• মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রাজস্ব আদায় ও ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকের কঠোর নির্দেশনা রাজবাড়ীতে আগাম ইরি ধান কাটা শুরু, খুশির সাথে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা ঘাটাইলে দুই ইটভাটাকে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা; ধান খেত নষ্ট করায় একটির আগুন নিভিয়ে দিল মোবাইল কোর্ট নওগাঁয় মান্দায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, জরিমানা ৫০ হাজার চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে রায়হান ফিলিং স্টেশনে পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনায় ম্যানেজারসহ ৩জনকে আটক করেছে পুলিশ। নাচোলে কালইর বাজার ফল ফাউন্ডেশনের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত পাবনায় ফোনের আসক্তি থেকে দূরে রাখতে স্কুল শিশুদের মাঝে ছাগল বিতরণ গাজীপুরে ঝুঁকির মুখে নগরায়ণ চাঁদা নিয়ে দ্বন্দ্ব! একদিন বন্ধের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাস চলাচল স্বাভাবিক। চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে দুই সংগঠনের বিরোধের জেরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে দূরপাল্লাসহ আন্তঃজেলা ও উপজেলা রুটে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

শীত মৌসুমে কুমড়ো বড়ি তৈরিতে ব্যস্ত নারীরা

Reporter Name / ২৬৭ Time View
Update : রবিবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২১

নাটোর প্রতিনিধি:
নাটোরের লালপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে ঘুরে দেখা গেছে শীত মৌসুমের উপাদেয় খাবার কুমড়ো বড়ি তৈরীতে ব্যাস্ত সময় পার করছেন নারীরা।
মাসকলাই ও চালকুমড়ো দিয়ে কুমড়োর বড়ি তৈরিতে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরেও গ্রামঞ্চলের নারীদের ব্যস্ততা দেখা মিলছে শীতের সকালে। শীতের হিম শিতল বাতাসে ও প্রচন্ড শীত উপেক্ষা করে সুস্বাদু কুমড়োর বড়ি তৈরীতে ব্যস্ত গ্রামের নারীরা।
মাসকলাই ভিজিয়ে রাখার পর তা দিয়ে ডালের আটা ও পাকা চাল কুমড়ো মিশিয়ে এ সুস্বাদু বড়ি তৈরি করা হয়।
গ্রামীণ এলাকার ৯০ ভাগ মহিলা পালাক্রমে একে অপরকে সহযোগিতা করে কুমড়ো বড়ি তৈরির কাজটি করে থাকেন।
অত্র এলাকার নারীরা এই বড়ি তৈরি করতে কয়েক মাস পূর্ব থেকেই চাহিদা মতো চাল কুমড়ো পাকানোর ব্যবস্থা করে থাকেন। এরপর মাসকলাই দিয়ে তৈরি করা হয় এই সুস্বাদু খাবারের অংশবিশেষ কুমড়ো বড়ি।
কুমড়ো বড়ি তৈরিতে মূলত চালকুমড়া এবং মাষকলাইয়ের ডাল প্রয়োজন হয়। মাষকলাইয়ের ডাল ছাড়াও অন্য ডালেও তৈরি হয় এ বড়ি। রোদে মচমচে করে শুকালেই এর ভালো স্বাদ পাওয়া যায়।

বড়ি তৈরির পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চাইলে উপজেলার নারীরা জানান, বড়ি তৈরির আগের দিন ডাল ভিজিয়ে রাখতে হয়। এরপর চালকুমড়া ছিলে ভেতরের নরম অংশ ফেলে দিয়ে বাকি অংশ গুলো মিহিকুচি করে রাখতে হবে। তারপর কুমড়ো খুব ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। ধোয়া হলে পরিষ্কার পাতলা কাপড়ে বেঁধে সারা রাত ঝুলিয়ে রাখতে হবে। পরে ডালের পানি ছেঁকে শিল-পাটায় বেটে নিতে হবে। এবার ডালের সঙ্গে কুমড়া মেশাতে হবে। খুব ভালো করে হাত দিয়ে মিশাতে হবে যতক্ষণ না ডাল-কুমড়োর মিশ্রণ হালকা হয়। তারপর কড়া রোদে চাটি বা কাপড় বিছিয়ে বড়ির আকার দিয়ে একটু ফাঁকা ফাঁকা করে বসিয়ে শুকাতে হবে। বড়ি তিন থেকে চার দিন এভাবে রোদে শুকানোর পর খাওয়ার উপযোগি হয়,পরে সেটি অনেকদিন সংরক্ষণ করে রাখা যায়।
শীত মৌসুমে এ বড়ি তৈরি করে নিজেদের প্রয়োজন মিটায়ে বাজারে বিক্রি করলে কিছু বাড়তি আয়ও করা যায় বলে জানান কুমড়ো বড়ি তৈরি করা নারীরা।
শুধু নাটোরেই নয়! সারা দেশেই এই কুমড়ো বড়ি সুক্ষ্যাতি রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category