• বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গোপালপুরে ‘বাকি খাওয়া’ নিয়ে সংঘর্ষ, ভাঙচুর-লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত অর্ধশতাধিক পরিবার! বেনাপোলে নির্যাতনের পর হত্যা, মরদেহ ফেলে গেল ধানক্ষেতে জ্বালানি তেল সংগ্রহে অনভিপ্রেত ঘটনা প্রশাসনের ব্যখ্যা বাগমারা’য় ৭ মাসের শিশু নিয়ে পালিয়েছে এক গৃহবধূ আদমদীঘিতে প্রিপেইড মিটার সংযোগ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন রামুতে ইউপি সদস্য অপহৃত: ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, জনমনে চরম আতঙ্ক নওগাঁর নিয়ামতপুরের বাহাদুরপুর গ্রামে গভীর রাতে গলা কেটে একই পরিবারের ৪ জন সদস্যকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। কারাগারেই এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে নোয়াখালীর শিক্ষার্থী কর্মসংস্থান বাড়াতে দেশের বন্ধ জুটমিল গুলো চালু করা হবে : বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম নওগাঁর নিয়ামতপুরে রাতের অন্ধকারে নৃশংসতা; একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা

জ্বালানি তেল সংগ্রহে অনভিপ্রেত ঘটনা প্রশাসনের ব্যখ্যা

Reporter Name / ১৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহানের সরাসরি তত্বাবধায়নে ফুয়েল কার্ড যাচাই ও তেল বিতরণের সময় একটি অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটে যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরে। ভিডিও কে ঘিরে সৃষ্ট আলোচনার পর বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঘটনাটি মূলত একটি ভুল বোঝাবুঝি, যা পরবর্তীতে তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান করা হয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাট বাজারের একটি ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল কার্ড যাচাই কার্যক্রম পরিচালনার সময় ইউএনও উপস্থিত থেকে জ্বালানি বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে মনিটরিং করেন।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সরকার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী প্রকৃত কার্ডধারীদের মধ্যেই জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। এ সময় এক ব্যক্তি অন্যের কার্ড ব্যবহার করে জ্বালানি নেওয়ার চেষ্টা করলে বিষয়টি যাচাই করতে গিয়ে উদ্ভুত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করা হয়েছে এবং বিষয়টিকে ভুল বোঝাবুঝি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান বলেন, “কার্ড যাচাইয়ের সময় নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কাউকে শারীরিকভাবে আঘাত করার কোনো ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছিল, যা পরে পরিষ্কার হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তার কাছে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে। মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের সময় কখনো কখনো তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়, তবে সবকিছুই নিয়মের মধ্যেই করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধারণ মানুষ ইতিবাচকভাবে দেখছেন। অনেকেই মনে করছেন, অনিয়ম ঠেকাতে প্রশাসনের আরও কঠোর তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও যাতে কেউ অন্যের কার্ড ব্যবহার করে সুবিধা নিতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে এবং একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনায় আরও সতর্কতা অবলম্বন করা হবে, যাতে এ ধরনের বিভ্রান্তির সুযোগ না থাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category