• বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নির্বাচিত হলে সার খোলা বাজারে বিক্রির ব্যবস্থা করব: মির্জা ফয়সল আমিন বগুড়ায় পুলিশের উপর হামলা।। আসামি ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা, এস আই আহত ঠাকুরগাঁওয়ে কখনও আসেননি, সেই আসনেই প্রার্থী আলীম নিজামী নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

জীর্ণশির্ণ ঘরে বসবাস নিঃসন্তান বৃদ্ধ দম্পতি কালু-সাফিয়ার সজ্ঞিব দাস, গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর থেকে বঞ্চিত হয়েছেন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের চর বাদুরা গ্রামের মো. কালু হাওলাদার (৮৩) ও মোসা. সাফিয়া বেগম (৬২) নামের এক দম্পতি। কালু হাওলাদার চর বাদুরা গ্রামের মৃত মো. আকলদ্দি হাওলাদারের ছেলে। ওই গ্রামের আক্কাস মাষ্টার বাড়ি সংলগ্ন বেড়ি বাঁধের উপর দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে জীর্ণশির্ণ একটি ঘরে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন অসহায় কালু হাওলাদার ও তার স্ত্রী সাফিয়া বেগম। ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বারের কাছে বহুবার ধরনা ধরেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি এই দম্পতির। সরেজমিনে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে কান্নাজড়িত কন্ঠে এসব অভিযোগ করেন অসহায় ওই দম্পতি। জানা গেছে, গলাচিপা উপজেলার চর বাদুরা গ্রামে বেড়ি বাঁধের উপরে একটি ডেড়ায় বসবাস করা কালু হাওলাদার তার স্ত্রী সাফিয়া বেগমকে নিয়ে ঝড়-বৃষ্টি ও নানা প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে খেয়ে না খেয়ে অতি কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। বিয়ের পর থেকেই ওই দম্পতি নিঃসন্তান থাকার কারণে বৃদ্ধ বয়সে এসে তারা আরও অসহায় হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে কালু হাওলাদার অচল হয়ে পড়েছেন। স্ত্রী সাফিয়া বেগম মানুষের বাড়িতে কাজ করে যা পায় তা দিয়েই দিন কাটে তাদের। কান্নাজড়িত কন্ঠে সাফিয়া বেগম এ প্রতিবেদককে বলেন, “হুনছি প্রধানমন্ত্রী গরীব মানষেরে ঘর দেয়। আমাগো কপালে বুঝি ঘর নাই। কতবার কইছি চেয়ারম্যান-মেম্বারগো কেউ আমাগো কতা হুনেনা। আমনেরা আমাগো একটা ঘরের কতা এমপি সাপরে কইয়েন।’ আবেগজড়িত কন্ঠে বিমর্ষ কালু হাওলাদার বলেন, ‘বুড়া বয়সে আর কত কষ্ট করমু জানিনা। আমি অ্যাহন কাজ করতে পারিনা। ভাঙ্গা ঘরে দুইজনে খাইয়া না খাইয়া বাঁইচা আছি। জায়গা-জমি, ঘর-বাড়ি কিছুই নাই। আইজ আমার পোলাপান থাকলে এত কষ্ট অইতো না।’এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন হাওলাদার বলেন, ‘ভূমিহীণ ও গৃহহীণ হলে ওই পরিবারের জন্য অবশ্যই আমি প্রধানমন্ত্রীর ঘরের জন্য উপর মহলে সুপারিশ করবো। অতিসত্বর খোঁজখবর নিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিষ কুমার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ঘরের ব্যাপারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা যঁচাই-বাছাই করেন। তার পরেও ওই পরিবার লিখিত আবেদন করলে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Reporter Name / ৩০৬ Time View
Update : রবিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২১

জীর্ণশির্ণ ঘরে বসবাস নিঃসন্তান বৃদ্ধ দম্পতি কালু-সাফিয়ার
সজ্ঞিব দাস, গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর থেকে বঞ্চিত হয়েছেন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের চর বাদুরা গ্রামের মো. কালু হাওলাদার (৮৩) ও মোসা. সাফিয়া বেগম (৬২) নামের এক দম্পতি। কালু হাওলাদার চর বাদুরা গ্রামের মৃত মো. আকলদ্দি হাওলাদারের ছেলে। ওই গ্রামের আক্কাস মাষ্টার বাড়ি সংলগ্ন বেড়ি বাঁধের উপর দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে জীর্ণশির্ণ একটি ঘরে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন অসহায় কালু হাওলাদার ও তার স্ত্রী সাফিয়া বেগম। ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বারের কাছে বহুবার ধরনা ধরেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি এই দম্পতির। সরেজমিনে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে কান্নাজড়িত কন্ঠে এসব অভিযোগ করেন অসহায় ওই দম্পতি। জানা গেছে, গলাচিপা উপজেলার চর বাদুরা গ্রামে বেড়ি বাঁধের উপরে একটি ডেড়ায় বসবাস করা কালু হাওলাদার তার স্ত্রী সাফিয়া বেগমকে নিয়ে ঝড়-বৃষ্টি ও নানা প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে খেয়ে না খেয়ে অতি কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। বিয়ের পর থেকেই ওই দম্পতি নিঃসন্তান থাকার কারণে বৃদ্ধ বয়সে এসে তারা আরও অসহায় হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে কালু হাওলাদার অচল হয়ে পড়েছেন। স্ত্রী সাফিয়া বেগম মানুষের বাড়িতে কাজ করে যা পায় তা দিয়েই দিন কাটে তাদের। কান্নাজড়িত কন্ঠে সাফিয়া বেগম এ প্রতিবেদককে বলেন, “হুনছি প্রধানমন্ত্রী গরীব মানষেরে ঘর দেয়। আমাগো কপালে বুঝি ঘর নাই। কতবার কইছি চেয়ারম্যান-মেম্বারগো কেউ আমাগো কতা হুনেনা। আমনেরা আমাগো একটা ঘরের কতা এমপি সাপরে কইয়েন।’ আবেগজড়িত কন্ঠে বিমর্ষ কালু হাওলাদার বলেন, ‘বুড়া বয়সে আর কত কষ্ট করমু জানিনা। আমি অ্যাহন কাজ করতে পারিনা। ভাঙ্গা ঘরে দুইজনে খাইয়া না খাইয়া বাঁইচা আছি। জায়গা-জমি, ঘর-বাড়ি কিছুই নাই। আইজ আমার পোলাপান থাকলে এত কষ্ট অইতো না।’এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন হাওলাদার বলেন, ‘ভূমিহীণ ও গৃহহীণ হলে ওই পরিবারের জন্য অবশ্যই আমি প্রধানমন্ত্রীর ঘরের জন্য উপর মহলে সুপারিশ করবো। অতিসত্বর খোঁজখবর নিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিষ কুমার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ঘরের ব্যাপারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা যঁচাই-বাছাই করেন। তার পরেও ওই পরিবার লিখিত আবেদন করলে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca