• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত নাচোল সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ১ম বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গোদাগাড়ীতে ওসি কামরুল ইসলাম যোগদান করেই যুদ্ধ ঘোষনা করলেন মাদক ও কিশোর গ্যাংগের বিরুদ্ধে

Reporter Name / ৪০৬ Time View
Update : রবিবার, ২৭ জুন, ২০২১

শহিদুল ইসলাম গোদাগাড়ীঃ গোদাগাড়ীতে নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ইসলাম যোগদান করেই যুদ্ধ ঘোষনা করেছেন মাদক ও কিশোর গ্যাংগের বিরুদ্ধে। এতে করে গোদাগাড়ী থানা এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। করোনা পরিস্থিতি সারা বিশ্বকেই বিভিন্ন বিষয়ে নতুনভাবে ভাবিয়েছে, নতুন পথ দেখিয়েছে। লকডাউন শুরুর দিনগুলো পুলিশের কর্মতৎপরতা নতুনভাবে দেখার সুযোগ পায় বাংলাদেশের মানুষ। সম্ভবত এই প্রথম পুলিশ বাহিনীর দেশ জাতিকে সেবা করার ইচ্ছার বিষয়টি প্রবলভাবে অনুভূত হয়, যা পুরো জাতিকেই নতুন ভাবে নাড়া দেয়। আমরা নতুনভাবে চিনতে শুরু করি পুলিশকে। এই জোয়ারে ভেসে যায় পুলিশ নিয়ে মানুষের মনে তৈরি হওয়া এত দিনের ক্ষোভ ও অনাস্থা। করোনা লকডাউনের তুমুল দুঃসময়ে অসহায় মানুষ তাঁদের পাশে গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুল ইসলামসহ সকল পুলিশকে খুঁজে পান মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার কিংবা খাবারের প্যাকেট হাতে নিয়ে। অফিসার ইনচার্জ কামরুল ইসলাম পিছিয়ে পড়া হত দরিদ্রদের মাঝে খোজ খবর নিয়ে নিজেদের বেতনের অর্থায়নে ত্রান সামগ্রী পোঁছিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন । এতে করে গোদাগাড়ীর পুলিশ মানুষের হৃদয়ের মাঝে স্থান করে নিয়েছে। (ওসি) কামরুল ইসলাম যোগদানের পর পুলিশের সেবা জনগনের দৌড় গোড়ায় নিয়ে যাওয়ার আপ্রান চেষ্ঠা করছেন। এতে করে জনগন হয়রানী থেকে মুক্ত হয়েছেন। সেবার মান আরও বাড়াতে নির্লস ভাবে কাজ করছেন। সাধারণ মানুষ তার কাছে এসে সরাসরি তাদের অভিযোগ বলতে পেরে সস্তি প্রকাশ করেছেন। ওসি কামরুল ইসলাম এমন মহাত উদ্দ্যোগ এলাকার আইন শৃঙখলা ঠিক রাখতে ভূমিকা পালন করবে। উপজেলার ইভটিজিং, সন্ত্রাস, জঙ্গি তৎপরতা, মাদক, জুয়া, চুরি ও ডাকাতির পরিমাণ কমেছে। সেই সঙ্গে কমেছে এলাকায় অপরাধের সংখ্যাও। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, গোদাগাড়ীর অবনতিশীল আইনশৃংখলা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে যোগদানের পর পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে এনেছেন তিনি। ‘‘পুলিশি জনতা, জনতায় পুলিশ’’। জনগনের প্রকৃত বন্ধু যে পুলিশ সেটা তিনি প্রতিষ্ঠিত করেছেন গোদাগাড়ী উপজেলায়। নতুন ওসির চৌকুশ তৎপরতায় উপজেলা জুড়ে অপরাধ কমিয়ে প্রায় শুণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম ও নিষ্ঠাবান তৎপরতায় জনমনে ফিরে এসেছে স্বস্তি। তবে এর ধারাবাহকিতা ধরে রাখার দাবী তুলেছেন শুসীল সমাজ। তিনি দায়িত্ব নেবার পর গোটা উপজলোয় পুলিশের টহল বৃদ্ধির পাশাপাশি অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবী, র্ধষণের