• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
দেশে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, দৈনিক মিলতে পারে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট তিতুমীর কলেজের ছাত্রী হোস্টেলে স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন মিরপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ ঘিরে ৫ মামলা, আসামি সাড়ে ১০ হাজার বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রোটিয়াদের দল ঘোষণা, নেতৃত্বে বাভুমা পঞ্চম দিনেও উত্তপ্ত সাভার-আশুলিয়া, পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে আহত ১৫০ যুক্তরাষ্ট্রে হ্যালোইন ঘিরে সহিংসতা, নিহত ২৪ রাজশাহীর নতুন বিভাগীয় কমিশনার কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সিলেট সীমান্তে এয়ারগান-ওয়াকিটকিসহ ২১ লাখ টাকার পণ্য জব্দ একটি গুণ মেসির কাছ থেকে পেতে চান হ্যারি কেইন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন, ট্রাম্পের ক্ষমতার পরীক্ষা

আয়কর রিটার্ন না দিলে কত টাকা জরিমানা? আইনে কী শাস্তির বিধান

Reporter Name / ১ Time View
Update : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া শুধু কর পরিশোধের আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি করদাতার আইনগত দায়িত্বও হতে পারে। নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন দাখিল না করলে শুধু জরিমানার মুখেই পড়তে হয় না, ক্ষেত্রবিশেষে অতিরিক্ত কর, কর-সুবিধা হারানো এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সেবা গ্রহণেও জটিলতা তৈরি হতে পারে।

তবে একটি বিষয় শুরুতেই পরিষ্কার করা জরুরি—সব TINধারীর ক্ষেত্রে রিটার্ন না দেওয়ার শাস্তি একই নয়, আবার শুধু TIN থাকলেই প্রত্যেকের বিরুদ্ধে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্দিষ্ট অঙ্কের জরিমানা আরোপ হয় না। আয়কর আইন, ২০২৩-এর কোন ধারায় রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক, সর্বশেষ নিরূপিত আয় আছে কি না এবং রিটার্ন না দেওয়ার যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল কি না—এসব বিষয়ের ওপর পরিণতি নির্ভর করে।

রিটার্ন না দিলে কত টাকা জরিমানা হতে পারে?

আয়কর আইন, ২০২৩-এর ২৬৬ ধারায় নির্ধারিত শর্তে রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থতার জন্য জরিমানার বিধান রয়েছে। কোনো ব্যক্তি ১৬৬, ১৭২, ১৯১, ১৯৩ বা ২১২ ধারার অধীনে রিটার্ন দিতে বাধ্য হয়েও যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তা না দিলে উপকর কমিশনার জরিমানা আরোপ করতে পারেন।

আইনে জরিমানার প্রাথমিক হিসাব হলো সর্বশেষ নিরূপিত আয়ের ওপর ধার্যকৃত করের ১০ শতাংশ, তবে তা ন্যূনতম ১ হাজার টাকা। রিটার্ন না দেওয়ার ব্যর্থতা চলতে থাকলে প্রতিদিন ৫০ টাকা হারে অতিরিক্ত জরিমানার বিধানও রয়েছে।

তবে জরিমানার সর্বোচ্চ সীমা নির্দিষ্ট করা আছে। কোনো ব্যক্তির আগে কখনো কর নির্ধারণ না হয়ে থাকলে এই ধারায় জরিমানা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা হতে পারে। আর আগে কর নির্ধারণ হয়ে থাকলে জরিমানার সর্বোচ্চ পরিমাণ হবে সর্বশেষ নিরূপিত আয়ের ওপর প্রদেয় করের ৫০ শতাংশ অথবা ১ হাজার টাকা—দুটির মধ্যে যেটি বেশি। অর্থাৎ প্রতিদিন ৫০ টাকা অতিরিক্ত জরিমানার বিধান থাকলেও তা আইনে নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমার বাইরে যেতে পারে না। জরিমানা আরোপ স্বয়ংক্রিয় নয়; আইনের শর্ত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য।

নির্ধারিত সময়ের পর রিটার্ন দিলে অতিরিক্ত কর দিতে হতে পারে

রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা পার হয়ে গেলে পরে রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ থাকলেও করদাতাকে অতিরিক্ত আর্থিক দায়ের মুখে পড়তে হতে পারে। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৭৪ ধারায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন না দেওয়ার ক্ষেত্রে কর হিসাব ও অতিরিক্ত করের বিধান রয়েছে।

প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিলম্বের সময়ের জন্য অপরিশোধিত করের ওপর প্রতি মাসে ২ শতাংশ হারে অতিরিক্ত কর আরোপ হতে পারে। মাসের কোনো অংশও পূর্ণ মাস হিসেবে গণনা হতে পারে এবং এ অতিরিক্ত করের সময়সীমা সর্বোচ্চ ২৪ মাস পর্যন্ত হতে পারে। তবে এটি সবার ক্ষেত্রে একইভাবে প্রযোজ্য নয়; করদাতার আয়, কর পরিশোধ, উৎসে কর কর্তন, অগ্রিম কর এবং আইনে নির্ধারিত অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় হিসাব করতে হয়।

