• সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৬:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে বৃত্তি পরীক্ষা–২০২৫ কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদ, ক্রেস্ট ও বৃত্তি প্রদান করা হয়েছ। পুনরায় শুরু হলো টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজার কার্যক্রম রাস্তা ঠিক করতে এসে উল্টো ইট তুলে নিয়ে পালিয়েছে এলজিইডি’র ঠিকাদার মৌলভীবাজারে মসজিদের ভেতরে ঢুকে মুসল্লিকে নির্মম হত্যা; ঘাতক গ্রেফতার কুমিল্লায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬। গ্রামজুড়ে হেপাটাইটিস ‘এ’ ভাইরাসে শতাধিক আক্রান্ত, আতঙ্কে এলাকাবাসী চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-২ জ্বালানি সংকট ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে নওগাঁয় ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ রাজাপুরে ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রীর লাশ উদ্ধার নরসিংদীতে রাস্তায় পড়ে থাকা এসএসসি পরীক্ষার ২৬৮ খাতা উদ্ধার

রাজশাহীর বাঘায় কাগজের ঠোংগা বানিয়ে স্বাবলম্বি অর্ধ শতাধিক নারী

Reporter Name / ১৯৫ Time View
Update : সোমবার, ২২ মার্চ, ২০২১

সাজ্জাদ মাহমুদ সুইট,বাঘা(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর বাঘায় সমাজের অসহায় নারীরা তৈরী করছেন কাগজের ঠোংগা । এতে ফিরে এসেছে তাদের সাংসারিক স্বচ্ছলতা। মশিদপুর গ্রামের প্রায় ৫০ জন নারী কাগজের ঠোংগা তৈরী করছে সংসারের কাজের পাশাপাশি। এ সমস্ত হতদরিদ্র মহিলাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে বাবুল হোসেন নামের এক যুবক ।

অসহায় জীবনের গল্প শোনালেন বেশ কিছু অসহায় নারী। যারা এখন সকলেই সাংসারিক ভাবে স্বাবলম্বি।

এ সকল ঠোংগা তৈরীতে পূর্বে কোন অভিজ্ঞতা ছিল না তাদের।পার্শ্ববর্তী খায়েরহাট গ্রামের বাবুল হোসেন কয়েক বছর আগে এই গ্রামে ছোট একটি রুম ভাড়া নিয়ে নিজেয় তৈরী করত কাগজের বিভিন্ন আকারের ঠোংগা। আস্তে-ধীরে জিনিসটা সারা ফেলে এলাকায়। আগ্রহী হয় দুই এক জন অসহায় নারী। বাবুলের শেখানো নিয়মে তৈরী করতে থাকেন ঠোংগা। এই গ্রামে এখন প্রায় ৫০ জন নারী ঠোংগা তৈরীর কাজ করছে।

এসকল মহিলারা প্রতি মাসে প্রায় ৫-৬ মন ঠোংগা তৈরী করতে পারে সংসারের কাজের পাশাপাশি। তাদের ঠোংগা তৈরীর কাচামাল ( কাগজ, আঠা, দড়ি) সরবরাহ করে ঠোংগা ব্যবসায়ী বাবুল। প্রতি মন ঠোংগা তৈরী জন্য কমিশন দেওয়া হয় ৩৫০ টাকা। যা মাস শেষে প্রায় দুই হাজার টাকায় এসে দারায়। যা দিয়ে তার সংসার চলছে। বাঁচতে পারছেন আত্ম সম্মান নিয়ে।

বিমলা বেগম জানান, এখানে যারা কাজ পেয়েছেন তারা সকলেই অসহায় হতদরিদ্র আগে তাদের মত মহিলাদের কর্মসংস্থানের জন্য ঢাকাসহ দেশের দুরদুরান্তের গার্মেন্টস সহ বিভিন্ন কলকারখানায় যেতে হতো। কিন্তু এখন সংখ্যায় কম হলেও তারা বেশ কিছু মহিলা সাংসারিক কাজের পাশাপাশি এখানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারছেন।

সহিদা বেগম জানান, সমাজে তার মত অসহায় মেয়েদের সংখ্যা কম নয়। কিন্তু শত অভাব অনটনের মধ্যেও অনেকে কাজ করতে এলাকা ছেড়ে দুরে কোথাও যেতে পারেন না। যে কারণে সরকারী উদ্যোগে অথবা বিত্তবান লোকেরা যদি এমন মফস্বল পর্যায়ে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন তাহলে অসহায় নারীদের কর্মসংস্থান হবে। তাদেরকে অন্যের ঘাড়ের বোঝা হতে হবে না।

ঠোংগা ব্যবসায়ী বাবুল হোসেন বলেন, এখানে যারা কাজ করেন তাদের কাজ খুব প্রয়োজন ছিল। তারা সকলেই মনে করেন প্রতিষ্ঠান টিকে থাকলে তাদের কাজ থাকবে। ফলে তারা নিজেদের সংসারের কাজের মত যত্নশীলভাবে কাজ করেন। আমি তাদের সারবিক সহায়তা করে থাকি। এছাড়াও এখানে যারা কাজ করে কয়েকজন ছাড়া অধিকাংশই সমাজের অসহায় নারী।

তিনি আরো বলেন, প্রতি কেজি ঠোংগা তৈরীতে ৩০ টাকা খরচ হয় আমার, বিক্রি করি ৩২-৩৫ টাকায়। মাসে খরচ বাদে ১০-১২ হাজার টাকা আয় করি যা দিয়ে পরিবার পরিজনদের নিয়ে স্বচ্ছলতার সাথে চলতে পারি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category