• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে নেমে বাবা-ছেলেসহ ৪ জনের মৃত্যু ভালোবাসার বিয়ের আট মাস পার হতে না হতে স্বামী রহস্যজনক মৃত্যু স্ত্রী পলাতক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল প্রেমের টানে চীন থেকে নবীনগরে: বিয়ের আশায় তরুণীর বাড়িতে চীনা যুবক, এলাকায় চাঞ্চল্য অবৈধভাবে সার পাচারকালে হাতেনাতে আটক; ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা ঠাকুরগাঁওয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন: বালু ব্যবসায়ীকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা ভাগ্য বদলাতে লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে নিখোঁজ টাঙ্গাইলের শহিদুল স্টার্টআপ সাইন্স প্রজেক্ট নাচোলের এশিয়ান স্কুল জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন: জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত নাচোলে স্মার্ট ফোনের অপব্যবহার, মাদক, কিশোর অপরাধ ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময়সভা আবারও ঠাকুরগাঁও জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত মোঃ খাইরুল ইসলাম

স্বামী পাঠালেন রেমিট্যান্স, স্ত্রী পেলেন মোটরসাইকেল

Reporter Name / ১১০ Time View
Update : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

মালয়েশিয়া প্রবাসী মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার বাসিন্দা মো. মোমিনুল শিকদার। তিনি উপজেলার শেখপুর বাজারে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক বাজিতপুর শাখায় স্ত্রী রাবেয়ার অ্যাকাউন্টে ২ লাখ ৫ হাজার টাকা পাঠান। আর তাতেই ভাগ্য খুলে যায় রাবেয়ার। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের আয়োজিত রেমিট্যান্স উৎসব-২০২৬ লটারিতে মেগা পুরস্কার হিসেবে মোটরসাইকেল পেয়েছেন মোসা. রাবেয়া।

৬ মে (বুধবার) বেলা ১১ টায় কৃষি ব্যাংকের বাজিতপুর শাখায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রাবেয়ার হাতে তুলে দেন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ফরিদপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক বাজিতপুর শাখার ব্যবস্থাপক সাজ্জাদ হোসেন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর জেলার মুখ্য আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক কাজী মোহাম্মাদ নজরে মঈন এবং আঞ্চলিক নিরীক্ষা কর্মকর্তা আলাউদ্দিন আহমেদ।

কৃষি ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে ১৯ ফেব্রুয়ারী থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত ৪০ দিন ব্যাপী রেমিট্যান্স উৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময়ের মধ্যে প্রবাসীরা কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে যাঁদের কাছে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, তাঁদের লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়। মোট ৪০ টি পুরস্কার বিতরণের জন্য বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয়। এতে সারা দেশে ১ হাজার ৩৮টি শাখার মধ্যে বাজিতপুর শাখার রাবেয়া প্রথম নির্বাচিত হন।

এ সময় কর্মকর্তারা বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের জন্য কাজ করে কৃষি ব্যাংক। সকলের সার্বিক সহযোগিতায় ব্যাংকটির সেবা আগের চেয়ে অনেক উন্নত। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অক্লান্ত পরিশ্রম করে প্রবাসীরা উপার্জিত রেমিট্যান্স দেশে পাঠায়। তাদের উপার্জিত আয়ের কারণেই আমাদের রিজার্ভ বেড়েছে, আমরা বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছি।

পুরষ্কার পেয়ে রাবেয়া বলেন, আমি কখন কল্পনা করতে পারিনি যে আমার স্বামীর রেমিটেন্সের কারণে এমন একটি উপহার পাব। আমি প্রথম যখন শুনেছি তখন বিশ্বাস করতে পারিনি। পরে অফিসার গণ আমাদের বাড়িতে আসলে আমি ও আমার পরিবার অনেক খুশি এ পুরস্কার পেয়ে। ধন্যবাদ কৃষি ব্যাংকে।

এসময় ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার শারমিন আক্তার, অফিসার মো. বিপুল হোসেন, সাজ্জাদ মাহমুদ, ক্যাশ কর্মকর্তা বাসুদেব কুমার দাসসহ ব্যাংকের গ্রাহক, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category