে না পারলেও আগের ফলাফলের ভিত্তিতে ফলাফল জিপিএ-৫ এসেছে। রাশেদুল আরও বলেন, এসএসসি পাসের পর অর্থের অভাবে কলেজে ভর্তি হতে পারছিলেন না। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আসাদুজ্জামান লেন্টু টাকা দিয়ে ভর্তির ব্যবস্থা করেন। রাশেদুল চিকিৎসক হয়ে গ্রামের মানুষের সেবা করার স্বপ্ন দেখেন। এই স্বপ্ন পূরণে বিত্তবানদের সহযোগিতা চান তিনি। অদম্য মেধাবী ছাএ রাশেদুল এঁর সহযোগিতার জন্য তাঁর সাথে যোগাযোগের ফোন নাম্বার 01303-673137 এবং বিকাশ নং 01786-679765.


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category