• সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পুনরায় শুরু হলো টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজার কার্যক্রম রাস্তা ঠিক করতে এসে উল্টো ইট তুলে নিয়ে পালিয়েছে এলজিইডি’র ঠিকাদার মৌলভীবাজারে মসজিদের ভেতরে ঢুকে মুসল্লিকে নির্মম হত্যা; ঘাতক গ্রেফতার কুমিল্লায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬। গ্রামজুড়ে হেপাটাইটিস ‘এ’ ভাইরাসে শতাধিক আক্রান্ত, আতঙ্কে এলাকাবাসী চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-২ জ্বালানি সংকট ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে নওগাঁয় ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রাজাপুরে ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রীর লাশ উদ্ধার নরসিংদীতে রাস্তায় পড়ে থাকা এসএসসি পরীক্ষার ২৬৮ খাতা উদ্ধার রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে মা মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

তালিকা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাজশাহী মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মানববন্ধন

Reporter Name / ২৪২ Time View
Update : বুধবার, ১০ মার্চ, ২০২১

লিয়াকত রাজশাহী ব্যুরোঃ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে রাজশাহী জেলা ও মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।

গতকাল বুধবার সকালে রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে জেলা ও মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ব্যানারে এ কর্মসূচির পালন করা হয়।

উক্ত মানববন্ধনে সুপারিশ না পাওয়া ব্যাক্তিরা দাবি করে বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম নতুন করে বাছাই কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন। নতুন কমিটির মাধ্যমে প্রকাশ্যে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণেরও দাবিও জানিয়েছেন তারা।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী পশ্চিমাঞ্চল মুক্তিযোদ্ধা সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি আবদুল আজিজ মাস্টার।
মানববন্ধনটি পরিচালনা করেন সেক্টর কমান্ডার ফোরামের রাজশাহী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল।

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) সুপারিশ ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত হওয়া ১৬০ জনকে নতুন করে যাচাই-বাছাই করে গতমাসে। এতে চার সদস্যের কমিটি যাচাই-বাছাই করে। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ভাতা পেলেও ১২৬ জনের গেজেটে নিয়মিত রাখার সুপারিশ করেনি কমিটি। এদের মধ্যে ৩৪ জনকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটে নিয়মিত করার সুপারিশ করা হয়েছে।

সুপারিশ না পাওয়া ১২৬ জনের মধ্যে ৮৪ জনের আবেদন সরাসরি নামঞ্জুর হয়েছে। ২৬ জন গেজেট নিয়মিত করার আবেদনই করেননি। তাই তাদের ব্যাপারেও সুপারিশ করা হয়নি। এ ছাড়া আটজনের ব্যাপারে দ্বিধাবিভক্ত সিদ্ধান্ত এসেছে বলে কমিটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে।

এই যাচাই-বাছাইকে প্রশ্নবিদ্ধ বলছেন গেজেট নিয়মিত করার সুপারিশ না পাওয়া ব্যক্তিরা। মানববন্ধন কমূসূচিতে তারা বলেছেন, চার সদস্যের কমিটির মধ্যে একজন ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা। বাকি তিনজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে কমিটিতে ছিলেন। তাদের মধ্যে দুজনের ব্যাপারে তাদেরই প্রশ্ন রয়েছে।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, জামুকার নির্দেশনায় ছিল প্রকাশ্যেই সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে হবে। সাক্ষ্য আইনেও এটা আছে। কিন্তু যাচাই-বাছাইকালে প্রকাশ্যে কারও সাক্ষ্য নেয়া হয়নি। যারা সুপারিশ পাননি তারা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের রাজনীতির বলি হয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে সবাই মুক্তিযোদ্ধা।

স্বার্থের জন্য এ কমিটির সদস্যরা তাদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেই স্বীকৃতি দিচ্ছেন না। এটা তাদের জন্য ভীষণ লজ্জার। তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। এ বিষয়ে তারা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। কর্মসূচি থেকে আগের যাচাই-বাছাই কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়।

এসময় কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আবদুল মান্নান, কবিকুঞ্জের সভাপতি রুহুল আমিন প্রামানিক, মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক কুমার, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র-২ রজব আলী, আইনজীবী এন্তাজুল হক বাবু, মুক্তযুদ্ধ পাঠাগারের সহ-সভাপতি মজিদা বিথী, সাংবাদিক মুস্তাফিজুর রহমান খান আলম, এফএ ফাউন্ডেশনের মহানগর সভাপতি আলতাফ হোসেন প্রমুখ।

এ বিষয়ে মহানগর যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য সচিব অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ শরিফুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে রাজশাহী মহানগরীর ৫৫২ জন ভাতাভোগীর মধ্যে ১৬০ জনের ব্যাপারে জামুকার সুপারিশ ছিল না। সুপারিশ ছাড়া তারা গেজেটভুক্ত হয়েছিলেন। সে কারণে জামুকা তাদের ব্যাপারে যাচাই-বাছাই করতে বলে। নিয়মনীতি অনুসরণ করেই যাচাই করা হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রশ্ন তোলার কোন সুযোগ নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category