আসামি, চোর ডাকাতসহ বহু সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষমতা দেখিয়েছেন। ওসি কামরুল ইসলাম এর পারদর্শিতায় এমনকি ধর্ষনের মূল আসামী বন্ধুক যুদ্ধে নিহত হওয়ার ঘটনা ঘঠেছে এতে করে পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে। এতে করে ধর্ষণের মতন ন্যাক্কার জনক কাজ কমে আসবে বলে এলাকাবাসী অভিমত ব্যক্ত করেন। এছাড়াও উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের পুলিশির নিয়মিত টহলে কমেছে ছিন্নমূল অপরাধীদের দৌরত্ব পৌর শহরের ভিতর অবৈধ যানবাহন চলাচলও ব্যাপক কড়াকড়ি লক্ষ্যে করা গেছে। আটক হয়েছে বহু নম্বরবিহীন মোটরসাইকেল। শৃংখলা ফিরে এসেছে যানবাহন চলাচলেও। যোগদানের পর ওসির এহেন তৎপরতায় খুশী গোদাগাড়ী উপজলোর র্সবস্তরের মানুষ। স্বস্তিতে আছেন জনসাধারণ। এ উপজেলার আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধীদের দ্রæত আইনের আওতায় নিয়ে আসতে এরই মধ্যে তিনি ৯টি ইউনয়িন ও ০২ টি পৌরসভায় মেয়র, কাউন্সলির, চেয়ারম্যান, মেম্বার, স্থানীয় সাংবাদিক, বিট পুলিশিং এবং গ্রাম পুলিশদের নিয়ে মাদক, ইভটিজিং, সন্ত্রাস, জঙ্গি তৎপরতা, চুরি ডাকাতি বন্ধে সভা সমাবেশ করছেন। তাঁর নেতৃত্বেই প্রতি রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করে এলাকার দাগী চোর, ডাকাত এবং মাদককারবারীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছেন। এলাকায় বিভিন্ন স্কুল, কলেজ মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষকদের নিয়ে সন্ত্রাস নকশকতা ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে সচতেনতামূলক সভা ও ধারাবাহিক মানব বন্ধনে সার্বিক সহযোগীতা করে র্বতমান সরকারের উন্নয়নের ধারাকে সচল রাখতে অভিমত ব্যক্ত করেছেন। গোদাগাড়ী পৌরসভা সহ উপজেলার কামারপাড়া (মেডিকেল মোড়), কলেজ মোড়, সারাংপুর, সুলতানগঞ্জ, জামাতির মোড়, হাটপাড়া, রেলেগেট, চাইপাড়া, মাদারপুর, সাগরপাড়া, মহিশালবাড়ী, ও মাদারপুর ডিমভাঙ্গায় আগে অবাধে মাদক বেচাকেনা করা হতো। ওসি’র বিশেষ নজরদারি ও অভিযানের কারণে ইদানিং সেসব স্থানে কমে গেছে মাদককারবারী ও সেবীদের আনাগোনা। স্কুল কলেজের ছাত্রীদের আসা যাওয়ার পথে পুলিশের র্পযাপ্ত টহলের কারণে কমেছে ইভটিজিং বা মেয়েদের উত্ত্যক্তের ঘটনা। কমেছে বখাটেদের উৎপাত। প্রতিটি এলাকায় মসজিদ কমিটির অনুমতি ছাড়া অপরিচিত কাউকে মসজিদে রাত্রি যাপন এবং আসা যাওয়া করতে দেওয়া হচ্ছে না। উপজলোর কেউ নিখোঁজ রয়েছে কিনা তারও অনুসন্ধান করছেন তিনি। গোগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান বলনে, থানায় জিডি বা অভিযোগ দিতে গিয়ে এখন আর আগের মতো হয়রানির শিকার হতে হয়না। ওসি কামরুল ইসলাম তিনি নিজেই সকলের অভিযোগ শুনে আইনানুগ ব্যবস্থা নেন এবং কোন র্দুঘটনার খবর পেলে তিনি তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে ছুটে যান। ওসি’র ব্যাপক তৎপরতায় উপজেলায় আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক র্পযায়ে চলে এসেছে বলে তিনি দাবি করেন। গোদাগাড়ী মডেল থানার উপপরির্দশক (এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, ডিউটিরত পুলিশ সদস্যদের চাঙ্গা রাখতে ওসি স্যার ওয়ারলেস বা মোবাইল ফোনে কিছুক্ষণ পর পর খোঁজ নেন। ওসি স্যার এর উদ্যোম দেখে এখন সারারাত ডিউটিকেও আমাদের কষ্ট মনে হয়না। ওসির বন্ধুসুলভ আচরণে থানার প্রতিটি পুলিশ সদস্য স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। গোদাগাড়ী নাগরিক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক শান্ত কুমার মজুমদার বলেন, ওসি কামরুল ইসলাম এর র্কাযক্রমে গোদাগাড়ী উপজেলার হত দরিদ্র পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠিদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সাধারন মানুষ থানায় এসে আইনি সেবা পাচ্ছে। এই জন্য ওসির এই রকম র্কাযকলাপ অব্যাহত থাক এই আশা ব্যক্ত করেন। গোদাগাড়ী পৌরসভার ৩ নং প্যানেল মেয়র শহিদুল ইসলাম বলেন, ওসি কামরুল ইসলাম যোগদানের পর গোদাগাড়ীর আইন শৃংঙ্খলার উন্নতি হয়েছে। স্কুল, কলেজের সামনে বখাটাদের আনা গোনা বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন। তার এই ধারাবাহকিতা অব্যাহত থাকে যেন, এই বলে আশা ব্যক্ত করেন। উপজেলায় কী কী ধরণের অপরাধের সংখ্যা বেশি জানতে চাওয়া হলে ওসি কামরুল ইসলাম বলেন, এখানকার প্রধান সমস্যা মাদক বলে তিনি উল্লেখ করে বলেন, আগে মাদক কারবারীদের নির্দিষ্ট স্পট থাকলেও পুলিশের তৎপরতায় এখন এলাকায় মাদকের নির্দিষ্ট কোন আস্তানা নেই। বহুবার আস্তানা তৈরি করতে চাইলেও পুলিশের বিশেষ নজরদারিতে তারা র্ব্যথ হয়েছে। পুলিশের অভিযানে শতাধিক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও কুখ্যাত দাগী কয়কেজন আসামীকে গ্রেফতার করে তাদেরকে আইনের হাতে সোর্পদ করা হয়েছে। পুিলশের নিয়মিত টহলের কারণে অনেকে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি গোদাগাড়ীর অপরাধ কমানোর কৃতিত্বের অংশীদার জনগণ, রাজনৈতিক নেতা, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এবং জনপ্রতিনিধিরাও বলে তিনি দাবি করেন। তবে থানার জনবল ও বেশকিছু সমস্যা তুলে ধরে ওসি কামরুল ইসলাম বলেন, পোনে চার লক্ষ মানুষের নিরাপত্তা ও আইনশৃংখলা রক্ষায় থানায় যানবাহন বলতে ২টি গাড়ী। রাতে পুলিশকে গাড়ী ভাড়া নিয়ে ৯টি ইউনিয়নে টহল কাজ চালাতে হয়। এই বিশাল জনসংখ্যার বিপরীতে স্বল্প সংখ্যক পুলিশ সদস্য থাকায় অক্লান্ত পরিশ্রম করে দিন রাত পুলিশ সদস্যদের ডিউটি করতে হয়। জনগণের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ন্যায় ও নিষ্ঠার সঙ্গে আজীবন কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি আরও বলনে, এ থানাকে সব ধরণের অপরাধমুক্ত একটি আর্দশ মডেল থানা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে কাজ শুরু করেছি। এ ধারা অব্যাহত থাকবে। উল্লেখ্য যে, সাবেক অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খলিলুর রহমান পাটোয়ারী বদলী হওয়ার পর নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ইসলাম ১৬/০৬/২০২১ ইং তারিখে গোদাগাড়ী মডেল থানায় যোগদান করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca