• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত নাচোল সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ১ম বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মরিচের ঝাল থাকলেও দাম নেই

Reporter Name / ৩০৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১ জুন, ২০২১

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে লাল টকটকে শুকনো মরিচে দৃষ্টি নন্দন মরিচ হাট
সঞ্জয় সাহাঃ গাইবান্ধা জেলার ব্রহ্মপুত্র নদ বেষ্টিত ফুলছড়ি উপজেলার চরাঞ্চলে মরিচ চাষে বিপ্লব ঘটে গেছে। ফুলছড়িতে মরিচ চাষ বেশি হবার কারণে এটি জেলার একমাত্র মরিচের হাট। এতে করে গজারিয়া ইউনিয়নে ব্রহ্মপুত্র সংলগ্ন হাটে নৌকাযোগে বিভিন্ন চর থেকে আসে প্রচুর মরিচ। ‘ফুলছড়ি মরিচ হাট’ নামে পরিচিত এই হাট এখন শুকনো মরিচের আমদানীতে টক টকে লাল মরিচে দৃষ্টি নন্দন হয়ে উঠেছে। জ্যৈষ্ঠ মাসের প্রখর রোদে ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদের ধারে মরিচ হাটে সারি সারি রয়েছে টকটকে শুকনা মরিচের বস্তা। কিন্ত তাদের মুখে নেই হাসি। চোখে মুখে হতাশার ছাপ। দীর্ঘ ছয় মাস অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল ঘরে তুলে তাদের মন ভার। কারণ একটাই, এবছর মরিচের দাম কম।
দাম না পেয়ে এখন মাথায় হাত গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা সহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার চরাঞ্চলের চাষিরদের।
হাটে গিয়ে জানা যায়, গাইবান্ধা সদর এর গাবগাছী, টেংরাকান্দি, মোল্লারচর, খোলাবাড়ি সহ ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চল এবং জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জের বকসীগঞ্জ এর কয়েকটি চর থেকে কৃষক ও পাইকাররা মরিচ বিক্রি করতে আসেন গাইবান্ধার জেলার ফুলছড়ি উপজেলার একমাত্র এই মরিচ হাটে। আর বগুড়া জেলা থেকে মরিচ কিনতে আসেন ব্যাপারীরা। সপ্তাহের শনি ও মঙ্গলবার দুদিন সকাল সাতটা থেকে বসে হাট। প্রতি হাটে দুই হাজার মনের বেশি শুকনা মরিচ বিক্রি হচ্ছে বলে জানান হাট ইজারাদার এর সহযোগী মকবুল হোসেন।
গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে- এবছর গাইবান্ধা জেলার ৭ উপজেলায় ১হাজার ৭শ হেক্টর জমিতে মোট উৎপাদন হয়েছে ৪হাজার ৪শ ৩৩ মেট্রিক টন শুকনা মরিচ। বিভাগের হিসাবে জেলায় মোট ১ হাজার ৮০০ হেক্টর জমির মধ্যে ফুলছড়ির চরেই মরিচ চাষ হয়েছে ৮০০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ৮৫ হেক্টর, সাদুল্লাপুরে ১শ৪০ হেক্টর, পলাশবাড়ীতে ৬০ হেক্টর, গোবিন্দগঞ্জে ২শ২০ হেক্টর, সুন্দরগঞ্জে ১শ৫০ হেক্টর, ফুলছড়িতে ৮শ৫০ হেক্টর ও সাঘাটায় ১শ৯৫ হেক্টর জমি মরিচ চাষ হয়েছে।
হাইব্রিড, বগুড়ার জাত ও স্থানীয় জাতের মরিচ চাষ করেছেন কৃষকরা। উপজেলার খাটিয়ামাড়ী চরের কৃষক শহীদুল ইসলাম বলেন, বিঘা প্রতি কাঁচামরিচ উৎপাদনের খরচ পড়েছে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। প্রতি বিঘায় ৫০ মনের বেশি মরিচ উৎপন্ন হয়। ৫০ মন কাঁচামরিচ পাকার পর তা শুকিয়ে ১০ মন শুকনা মরিচ পাওয়া যায়। মরিচ শুকানো,পরিবহণ এবং বাজারজাত খরচ যুক্ত করে মন প্রতি ব্যয় যা হচ্ছে তাতে খুব সামান্য লাভ টিকছে বলে জানান তিনি। গতবছর যেখানে শুকনা মরিচ ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা মনদরে বিক্রি হয়েছে এবার সেদাম প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এবার মানভেদে মরিচের মন চার হাজার টাকা থেকে সাড়ে ছয় হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মরিচ বিক্রেতারা জানান, এই হাটে মরিচ বিক্রি করতে আসেন হাজার খানেক কৃষক ও বগুড়ার প্রায় পঞ্চাশ জন ব্যাপারী আসেন মরিচ কিনতে। মরিচহাট বগুড়ার ব্যাপারীদের একচেটিয়া দখলে থাকায় তারাই দাম নির্ধারণ করেন।
বগুড়া থেকে মরিচ কিনতে আসা ব্যাপারী বলেন, করোনার কারণে ঢাকার গুড়া মসলা উৎপাদনকারী কোম্পানীগুলো যেমন কম মরিচ কিনছে তেমনি দামে কম পড়ছে। এবার মরিচের মানও ভালো না। তাই দাম কিছুটা কম।
গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মাসুদুর রহমান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, গাইবান্ধার সাতটি উপজেলায় যে পরিমাণ মরিচের চাষ হয় তার অর্ধেকই উৎপন্ন হয় ফুলছড়ি উপজেলায়। দিন দিন মরিচ চাষের পরিমাণ এখানে বাড়ছে। কৃষি বিভাগ থেকে পরামর্শসহ সবধরণের সহায়তা দেয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca