• সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পল্লবী থানার ভেতরে ককটেল বিস্ফোরণ, ঢাকাজুড়ে আতঙ্ক ভুটান-শ্রীলঙ্কার ড্রয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত বাংলাদেশের ফেসবুক ব্যবহারে বিশ্বে শীর্ষে ফিলিস্তিন, বাংলাদেশের অবস্থান কত? দেবিদ্বারে বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি সমাবেশ, গাড়ি ভাঙচুর এক ছেলেকে কবর দিয়ে ফিরেই ছোট ছেলের লাইফ সাপোর্টের সামনে বাবা যশোর কেশবপুরে হত্যার অভিযোগে পল্লিচিকিৎসক মিঠুনসহ দুজন আটক নওগাঁয় ডিবির অভিযানে ২ কেজি গাঁজাসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জের যুবক গ্রেপ্তার মালয়েশিয়ায় বিনা খরচে চাকরি, লটারিতে বাছাই ৩০০ বাংলাদেশি রাষ্ট্রদ্রোহে জড়িতদের তালিকা হচ্ছে, কেউ ছাড় পাবেন না: মন্ত্রী চাকরি খুঁজে হতাশ? হজরত মূসা (আ.)-এর এই দোয়ায় চান কল্যাণ

যশোর কেশবপুরে হত্যার অভিযোগে পল্লিচিকিৎসক মিঠুনসহ দুজন আটক

Reporter Name / ২১ Time View
Update : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬

মনির হোসেন,বেনাপোল প্রতিনিধি :নিজ দোকানে আটকে রেখে ইনজেকশন পুশ করে হত্যা করা হয় রঞ্জন মন্ডলকে। এরপর তাকে হত্যা করে পরে মরদেহ মোটরসাইকেলে নিয়ে ফেলে দেয়া হয়।

যশোরের কেশবপুর উপজেলার কালিচরণপুর গ্রামের ঘের ব্যবসায়ী রঞ্জন মণ্ডল হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে পল্লিচিকিৎসকসহ দুজনকে আটক করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আটকের পর উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সিরিঞ্জ, নিহতের গলার সোনার চেইন, আংটি, মরদেহ বহনে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন মণিরামপুর উপজেলার মহিষদিয়া গ্রামের বিষ্ণুপদ ধরের ছেলে পল্লিচিকিৎসক মিঠুন ধর এবং সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার দক্ষিণ ভাদিয়ালী গ্রামের মৃত জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুল হান্নান গাজী।

রোববার বিকেলে আটক দুজনকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ নভেম্বর মণিরামপুর উপজেলার মহিষদিয়া গ্রামের হেলারের ঘাট ব্রিজসংলগ্ন মুক্তেশ্বরী নদীতে বস্তাবন্দি অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ পাওয়া যায়। পরে স্বজনরা মরদেহটি কেশবপুর উপজেলার কালিচরণপুর গ্রামের ঘের ব্যবসায়ী রঞ্জন মণ্ডলের বলে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় তাঁর ভাতিজা দেবাশীষ মণ্ডল বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে রোববার মণিরামপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

সিআইডির তদন্তে নিহতের মোবাইল ফোনের কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর), বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ এবং স্থানীয়ভাবে অনুসন্ধানের মাধ্যমে পল্লিচিকিৎসক মিঠুন ধরের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায়।

তদন্তে জানা যায়, গত ৬ নভেম্বর দুপুরে রঞ্জন মণ্ডল কাটাখালী বাজারে পল্লিচিকিৎসক মিঠুন ধরের চেম্বারে যান। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। ঘটনার পর মিঠুন ধরকেও এলাকায় পাওয়া যাচ্ছিল না। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিআইডি জানতে পারে, আব্দুল হান্নান গাজীর সহায়তায় মিঠুন ধর সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ভাদিয়ালী সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে সিআইডি যশোরের একটি দল কলারোয়া থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির উপপরিদর্শক (এসআই) দেলোয়ার হোসাইন জানান, শুক্রবার দুপুরে মিঠুন ধরের ফার্মেসিতে যান রঞ্জন মণ্ডল। একপর্যায়ে মিঠুন ফার্মেসির শাটার বন্ধ করে চলে যান। কিন্তু রঞ্জনকে আর ফার্মেসি থেকে বের হতে দেখা যায়নি। দুপুর আড়াইটার দিকে মিঠুন ফার্মেসি খুলে একটি ভরা বস্তা মোটরসাইকেলের পেছনে বেঁধে নিয়ে চলে যান। ওই বস্তায় রঞ্জন মণ্ডলের মরদেহ ছিল। বস্তাটি মিঠুন প্রথমে গ্রামের একটি সরু রাস্তার পাশে রেখে দেন। পরে রাতে বস্তার মুখে ইট বেঁধে মুক্তেশ্বরী নদীতে ফেলে দেন।

এসআই দেলোয়ার হোসাইন আরও জানান, আটক মিঠুন ধরের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের ব্যবহৃত সোনার চেইন ও আংটি এবং মরদেহ বহনে ব্যবহৃত মিঠুনের মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া কাটাখালী বাজারে মিঠুন ধরের দোকান থেকে নিহতকে দেওয়া ইনজেকশনের প্যাকেটও উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তার দাবি, রঞ্জন মণ্ডলের সহায়-সম্পত্তি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে মিঠুন ধর তাকে হত্যা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
amazing-link-zeus.ca