• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত নাচোল সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ১ম বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কুষ্টিয়ায় শিশু সৈকত ইসলাম সকাল হত্যার দ্রুত বিচার চেয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

Reporter Name / ৪৯০ Time View
Update : সোমবার, ২৮ জুন, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার : কুষ্টিয়ায় শিশু সৈকত ইসলাম সকাল হত্যার দ্রুত বিচার চেয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী। রবিবার সকালে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার জিয়ারখি ইউনিয়নের বংশীতলা মোড়ে এলাকার নারী-পুরুষের অংশ গ্রহনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, শিশু সৈকত ইসলাম সকালকে পরিকল্পীত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় হত্যা মামলার প্রধান আসামী মোকিমকে পুলিশ গ্রেফতার করলেও বাকি আসামীদের গ্রেফতারে গড়িমোসি করছে। যে কারনে হত্যার ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালাছে একটি প্রভাবশালী মহল। মানববন্ধন থেকে এলাকাবাসী শিশু সৈকত ইসলাম সকাল হত্যার সাথে জড়িত সকল আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের মাধ্যমে ফাঁসির দাবিও জানান। পরে বংশীতলা মোড় থেকে শিশু সৈকতের বাড়ী পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করে তারা।
মানববন্ধন শেষে নিহত শিশু সৈকত ইসলাম সকালের মা মনোয়ারা খাতুন জানান, তার ছেলে মোকিম ও জব্বারের ছেলের সাথে খেলা করতে গিয়ে মোকিমের ছেলের গায়ে কাদা দিয়ে ছিলো। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে মোকিম তার ছেলে সকালকে জব্বারের ঘরে নিয়ে গিয়ে মারধর করে। এক পর্যায়ে সকালের মৃত্যু হলে মোকিম ও জব্বার মিলে সকালের লাশ পাশের একটি পুকুরে ফেলে আসে। তিনি বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার শিশু সন্তান সৈকত ইসলাম সকাল হত্যার বিচার চাই।
নিহত শিশুর বাবা জহুরুল ইসলাম বলেন, আমার শিশু সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী এই হত্যার সঠিক বিচার চাই এবং সকলের কাছে আমার দাবি যাতে কোন প্রভাবশালী মহলের দারা হত্যার তদন্ত ভিন্নখাতে প্রবাহিত না করা হয়।
নিহত শিশুর বোন বর্ষা বলেন, আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। কি অপরাধ ছিলো আমার ভাইয়ের, যে তাকে এই ভাবে হত্যা করা হলো। আমি আমার ভাই হত্যার ন্যয়বিচার চাই।
নিহত শিশুর চাচাতো বোন আলেয়া বলেন, আমার ভাই খেলা করতে ছিলো। মোকিম আমার ভাইকে তেড়ে জব্বারের বাসায় নিয়ে গিয়ে হত্যা করে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে রাতের আধারে পুকুরে ফেলে দেয়। আমরা এর সুষ্ঠ বিচার চাই। খুনিদের ফাঁসি চাই।
নিহত শিশুর চাচাতো ভাই সুজন বলেন, জব্বারের বাড়ীতে সকালকে হত্যা করে বস্তায় ভরে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে মোকিম ও জব্বার। পরে বাড়ীর পাশে একটি পুকুরের মধ্যে তার লাশ ফেলে দেয়।
নিহত শিশুর চাচা তোফাজ্জেল বলেন, মোকিম ও জব্বার মিলে জব্বারের বাড়ীতে সকালকে হত্যার পর বস্তা বন্দী করে প্রথমে খাটের নিচে এবং পরে একটি (গরু খাওয়ানোর) চাড়ির মধ্যে লুকিয়ে রাখে। পরর্বীতে জব্বারের বাড়ীর পিছনে একটি পুকুরে ফেলে দেয় তারা।