এখানে জরিমানা ও অতিরিক্ত করের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে হবে। ২৬৬ ধারার জরিমানা হলো রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থতার জন্য নির্দিষ্ট শর্তে আরোপযোগ্য অর্থদণ্ড। অন্যদিকে ১৭৪ ধারার অতিরিক্ত কর বিলম্বে রিটার্ন দেওয়ার কারণে কর হিসাবের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।

কর-অব্যাহতি ও কর-সুবিধা হারানোর ঝুঁকি

সময়মতো রিটার্ন না দিলে কিছু ক্ষেত্রে করদাতা যে কর-সুবিধা বা অব্যাহতি পেতে পারতেন, তা আর নাও পেতে পারেন। বিশেষ করে যেসব ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দেখানো বাধ্যতামূলক, সেখানে রিটার্ন না দেওয়ার কারণে কর হিসাবের ওপর প্রভাব পড়তে পারে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের FAQ অনুযায়ী, রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ বাধ্যতামূলক এমন ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন না দিলে বিলম্বজনিত সুদ বা অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধের পাশাপাশি কর পরিগণনায় কিছু কর-অব্যাহতি পাওয়া আয়ের সুবিধাও সীমিত হতে পারে। তাই শুধু জরিমানার অঙ্ক বিবেচনা না করে রিটার্ন না দেওয়ার ফলে ভবিষ্যতে কী আর্থিক ক্ষতি হতে পারে, সেটিও মাথায় রাখা জরুরি।

সরকারি ও বেসরকারি সেবা পেতে সমস্যা হতে পারে

বাংলাদেশে বেশ কিছু সরকারি ও বেসরকারি সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দেখানোর বিধান রয়েছে। যেমন নির্দিষ্ট শ্রেণির ঋণ গ্রহণ, ক্রেডিট কার্ড, ব্যবসায়িক লাইসেন্স বা নবায়ন, নির্দিষ্ট পেশাগত ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং অন্যান্য কিছু সেবায় রিটার্ন জমার প্রমাণ প্রয়োজন হতে পারে।

এ ধরনের ক্ষেত্রে রিটার্ন জমা না থাকলে সংশ্লিষ্ট সেবা পেতে বিলম্ব বা জটিলতা তৈরি হতে পারে। তবে কোন সেবায় কার জন্য রিটার্নের প্রমাণ বাধ্যতামূলক, তা আয়কর আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধানের ওপর নির্ভর করে। তাই সব সেবার ক্ষেত্রে সবার জন্য একই নিয়ম ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

কর অফিসের নোটিশ উপেক্ষা করলে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে

রিটার্ন না দেওয়ার বিষয়টি শুধু জরিমানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে। কর কর্তৃপক্ষ কোনো করদাতাকে রিটার্ন দাখিল, তথ্য প্রদান বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপনের জন্য নোটিশ দিতে পারে। আইন অনুযায়ী নোটিশ পাওয়ার পরও যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তা উপেক্ষা করলে আলাদা আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে আয়, সম্পদ, ব্যাংক হিসাব, ব্যবসায়িক লেনদেন বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্পর্কে কর কর্তৃপক্ষের প্রশ্ন থাকলে যথাযথভাবে জবাব দেওয়া জরুরি। নোটিশের জবাব না দেওয়া বা ভুল তথ্য দেওয়া পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে। তাই কর অফিস থেকে কোনো চিঠি বা নোটিশ এলে সেটি অবহেলা না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

আয় গোপন করলে জরিমানার ঝুঁকি আরও বেশি

রিটার্ন না দেওয়া এবং রিটার্নে আয় গোপন করা এক বিষয় নয়। কেউ রিটার্ন জমা না দিলে নির্দিষ্ট শর্তে ২৬৬ ধারার জরিমানা হতে পারে। অন্যদিকে রিটার্নে আয়, সম্পদ, দায় বা ব্যয়ের তথ্য ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল দেখিয়ে কর ফাঁকি দিলে আয়কর আইনের ২৭২ ধারায় আলাদা জরিমানার বিধান রয়েছে।

অর্থাৎ আয় গোপন, ভুয়া ব্যয় দেখানো, সম্পদের তথ্য আড়াল করা কিংবা কর কমানোর উদ্দেশ্যে অসত্য তথ্য দেওয়া গুরুতর আইনি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই রিটার্ন দাখিলের সময় প্রকৃত তথ্য দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় দলিল সংরক্ষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

TIN থাকলেই কি ৫ হাজার টাকা জরিমানা হবে?

এটি নিয়ে অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কখনো কখনো বলা হয়, TIN থাকলেও রিটার্ন না দিলে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। কিন্তু বিষয়টি এত সরল নয়।

আয়কর আইন অনুযায়ী, ২৬৬ ধারায় জরিমানা আরোপের জন্য সংশ্লিষ্ট ধারার অধীনে রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা, যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া ব্যর্থতা এবং জরিমানা নির্ধারণের আইনি শর্ত বিবেচনা করতে হয়। আগে কর নির্ধারণ হয়েছে কি না, সেটিও জরিমানার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।

তাই শুধু TIN থাকার তথ্য দিয়ে কারও জরিমানা নিশ্চিতভাবে ৫ হাজার টাকা হবে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। আবার TIN থাকার কারণে রিটার্ন দেওয়ার বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে কি না, সেটিও নিজের পরিস্থিতি অনুযায়ী যাচাই করতে হবে।

আগে রিটার্ন না দিলে এখন কী করবেন?

নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন জমা দিতে না পারলে বিষয়টি আর পিছিয়ে না দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করা উচিত। প্রথমে কোন করবর্ষের রিটার্ন বাকি রয়েছে, সেই করবর্ষে আপনার রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক ছিল কি না এবং কোনো কর অফিসের নোটিশ এসেছে কি না—এসব যাচাই করুন।

এরপর আয়, ব্যয়, ব্যাংক হিসাব, সম্পদ, দায়, উৎসে কর কর্তন ও বিনিয়োগসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে রিটার্ন প্রস্তুত করুন। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিলম্বজনিত অতিরিক্ত কর বা জরিমানা হিসাব করে পরিশোধের ব্যবস্থা নিতে হবে। অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ই-রিটার্ন পোর্টাল ব্যবহার করা যায়: https://etaxnbr.gov.bd/

যদি রিটার্ন না দেওয়ার পেছনে অসুস্থতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বিদেশে অবস্থান বা অন্য কোনো বাস্তব ও যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে, তাহলে তার প্রমাণ সংরক্ষণ করুন। কারণ আইনের ২৬৬ ধারায় জরিমানা আরোপের ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত কারণ না থাকার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। জটিল পরিস্থিতিতে কর আইনজীবী বা আয়কর পরামর্শকের সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: আয় করযোগ্য সীমার নিচে হলে রিটার্ন না দিলে জরিমানা হবে?

উত্তর: শুধু আয় করযোগ্য সীমার নিচে—এ কারণে সবার রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা শেষ হয়ে যায় না। আইন অনুযায়ী অন্য কোনো কারণে রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক কি না, তা যাচাই করতে হবে।

প্রশ্ন: রিটার্ন না দিলে কি TIN বাতিল হয়ে যাবে?

উত্তর: রিটার্ন না দিলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে TIN বাতিল হয়ে যায়—এমন নয়। নির্দিষ্ট শর্তে সংশ্লিষ্ট কর সার্কেলে TIN স্থগিত বা বাতিলের আবেদন করার সুযোগ থাকতে পারে। তবে সিদ্ধান্ত নির্ভর করে আইন ও কর কর্তৃপক্ষের বিবেচনার ওপর।

প্রশ্ন: আগের বছরের রিটার্ন এখন জমা দেওয়া যাবে?

উত্তর: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের FAQ অনুযায়ী, জরিমানা বা প্রযোজ্য অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করে সারা বছরই রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট করবর্ষের নিয়ম ও আপনার কর পরিস্থিতি অনুযায়ী কর হিসাব করতে হবে।

প্রশ্ন: কর অফিস জরিমানা করলে কি শুনানির সুযোগ পাওয়া যায়?

উত্তর: আয়কর আইন, ২০২৩-এর ২৮০ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তির শুনানি গ্রহণ বা শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ না দিয়ে এই অংশের অধীনে জরিমানা আরোপের আদেশ দেওয়া যাবে না। অর্থাৎ জরিমানা আরোপের আগে করদাতাকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিতে হবে।

শেষ কথা

আয়কর রিটার্ন দাখিল না করার পরিণতি শুধু একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের জরিমানায় সীমাবদ্ধ নয়। পরিস্থিতি অনুযায়ী অতিরিক্ত কর, কর-সুবিধা হারানো, সেবা গ্রহণে জটিলতা এবং কর কর্তৃপক্ষের আইনি কার্যক্রমের মুখোমুখি হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে প্রত্যেক করদাতার ক্ষেত্রে একই শাস্তি প্রযোজ্য নয়; আয়, রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা, পূর্ববর্তী কর নির্ধারণ এবং বিলম্বের কারণ বিবেচনায় সিদ্ধান্ত হয়।

তাই রিটার্ন দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ। আর আগে রিটার্ন না দিয়ে থাকলে বিষয়টি এড়িয়ে না গিয়ে নিজের কর পরিস্থিতি যাচাই করে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। কর আইন সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং সঠিক তথ্য দিয়ে রিটার্ন জমা দেওয়াই ভবিষ্যতের আর্থিক ও আইনি জটিলতা এড়ানোর কার্যকর উপায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
amazing-link-zeus.ca