• শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন

সাতক্ষীরা থেকে উধাও হয়ে যাওয়া প্রতারক মিজান এখন সমাজসেবী মেম্বর প্রার্থী

Reporter Name / ৬৬৮ Time View
Update : রবিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার
সাতক্ষীরার থেকে দেনার দ্বায়ে পালিয়ে যাওয়া কুশখালী ইউনিয়ন এর বাউখোলার মৃত মেম্বার রজব আলীর ছেলে এখন সমাজসেবী মেম্বর প্রার্থী। এলাকাবাসী সূত্রে জানা জায় বাউখোলা মৃত রজব আলী একসময়ের দাপুটে মেম্বার ছিলেন এলাকার সাধারণত মানুষ তাকে খুব ভালোবাসতেন। মৃত রজব আলী মেম্বার অত্যান্ত ভালো মানের মানুষ ছিলেন। মেম্বার রজব আলী ভালো হলেও তার সন্তান মিজানুর রহমান (মিজান) ছিলো হিংস্র প্রকৃতির। এলাকায় তার নানা অপকর্মের কারনে তার বাবার বাড়ি ঠাই না হলেও তার নানার বাড়ি পলাশপোলের বৌ বাজার এলাকায় মুদিখানা দোকান দিয়ে শহরে থাকা শুরু করেন তনি।
কিন্তু জায়গা পরিবর্তন হলে তো চরিত্র পরিবর্তন হয় না।
শহরের পলাশপোল বৌবাজার এলাকায় ব্যবসা সুবাদে নানা মানুষের সাথে মিষ্টি ভাষা ব্যবহার করে চলত তার প্রতরণা।
বিভিন্ন ব্যবসাহিদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আর ফেরত দিতো না মিজান। ২০১০/১১শেষের দিকে দেনার দ্বায়ে পলাশপোল এলাকার দোকান ফেলে পালিয়ে যায়। ২০১১ সালে দোকানে না আসায় ব্যাংক তার দোকানে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেন। পরে একে একে অনেক লোক টাকা চাইতে আসলে তাকে না পেয়ে গ্রামের বাড়ি ভাদড়া এলাকার বাউখোলা মিজানের নিজ বাড়ি যোগাযোগ করেও কেউ কোন সুরহা পাই নি। দির্ঘ ১০ বছর জেলার বাইরে নিজেকে লুকিয়ে নতুন রুপে আবার নিজের অবস্থান জানান দিচ্ছেন প্রতারক মিজানুর রহমান (মিজান)।
এবার তিনি সমাজসেবক হিসেবে কাজ করতে নিজেকে মেম্বার প্রার্থী হিসেবে ঘোষনা দিয়েছেন। মিজানুর রহমান মিজান এলাকায় এসে ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করছেন এমন সংবাদে পাওনাদাররা আবার তার বাড়ি গেলেও মিজান কাউকে মানুষ মনে করছে না। সম্প্রতি
সাতক্ষীরার এক ব্যবসাহী তার পাওনা টাকা চাইতে গেলে তার উপর চড়াও হয়েছেন মিজান। সাতক্ষীরার ব্যবসাহী জানান মিজান পলাশপোল এলাকায় দোকান থাকার সুবাদে তার সাথে সখ্যতা গড়ে উঠে। আমার কাছ থেকে থেকে সে তার নিজ দোকান, পলাপোল মৌজার১৪১০১ খতিয়ান ভুক্ত ৬১১৮/১৫০৬৩ দাগের ০.৯৪০ শতাংশ জমির মধ্যে ১৭৫ অংশের মালিক, যেটি মিজানের মৃত মা মনজুয়ারা খাতুন কতৃক ওয়ারেশ হওয়ায় আমি দোকানের জায়গা বন্ধক পূর্বক তাকে টাকা দেই। কিন্তু টাকা নেওয়ার কিছুদিনের মধ্যে সে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে অনেক যোগাযোগ করলেও কোন লাভ হয় নি।
এলাকার সাধারণত সচেতন মহল বলছেন যে লোকের টাকা মেরে খায়, মানুষের টাকা না দিয়ে মারতে উদ্দস্তো হয় তাহলে তার কাছ থেকে এলাকা বাসী কি সেবা পাবে। এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাক্তি জানান তিনি দির্ঘদিন এলাকায় না থেকে কিভাবে নির্বাচন করে এসবগুলো নির্বাচন অফিস কে বলতে হবে। দেনার দ্বায়ে পালিয়ে থাকে, যার নামে থানায় মামলা হয়, মানুষের আমানত নষ্ট করে এমন লোক যেন নির্বাচন না করতে পারে। এজন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি দেওয়ার প্রায়োজন বলে বনে করেছেন সাধারণ মানুষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
amazing-link-zeus.ca