স্থানীয় মাতব্বর আলতাফ মোল্লা বলেন, প্রথমে মনে হয়েছিল যে পানিতে ডুবে মারা গেছে। কিন্ত পরে জানতে পারলাম এটা পরিকল্পীত হত্যা। এই শিশু সকালকে হত্যার পরে পানিতে ফেলে রাখা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার পর যখন সবাই খোজাখুজি করছিল, তখন মোকিম ওই পুকুরের যেই স্থানটি দেখিয়ে দেয় সেই যায়গা থেকেই সকালের লাশ উদ্ধার করা হয়। এই হত্যাকারিরা সু-কৌশলে হত্যা করে পানিতে ফেলে দেয়। এখন তারা বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে হত্যার বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
প্রতিবেশী হারেজ আলী বলেন, সকাল থেকে আলতাফ মোল্লার পুকুর পাড়ে মোকিম ও জব্বারের ছেলের সাথে খেলা করছিল নিহত শিশু। এসময় মোকিম ছেলে খুঁজতে গিয়ে সকালকে একটা চরমারে। এরপর সকাল দৌড়তে দৌড়তে গিয়ে জব্বারের বাড়ীর ভিতরে ডুকে পরে। পরে মোকিম সকালকে চর মারে এবং জব্বার লাথি মেরে মাটিতে ফেলে দিলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে সকাল। তখন জব্বারের মা সকালের মাথায় পানি ঢালেতে ঢালতে বলে কি করলিরে ছেলেটাকি মেরে ফেলবি। সেই সময় জব্বার গিয়ে ঘাড় ধরে মোচর দিয়ে ভেঙ্গে ফেলে। পরে মোকিম, জব্বার, রতন, করিম এরা সবাই এক সাথে হয়ে বস্তায় ভরে ঘরের চকির নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে গোয়ালের চাড়ির মধ্যে ঢেকে রাখে এবং রাতে বাড়ীর পিছনের পুকুরের ফেলে দেয়।
প্রতিবেশী শাওন বলেন, সকাল হত্যার প্রধান আসামী মোকিম চায়না নামের স্থানীয় এক নেত্রীর চাচা হওয়ায় তিনি বিভিন্ন ভাবে এই হত্যা মামলা ধামা চাপা দেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন।
এদিকে জানাযায়, মৃত সকালের মেরুদন্ডের ২,৩ ও ৪ নাম্বার হাড় ভাঙ্গা ও ডিসপ্লেস ছিলো এবং পানিতে ডুবার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে মৃত সকালের ফুসফুসে পানির উপস্থিতি ছিলোনা। এদিকে মাথার চামড়ার নিচে ফ্লুইড জমা ছিলো। মৃত শিশুটির পরিবারের অভিযোগ তার ঘার মোটকে দেয়ার কারনে মেরুদন্ড ভেঙ্গে যায় এবং পরে তাকে মাটিতে ফেলে দেয়ার কারনে মাথায় আঘাতটি লাগে। মাটিতে পরার কারনে মাথার বাইরে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এছাড়াও মুখের ডান দিকে চোখের পাশে আঁচরের একটি দাগ পাওয়া যায়। পরিবারের অভিযোগ ঘাড় মটকানোর সময় সেখানে নখের আঁচর লাগে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি তদন্ত নিশিকান্ত সরকার জানান, ময়না তদন্ত প্রতিবেদন আমরা হাতে পেয়েছি। সেখানে মৃত্যুর কারণ হিসেবে এ্যাক্সিডেন্টাল ডেথ উল্লেখ করা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ডাক্তার যেভাবে প্রতিবেদন দিয়েছে, সেই ভাবেই তদন্ত এগোবে।
শিশুটিকে ঘাড় মোটকে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবিষয়ে আমার কোন বক্তব্য নেই, কারণ পুলিশ ডাক্তার না।
এবিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাব্বিরুল আলম জানান, নিহত শিশু সৈকত ইসলাম সকাল হত্যার ঘটনায় মোকিম নামে এক জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং এই হত্যার সাথে আরো কেউ জড়িত আছে কিনা তদন্ত করে পরর্বীত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
উল্লেখ্য, গত মে মাসের ২৭ তারিখে শিশু সৈকত ইসলাম সকালের ঘার ভাঙ্গা লাশ পাশের বাড়ীর একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca