বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৯ ঘটিকার সময় উপজেলার ভুষিরবন্দর থেকে একটি ভ্যানে যাত্রী উঠে মোট তিন জন। যারা ছিলো তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি চোরের টিম। ভ্যান চালককে রওনা দিতে বলা বিন্যাকুড়ির দিকে। যেই কথা সেই কাজ, ভ্যান চালক তিন জন যাত্রী (চোর) নিয়েই সাথেই রওনা, উদ্দেশ্য গন্তব্যস্থল।
এরপর বিন্যাকুড়ি নতুন বাজার এলাকায় একটি শুনশান নির্জন জায়গা দেখে যাত্রীরা ধারন করে তাদের আসল রুপ। তাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিলো যেকোন মূল্যেই ভ্যানটি হবে তাদের। একসময় ভ্যান চালক তার ভ্যান চুরিতে বাধা দিলে চোর দলের সদস্যরা ঝাপিয়ে পরে চালকের উপর। ভারী অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে চালকের মাথায়। মাথায় অতিরিক্ত আঘাত পাওয়ায় চালক পরে যায় মাটিতে। আর সুযোগ কাজে লাগিয়ে চোর টিমটি নিয়ে যায় সেই ভ্যানটি।
মিনিট কয়েক পরেই কয়েকজন মোটরসাইকেল আরোহী পথচারীদের দেখতে পায় ভ্যান চালক। কোন রকমে মাটি থেকে উঠেই পথচারীদের সাহায্য চান তিনি। সাথে সাথে চোরদের উদ্দেশ্য ধাওয়া করেন সেই পথচারীরা। পথচারীদের হাতে চোরের তিনজনই আটক না হলেও আটক হয়েছে একজন।
পরবর্তীতে থানায় খবর দিলে চিরিরবন্দর থানা এস.আই নিতাই চন্দ্র রায় ঘটনাস্থলে গিয়ে একজন কে নিয়ে আসেন থানায়।
এদিকে আহত ভ্যান চালকের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় দিনাজপুর এম.আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। জানা গেছে ভ্যান চালক দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ভাবকী ইউনিয়নের গুলিয়ারা গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের পুত্র ইয়াহিয়া (শুক্টু)।
চোরের নাম জানা না গেলেও, জানা গেছে তিনি খানসামা উপজেলার বাসিন্দা।