নওগাঁ সদর মডেল থানাধীন নামা হাতাস গ্রামস্থ অরুন সাহানা (৫৪) কৃষি কাজ ও মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করত। গত ০১/০৫/২০২১খ্রি. তারিখে রাত্রীকালীন খাওয়া দাওয়া শেষে অনুমান ০৯.০০ ঘটিকার সময় অরুন সাহানা বাড়ির পাশে ধান খোলায় রাত্রীকালিন ধান পাহারা দেওয়ার জন্য যায়। পরদিন ভোর অনুমান ০৫.১৫ ঘটিকার সময় অরুণ সাহানার স্ত্রী ধান খোলায় গিয়ে দেখতে পান তার স্বামীর গলা কাটা রক্তাক্ত মৃতদেহ পরে আছে। পরবর্তীতে, ভিকটিমের স্ত্রী নওগাঁ সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে থানায় অজ্ঞাত আসামির নামে হত্যা মামলা রুজু হয়। মামলা রুজুর মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যেই নওগাঁ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া বিপিএম স্যারের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) জনাব মোঃ রকিবুল আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) জনাব মোঃ এ কে এম মামুন চিশতী, জনাব আবু সাঈদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল, নওগাঁ, জনাব মোঃ নজরুল ইসলাম জুয়েল, অফিসার ইনচার্জ, মামলা তদন্তকারী অফিসার পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) জনাব মোঃ মাহবুব আলম, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জনাব মুঃ ফয়সাল বিন আহসান, এসআই (নিঃ) মোঃ নাজমুল জান্নাত শাহ, এসআই মোঃ জামাল উদ্দিন সহ অন্যান্য অফিসার ও ফোর্সের সহায়তায় তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে এবং বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করএ আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত নয়ন (১৭) গ্রেফতার করা হয় এবং হত্যা কান্ডে ব্যবহৃত একটি কোদাল আলামত হিসাবে জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত নয়নকে বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে এবং সে স্বেচ্ছায় কাঃবিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে। তার জবানবন্দি হতে জানা যায় যে, ভিকটিম অরুন সাহানা তার আপন মামা। তার মামা তাকে কিছুদিন পূর্বেই মারধর ও ধান মাড়াইয়ের কাজে বাঁধা দেওয়ার সে তার মামার উপর ক্ষিপ্ত ছিল এবং সেদিন রাতে সে সুযোগ পেয়ে প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে উঠে এবং ভিকটিম অরুন সাহানাকে ধানে খোলায় ঘুমন্ত অবস্থায় কোদাল দিয়া গলা কেটে হত্যা করে।