• বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মহান বিজয় দিবসে সোনামুনি পাঠশালা বেসরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের বিনম্র শ্রদ্ধা মেডিকেলে সুযোগ না পেয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে কুড়িগ্রামের শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ১ হাজার ৯০ জন সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার, প্রতিকার নেই ডিজিটাল প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে গোদাগাড়ীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান। ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ইট ভাটায় অভিযান চালিয়ে দুই লাখ টাকা জরিমানা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রচার উপকরণ অপসারণ কাজ শুরু। নাচোলে বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন নাচোলে বুদ্ধিজীবি দিবস ও বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিসভা নাচোলে সাংবাদিকদের সাথে জামায়াতের এমপি প্রার্থীর মতবিনিময় আজ শ্রীমঙ্গল মুক্ত দিবস

তানোরে বিয়ের দাবিতে অনশন, অতঃপর

Reporter Name / ১৬৫ Time View
Update : বুধবার, ১৯ জুন, ২০২৪

মোঃ মমিনুল ইসলাম মুন. অঞ্চল প্রতিনিধি:
রাজশাহীর তানোর উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি ও পাড়িশো উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রামকমল সাহার পুত্র জয়ন্ত কুমার সাহার সঙ্গে
বিয়ের দাবিতে তার বাড়িতে অনশনে বসেছেন অনার্স পড়ুয়া এক ছাত্রী। গত ১৬ জুন রোববার উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) পাড়িশো গ্রামে প্রধান শিক্ষক রাম কমল সাহার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটেছে। এদিকে এখবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন সন্ধ্যায় অনার্স পড়ুয়া ওই শিক্ষার্থী প্রেমিক জয়ন্ত কুমার সাহার খোঁজে তার বাড়িতে আসে।কিন্ত্ত তার আশার খবরে কৌশলে জয়ন্ত পালিয়ে যায়। এসময় ওই শিক্ষার্থী জয়ন্তের সঙ্গে তার বিয়ে না দিলে আত্মহননের হুমকি দিয়ে অনশনে বসেছে। অনশনে বসা ওই শিক্ষার্থীর ওপর মানসিক চাপ প্রয়োগ করায় তার জীবন অনেকটা সংকটাপন্ন বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, রামকমল সাহার পুত্র জয়ন্ত কুমার সাহা একটি বে-সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। ভিকটিমের ভাষ্য, মুঠোফোনের সুত্রে পরিচয় এবং
প্রায় দু’বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। কিন্ত্ত তিনি তাকে বিয়ের কথা বলায়  জয়ন্ত বিয়ে করতে অস্বীকার ও তার সঙ্গে  সম্পর্ক ছেদ করেছে। ফলে বাধ্য হয়ে ওই শিক্ষার্থী জয়ন্তের সঙ্গে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসেছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে জয়ন্ত কুমার সাহা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওই মেয়ে তাকে ফাঁসাতে চাইছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে রাম কমল সাহা বলেন, ওই মেয়ে যদি তার ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের কোনো প্রমাণ দিতে পারেন তাহলে বিয়ে দিতে তাদের কোনো আপত্তি নাই। তিনি বলেন, আগামিকাল মেয়ের পরিবারের লোকজন আসবে আসার পর দেখা যাক কি হয়। এবিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুর রহিম বলেন,ঘটনা তিনি শোনেছেন। তবে কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। তিনি বলেন, এবিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নিয়ে দেখা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category