উপজেলার পলস্নীতে বসত বাড়ীতে হামলা, ভাংচুর ও লুট-পাটের ঘটনায় ১৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ পুলিশ ঘচনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
উপজেলার জোতমুকুন্দপুর গ্রামের ভুসেন্দ্র অধিকারী এক লিখিত অভিাযোগে জানান, ১৭৫২নং-দাগে দশমিক ৫৬ একর জমির এরমধ্যে দশমিক ৩৪ একর জমি নিয়ে দীর্ঘ দিনের বিরোধ ও মামলা মোকদ্দমা চলে আসছিল। উলে-খিত ঘটনা স্থানীয়, চেয়ারম্যান, মেম্বার ও গণমান্য ব্যাক্তি বর্গের মাধ্যমে গত ২৭ মার্চ/২১ইং সালিস মিমাংসা করে নেওয়া হয়।
গত ৩১ অক্টোবর ভোর সারে ৪টায় দীনেশ মাষ্টারের নেতৃত্বে শ্যামল রায়, টুটুল রায়, মিঠুন রায়, উপেন রায়, মহেন রায়, ফটিক রায়, পুলিন রায়, নিতাই রায়, নিপেন রায়, প্রতিমা রায়, ববিতা রায় ও দিলিপ রায় একযোগে লাঠি-সোটা ও ধরাল অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বাড়ীতে হামলা চালায়। বাড়ীর লোকজন প্রানভয়ে পালিয়ে আত্মরক্ষা করার সুযোগে বাড়ীঘর ভাংচুর করে বিছানার নিচে থাকা ২৭হাজার ৫শত টাকা, সোকেসের ড্রয়ার থেকে গলার, কানের ও হাতের ৭০ হাজার টাকা মুল্যের স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনার প্রত্যড়্গদর্শি ইউপি সদস্য আদিত্য চন্দ্র রায়, নীলকন্ঠ চৌকিদার, মোমতা রায় ও সুরেন অধিকারী। উলেস্নখিত ঘটনায় ভুসেন্দ্র অধিকারী বাদী হয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে কাহারোল থানা পুলিশের কাছে আইনী সহায়তা চেয়ে ও ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য আবেদন করেন। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ ও ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছেন।
এ সংবাদ লেখা পর্যনত্ম অভিযুক্তদের কাউকে গ্রেফতার বা লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। ভুক্তভোগিরা সন্ত্রসীদের ভয়ে আতঙ্কিত রাত্রি যাপন ও বসত বাড়ীতে শানিত্মতে ঘুমাতে পারছেনা বলে জানিয়