মনিরুল ইসলাম, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি: আমের রাজধানী খ্যাত নওগাঁর সাপাহারে আমের শেষ মৌসুমেও স্থানীয় কৃষক সাখাওয়াত হাবীবের বাগানে দোল খাচ্ছে আশ্বিনা ও আম্রপালী জাতের আম। শেষ সময়ে আমের দামে বাজিমাৎ করেছেন তিনি।
আমচাষী সাখাওয়াত হাবীব জানান, তার বাগানে বিভিন্ন জাতের আম চাষ করছেন তিনি। ভালো দামের আশায় তিনি ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতির মাধ্যমে আম সংরক্ষণ করেছেন। যাতে করে ভোক্তারা একদিকে যেমন শেষ সময়ে পাচ্ছেন রসালো আম অপরদিকে চাষী সাখাওয়াত হাবীব পাচ্ছেন আশানুরূপ বাজার মূল্য। বর্তমানে আমের মৌসুম শেষে আশ্বিনা আমের বাজার মূল্য প্রতিমণে ১২ হাজার ও প্রতিমণ আম্রপালী জাতের আম বিক্রয় করছেন ১৩/১৪ হাজার টাকা।
তিনি আরো জানান, ফ্রুট ব্যাগিংয়ের মাধ্যমে আম স্বাস্থ্য সম্মত ভাবে সংরক্ষণ করা যায়। যার কারনে পোকামাকড় থেকে আম রক্ষা পায়। এছাড়াও ফ্রুট ব্যাগিংয়ের মাধ্যমে আম সংরক্ষণ করলে মৌসুমের মাঝামাঝি ও শেষ সময়ে আম হারভেস্টিং সম্ভব হয়। যাতে করে অধিক লাভের সম্ভাবনা থাকে।
বাগান থেকে আম হারভেস্টিং করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানো হচ্ছে। যার মধ্যে অন্যতম মোকাম হলো বাদামতলী। এই অঞ্চলের আমের গুণগত মান ভালো ও অধিক রসালো। যার ফলে সারাদেশেই সমাদৃত সাপাহারের আম। শেষ সময়েও সাপাহারে আম কিনতে আগ্রহী বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকাররা। যাতে করে মৌসুম শেষেও বাগান থেকে আম হারভেস্টিং করে সরাসরি পাইকাররা নিজের মোকামে নিয়ে যাচ্ছেন।
মৌসুম শেষে আমের চাহিদা তেমন না থাকলেও সৌখিন ব্যক্তিরা বেশি দামে আমগুলো ক্রয় করে থাকেন। যার ফলে চলতি বছরের মৌসুম শেষে আমের বাম্পার বাজার মূল্য পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন আমচাষী সাখাওয়াত হাবীব।