বায়েজিদ হোসাইন
বাংলা ঋতুচক্রে এখন হেমন্তকাল। কার্তিক মাসের শেষ প্রান্তে এসে শীতের আগমনী বার্তা জানান দিচ্ছে প্রকৃতি। এরই মধ্যে মাঠে মাঠে দেখা মিলছে কৃষকদের আগাম ফসল খিরার। ফলন ঘরে তোলার পাশাপাশি বাজারে খিরা বিক্রি শুরু করেছেন কৃষকেরা।
বর্তমানে খুচড়া বাজারে প্রতি কেজি খিরা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা দরে। আগাম ফসল হওয়ায় বাজারে এর চাহিদাও রয়েছে। তবে কৃষকদের শঙ্কা, প্রতিবছর খিরা মৌসুমের শুরুতে দাম ভালো থাকলেও মৌসুমের শেষ দিকে সরবরাহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম কমে যায়।
কৃষকেরা জানান, সব কৃষকের খিরার ফলন একই সময়ে হয় না। কেউ আগাম ফলন পান, আবার অনেকের ফলন আসে মৌসুমের শেষ দিকে। এদিকে সার, কীটনাশক, জমি প্রস্তুত ও পরিচর্যাসহ উৎপাদনের প্রতিটি ধাপেই বাড়ছে খরচ। ফলে খিরা চাষে বিনিয়োগ করা অর্থ তুলে লাভের মুখ দেখা অনেকটাই নির্ভর করছে বাজারদরের ওপর।
তাই উৎপাদন খরচ ও বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় খিরার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার প্রত্যাশা করছেন কৃষকেরা। তাঁদের আশা, মৌসুমজুড়েই বাজারে খিরার দাম সহনীয় ও ন্যায্য পর্যায়ে থাকলে কৃষকেরা পরিশ্রমের উপযুক্ত মূল্য পাবেন এবং আগামীতে এ ফসল চাষে আরও উৎসাহিত হবেন।
কৃষকদের প্রত্যাশা, মাঠের পরিশ্রমের সঠিক মূল্য যেন পৌঁছে যায় তাঁদের হাতে।