• শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল নাচোল ইলা মিত্র প্রেসক্লাবের আত্মপ্রকাশ,সভাপতি সোহেল রানা – সম্পাদক বিশ্বনাথ চাঁপাইনবাবগঞ্জ উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম বুলবুলের উদ্যোগে (৩৪) কিলোমিটার ম্যারাথন দৌড়ের সূচনা চাঁপাইনবাবগঞ্জে “বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও উচ্চশিক্ষা এবং ক্যারিয়ার পরিকল্পনা” সেমিনার অনুষ্ঠিত নাচোলে টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের কর্মবিরতি পালন চাঁপাইনবাবগঞ্জে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মবিরতি নাচোলে গনমাধ্যম কর্মীদের সাথে ইউএনও’র মতবিনিময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহানন্দা ব্যাটালিয়নের ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন জঙ্গলবাড়ী চা বাগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণির বিদায়ী আয়োজন নাচোলে বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার লিগ্যাল এইড অফিসার ও দুই পুত্রের অস্ত্র চালানোর ভিডিও ভাইরাল

Reporter Name / ২৭৩ Time View
Update : সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ : বনের ভেতর দুই শিশু পুত্রকে একটি পিস্তল চালনা প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন পিতা। নদীর ধার ঘেষে বনের বিভিন্ন স্থানে কয়েক দফা দুই সন্তানকে নিজে অস্ত্র চালানা প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। এ সময় একজন সকল কর্মকাণ্ড ভিডিও করছিলেন। এমন একটি ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সে পিতা একজন সিনিয়র সহকারী জজ জাহিদুল ইসলাম জুয়েল। বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন। ভাইরাল হওয়া ৬ মিনিট ৩৫ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, পিস্তল হাতে শিশুপুত্র। পেছনে দাঁড়িয়ে বিচারক পিতা। তিনি ছেলেকে শেখাচ্ছেন ট্রিগার চাপার কৌশল। ছেলেও একের পর এক ছুড়ছেন গুলি। বিকট শব্দে কেঁপে উঠছে চারপাশ।

এ বিষয়ে বিচারক জাহিদুল ইসলাম জুয়েল বলেন, এ ঘটনায় পারিবারিক লোকজন জড়িত। পারিবারিক দ্বন্দ্ব থেকেই নিয়াজ মাহমুদ নামে একজন আমাকে বিপাকে ফেলতে ভিডিওটি নতুন করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। আমার বড় বোন তার প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখান করার কারণে সে আমাদের পরিবারের ওপর ক্ষুব্ধ। সে রাষ্ট্র, আওয়ামী লীগকে নিয়ে অনেক আজে-বাজে কথা বলেন, সেফুদা’র মতো।

তিনি জানান, ভিডিওটি ২০১৬ সালের দিকের। সে সময় আমি সুন্দরবনে ছিলাম। তখন বাচ্চারা শখ করে এক/দুই দিন করেছে। কোনো খারাপ উদ্দেশ্যে নয়, এই ধরেন গাছকে এইম করে গুলি করা এই আরকি। আমি ডিউটিকালীন সময়ে ঘুমিয়ে গেলে আমার সহকর্মীরা পিস্তল নিয়ে ডিউটি করত, এটা কোনো অপরাধ নয়। কয়রায় ম্যাজিস্ট্রেট থাকাকালীন সুন্দরবনের বনদস্যু ও ডাকাতদের হটাতে গুলি চালাতে হত।

তিনি বলেন, এটা খুব সহজ জিনিস, কিন্তু উনি (নিয়াজ মাহবুব) পারিবারিক দেখাদেখির মানে দেখে নেব- এই মনমানসিকতা থেকে নেগেটিভভাবে উপস্থাপন করেছেন।

শিশুদের হাতে বন্দুক তুলে দেওয়া ঠিক ছিল কি না জানতে চাইলে জুয়েল বলেন, তখন তো বন্ধুবান্ধব আমরা এমনি ফায়ার করতাম। একটা গাছ টার্গেট করে ফায়ার করতাম, আমার যেহেতু অস্ত্র আছে দুইটা, আমার ওয়াইফ ও আমার ছেলেমেয়েরা একটু শিখত। শ্যুটিং একটা স্পোর্টস। এরা এখন থেকে শিখলে এটা ঠিক হবে, এটুকুই।

বাচ্চাদের আগ্নেয়াস্ত্র চালনা শেখানো নৈতিকভাবে কতটুকু ঠিক এমন প্রশ্নের জবাবে ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদুল ইসলাম বলেন, এটা বাচ্চারা শখ করে করেছে। তবে এটা করা ঠিক হয়নি। সেজন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category