• শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
‎সুন্দরবনে অবমুক্ত বাঘিনীর রহস্যময় অন্তর্ধান: ৪০টি ক্যামেরায় মিলছে না অস্তিত্ব ‎ ‎ নাচোলে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ এর উদ্বোধন নাচোলে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত নাচোল উপজেলা আ,লীগের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আটক ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ পেলেন ইউপি সদস্য নাচোলে মাদক, বাল্যবিয়ে ও ইভটিজিং বিষয়ক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত মোবাইল অ্যাপসে মুরগির খামার নিয়ন্ত্রণ নাচোলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পকেট কমিটি গঠনের অভিযোগ প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে নাচোলে নতুন কুড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এর দেশ সেরা শামিমকে সংবর্ধনা নাচোলে ডাসকো’র উদ্যোগে ৩২তম আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত

ভোলাহাটে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রকল্প হরিলুটের অভিযোগ

Reporter Name / ৩৬৮ Time View
Update : বুধবার, ২৩ জুন, ২০২১

ভোলাহাট (চাঁপাই নবাবগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ চাঁপাই নবাবগঞ্জের ভোলাহাটে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কাউছার আলম সরকার এবং প্রকল্প কমিটির বিরুদ্ধে প্রকল্প হরিলুট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ১২ জুন রবিবার প্রধানমন্ত্রী বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন সুরানপুর গ্রামবাসীর পক্ষে নাসিমুল হক সহ বেশকিছু জনসাধারণ। অভিযোগে বলা হয় সরকারি নিয়মবহির্ভূতভাবে একই স্থানে এক বছরের মধ্যে দুইবার ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে গোহালবাড়ি ইউনিয়নের সুরানপুর জবানের গভীর নলকূপ হতে বিজিবি ক্যাম্প বাগডোগরা জাহিরুলের নলকূপ পর্যন্ত রাস্তায় কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) ৯ টন এবং ২০২০-২০২১ অর্থবছরে কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) ৪ লক্ষ টাকা প্রকল্পের টাকা দিয়ে কাজ না করে গম ও টাকা হরিলুট করেছে। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের ৯ টন গমের যে প্রকল্প ছিল সেখানে তৎকালীন প্রকল্প সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদকে ছাড়া গম উত্তোলন করে হরিলুট করা হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয় প্রকল্প সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কাউছার আলম সরকারের যোগসাজশে এই গম এবং টাকা যথার্থ কাজ না করে হরিলুট করা হয়। কাজের বিনিময়ে টাকায় যেখানে শ্রমিক দিয়ে রাস্তায় মাটি ভরাট করার কথা সেখানে ড্রেজার মেশিন দিয়ে ৪ লক্ষ টাকার কাজ অল্প টাকা খরচ করে টাকা হরিলুট করা হয়েছে বলে অভিযোগে পাওয়া গেছে। এব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কাউছার আলম সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি যদি গম ও টাকা হরিলুট করে থাকি তাহলে মাপজোখ করে আমার বিচার হোক।তবে এব্যাপারে প্রকল্প সভাপতি আব্দুল আলিম এবং প্রকল্প সাধারণ সম্পাদক আল মামুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাদেরকে মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি। উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কাউছার আলম সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করারও অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন উপজেলা জনপ্রতিনিধি মন্তব্য করে বলেন পিআইও কাউছার আলম সরকারের কাছে কেউ যদি কোন তথ্য চাই তাহলে তিনি তথ্য দিতে সবসময় নারাজ থাকে সেসাথে বিভিন্ন উপঢৌকন দিয়ে ম্যানেজ করে অফিস থেকে বিদায় করেন। এই জনপ্রতিনিধি আরও মন্তব্য করেন আলালপুর বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন রাস্তায় মাটি ভরাট করার আড়াই লক্ষ টাকার কাজেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারের নিয়মনীতিকে তোয়াক্কা না করে একই ব্যক্তি ও একই জায়গায় বারবার এবং অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে নামমাত্র করে প্রকল্পের গম ও টাকা হরিলুট করেছে মর্মে বিষয়টি আমলে নিয়ে সরেজমিন তদন্ত করে সঠিকভাবে কাজ যেন হয় সে বিষয়ে অনুরোধ করা হয়েছে অভিযোগে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
amazing-link-zeus.ca