• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত নাচোল সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ১ম বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গোদাগাড়ীর পদ্মার চরে আবাদী জমির মাটি কেটে বিক্রীর অভিযোগ

Reporter Name / ৩৪৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১০ জুন, ২০২১

গোদাগাড়ী প্রতিনিধি:
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ৬নং মাটিকাটা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ভাটোপাড়া গ্রামের নীচে পদ্মার চরে আবাদী জমির মাটি কেটে বিক্রীর অভিযোগ উঠেছে। গোদাগাড়ীর এই চরগুলো আবাদের উপযুক্ত হওয়ার কারণে এখানকার স্থানীয় চাষিরা সৃষ্টিলগ্ন থেকে বোরো, মসুর, গম, মাস কলাই ও বিভিন্ন ধরনের সবজি উৎপাদন করে থাকেন। কিন্তু কিছু লোক ড্রেজার দ্বারা আবাদি জমির মাটি ট্রাক্টরে লোড করে বিক্রয় করে চলেছেন। যার কারণে ভূমিহীন কৃষকগণ জমি চাষাবাদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ওই এলাকায় উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদরাসা, জুমা মসজিদ ও একটি বাজার রয়েছে। বাজারে প্রায় ৪০-৫০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। মাটি তোলা ও সারাক্ষণ ট্রাক্টর চলার কারণে ৯নং চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের জনগণ ও ছাত্র/ছাত্রীদের নদী পারাপারে ভোগান্তির শিকার হতে হয়। ওই ঘাট দিয়ে ভাটোপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শত শত ছাত্রী যাতায়াত করে। ফুলতলা বাজারসহ এলাকায় বন্যার কোন রক্ষা বাঁধ নেই। সারা দিন রাত বালু তোলার নামে আবাদি জমির মাটি রাতের আঁধারে উত্তোলন করে নিচ্ছে বালু মহল। মাটি লোড-আনলোডের ট্রাক্টর চলাচলের কারণে ধুলোবালুতে স্থানীয় লোকদের বাড়ীঘর বিনষ্ট হওয়া, শব্দদূষণ সহ শিশু ও বৃদ্ধরা নানা ধরনের অসুখে আক্রান্ত হচ্ছে বলে এলাকাবাসীরা জানান। এভাবে মাটি কাটতে থাকলে হুমকির মুখে পড়বে এলাকার পরিবেশ। ওই এলাকার মধ্য দিয়েই রাজশাহী চাঁপাইনবাবগঞ্জ হাইওয়ে রোড রয়েছে। যা পদ্মার তীর হতে প্রায় ৮ থেকে ২০ ফিট দূরে অবস্থান।
এই গ্রামের মধ্য দিয়ে বিশ^রোড সংযোগে ২টি রাস্তায় ৩টি কালভার্ট রয়েছে। বালু বোঝায় ট্রাক্টর যাতায়াতের কারণে কদমহাজির মোড় থেকে সাহাদ্বিপুর রোডের কালভার্টটি ইতোমধ্যে ভেঙ্গে পড়েছে। ভাটোপাড়া জামে মসজিদের সামনে দিয়ে বিশ^রোড, সেই সাথে কমিউনিটি ক্লিনিক। সারাক্ষণ মাটি ও বালু বহনের ফলে প্রচুর ধুলো বালি উড়ে পরিবেশ দুষিত হয় বলে জানান স্থানীয় লোকজন। পদ্মার চরের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে গরিব, অসহায় লোকজন পদ্মার জেগে উঠা চরে বোরো, মসুর, গম, মাস কলাই ও চিনা আবাদ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে চলেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায় পদ্মার জেগে উঠা চরগুলো স্থানীয় লোকজনের এক সময়ের আবাদী জমি ছিল। ভাগ্যের পরিহাস পদ্মার ভাঙ্গনে জমিগুলো নদীতে বিলীন হয়ে যায়। বিধায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জমিগুলো চাষাবাদ করার জন্য ভূমিহীন কৃষক সমিতির চাষিরা ২০১৩ সালে জেলা প্রশাসক বরাবর লীজ নেওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। আবাদি জমি নষ্টের বিষয়ে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) এর নিকট ৩/৬/২০২১ খ্রি. ২০ পৃষ্ঠার ১০৬০ জন লোকের গণস্বাক্ষরযুক্ত আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন স্থানীয় জনগণ। এ ব্যপারে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জানে আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমি ঘটনাস্থলে যায়নি এসিল্যান্ডকে পাঠিয়েছিলাম। তিনি বলেন বালুমহলকে বালু কাটার জন্য ইজারা দেয়া হয়েছে, মাটি ইজারা দেয়া হয়নি। উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি)’র নিকট যোগাযোগ করা হলে দরখাস্ত পাওয়ার কথা শিকার করে তিনি বলেন স্থানটি আমি পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। সেখানে বালু মহলের লোকজন তাদের জায়গাতে লাল পাতাকা দ্বারা চিহ্নিত করে রেখেছে এবং কৃষকরা সবুজ পতাকা দ্বারা চিহ্নিত করে রেখেছে, মাটি কাটার প্রশ্নই আসে না এবং আমি মাটি কাটতে দেখিনি। তবে হ্যাঁ কোন মাটি যদি বালু মহলের ইজারার এরিয়ার মধ্যে হয় তাহলে কাটতে পারে অন্যথায় নয়। কেউ যাতে নদীর বুকে জেগে উঠা আবাদী জমির মাটি কাটতে না পারে এবং গরীব কৃষকরা চাষাবাদ করে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করতে পারে তার জন্য প্রশাসনের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় জনগণ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca