• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত নাচোল সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ১ম বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কাদের মির্জার অপকর্মের কথা বলে শেষ করা যাবে না : মিজানুর রহমান বাদলের স্ত্রী

Reporter Name / ২৭৬ Time View
Update : শুক্রবার, ১২ মার্চ, ২০২১

কাদের মির্জার অপকর্মের কথা বলে শেষ করা যাবে না : মিজানুর রহমান বাদলের স্ত্রী

মিজানুর রহমানের বাদলের বাড়িতে তার পরিবারের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলন করেছেন। আজ শুক্রবার বিকেল ৫টায় বাদলের মুক্তির দাকিতে তারা এ সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে বাদলের স্ত্রী বিউটি আক্তার, বোন বকুল, শিপন, জোসনা আক্তার, রুমি আক্তার, মাতা, ভাই সলিম উল্যাহ টেলু ও চৌধুরী বিদ্যুৎ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বাদলের স্ত্রী বলেন, ‘আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি কোম্পানীগঞ্জের অপরাজনীতির হোতা আবদুল কাদের মির্জা ৩ মাস যাবৎ কোম্পানীগঞ্জবাসীকে জিম্মি করে রেখেছেন। তিনি একজন চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ। তিনি সত্য বচনের নামে মিথ্যাচার করছেন। কাদের মির্জা দুইজন তাজা প্রাণ হত্যা করেছে। তার অপকর্মের কথা বলে শেষ করা যাবে না। তিনি শুধু মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াতের গায়ে হাত দেননি, সারা দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের গায়ে হাত দিয়েছেন।’

বাদলের বোনেরা বলেন, ‘মাননীয় প্রধামন্ত্রী আমার ভাই বাদলকে মুক্ত করে দিন, মুক্তি না দিলে আমরা আত্মহত্যা করব। আমাদের পিতা মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল আলম চৌধুরী আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত নেতা ছিলেন। স্বাধীনতার পরে গণবাহিনী আমার পিতাকে হত্যা করেছে আজও পর্যন্ত এ হত্যার বিচার হয়নি।’

এসময় তারা আরও বলেন, ‘নিহত আলা উদ্দিনের ছোট ভাই এমদাদ হোসেন রাজু গত বৃহস্পতিবার কোম্পানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করতে গেলে থানা পুলিশ মামলা নেয়নি। আমরা এর প্রতিবাদ জানাই।’

অপরদিকে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে এরকম গুঞ্জন গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলাসহ সারা নোয়াখালীতে ছড়িয়ে পড়ে। অবশেষে গুঞ্জন মিথ্যায় পরিণত হয়েছে। তিনি বৃহস্পতিবার রাতে পৌরসভা কার্যালয়ে কয়েকজন নেতাকর্মীসহ অবস্থান করেছেন। রাত ১০টা পর্যন্ত পৌরসভার পূর্বপাশে বিপুল পরিমান র‌্যাব ও পুলিশ মোতায়েন ছিল। রাত ১০টার পর র‌্যাব চলে যায়।

পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে পৌরসভা ভবনের পূর্ব পাশে ১০-১২ জন পুলিশ, পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে মেয়রের নিরাপত্তার জন্য ১০-১২ জন পুলিশ এবং কার্যালয়ের সামনে পুকুরের দক্ষিণ পাশে ১০-১২ জন পুলিশ এখন পর্যন্ত মোতায়েন রয়েছে। রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত নোয়াখালী পুলিশ সুপার মোঃ আলমগীর হোসেন কোম্পানীগঞ্জ থানায় অবস্থান করছিল। এছাড়া বসুরহাট পৌরসভা মেয়রের অফিসের মেইন গেটে চারটি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।

আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় পৌরসভা কার্যালয়ে হামলা, গুলি ও ককটেল বিষ্ফোরণের ঘটনায় আহত বসুরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রাজিব ও আনোয়ার, চরহাজারী ১ নম্বর ওয়ার্ডে আলা উদ্দিন, চরকাঁকড়া ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাঈন উদ্দিনকে তাদের বাড়িতে দেখতে যান এবং তাদেরকে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন আবদুল কাদের মির্জা।

বসুরহাট বাজারে র‌্যাব-১১, ডিবি পুলিশ, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। চারজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ২২ প্লাটুন পুলিশ, ৩ প্লাটুন দাঙ্গা পুলিশ, ১ প্লাটুন ডিবি পুলিশ, ২ প্লাটুন র‌্যাব এর পাশাপাশি ৭জন অতিরিক্ত পুলিশ পরিদর্শক মোতায়েন করা হয়েছে।

এছাড়াও পৌরসভার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে র‌্যাব ও পুলিশ মোতায়ন রয়েছে। পুলিশ দাবি করছে, বসুরহাট বাজারে এখন স্বাভাবিক অবস্থান বিরাজমান করছে। আজ আরও ৯ প্লাটুন পুলিশ বিভিন্ন জেলা থেকে আনা হয়েছে। তবে বসুরহাটবাসী আতঙ্কে রয়েছে, পরিস্থিতি এখনও থমথমে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করে সাদা পোশাকদারী গোয়েন্দা পুলিশ। বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা গুলিবিদ্ধ হওয়া আহত নেতাকর্মীদের সঙ্গে দেখা করে এসে পৌরসভা কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার দলের অনেকেই গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই বাড়িতে আছেন, তাদেরকে দেখার জন্য বাড়িতে গিয়েছিলাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোটামুটি ভালো। আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানাই। আমি চাই কোম্পানীগঞ্জ থেকে অস্ত্রের রাজনীতি বন্ধ হোক। সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এখানে মুজাক্কির ও আলা উদ্দিনকে হত্যা করা হয়েছে। আমার ও আমার কর্মীদের ওপর যে নির্বিচারে গুলি চালানো হয়েছে আমি চাই, সরকার সুষ্ঠু তদন্ত করুক। আমরা যাতে ন্যায় বিচার পাই, সেটা নিশ্চিত করুক। সুষ্ঠু তদন্তে যদি আমরা দোষী প্রমাণিত হই তাহলে সরকার আমাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca