• বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গোপালপুরে ‘বাকি খাওয়া’ নিয়ে সংঘর্ষ, ভাঙচুর-লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত অর্ধশতাধিক পরিবার! বেনাপোলে নির্যাতনের পর হত্যা, মরদেহ ফেলে গেল ধানক্ষেতে জ্বালানি তেল সংগ্রহে অনভিপ্রেত ঘটনা প্রশাসনের ব্যখ্যা বাগমারা’য় ৭ মাসের শিশু নিয়ে পালিয়েছে এক গৃহবধূ আদমদীঘিতে প্রিপেইড মিটার সংযোগ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন রামুতে ইউপি সদস্য অপহৃত: ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, জনমনে চরম আতঙ্ক নওগাঁর নিয়ামতপুরের বাহাদুরপুর গ্রামে গভীর রাতে গলা কেটে একই পরিবারের ৪ জন সদস্যকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। কারাগারেই এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে নোয়াখালীর শিক্ষার্থী কর্মসংস্থান বাড়াতে দেশের বন্ধ জুটমিল গুলো চালু করা হবে : বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম নওগাঁর নিয়ামতপুরে রাতের অন্ধকারে নৃশংসতা; একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা

গোপালপুরে ‘বাকি খাওয়া’ নিয়ে সংঘর্ষ, ভাঙচুর-লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত অর্ধশতাধিক পরিবার!

Reporter Name / ৪৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় ‘বাকি খাওয়া’ নিয়ে তুচ্ছ বিরোধকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত অর্ধশত ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে নলিনবাজার এলাকায় এরশাদের দোকানে গুলিপেচা গ্রামের টগর নামের এক ব্যক্তি বাকি নিতে গেলে দোকানদারের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রায় এক ঘণ্টা পর গুলিপেচা গ্রামের কয়েকজন এসে দোকানদারকে মারধর করলে ঘটনাটি সংঘর্ষে রূপ নেয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অর্জুনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নিয়ামত আলী মাস্টার ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম খান ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপরও হামলার অভিযোগ ওঠে। এতে এলাকাজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
পরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজন জড়ো করা হয় এবং উত্তেজিত জনতা গুলিপেচা গ্রামে হামলা চালায়। এ সময় আশপাশের অসংখ্য বাড়িঘরে ভাঙচুর চালানো হয়। বেশ কয়েকটি বাড়িতে লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিল্লুর রহমান বলেন, “প্রাথমিকভাবে ঘরবাড়ি ভাঙচুরের তথ্য পাওয়া গেছে। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। লুটপাটের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন বলেন, “ঘটনার পরপরই আমরা দুই পক্ষের স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বৈঠক করেছি। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। গোপালপুর, ভূঞাপুর ও হেমনগর পুলিশসহ অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এলাকায় মোতায়েন রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”
সংঘর্ষে নলিনবাজার এলাকায় কয়েকজন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। আহতদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এলাকায় পুনরায় যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category