• মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ১২:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত সম্পত্তি বেদখলে আপনার করণীয়, সম্পত্তি বেদখল কি? ভোলাহাটে কুরিয়ার সার্ভিসগুলো অনিয়মে ভরপুর; অতিষ্ঠ অনলাইন ব্যবসায়ীরা কুষ্টিয়ায় ট্রিপল মার্ডার, দায় স্বীকার করে এএসআই সৌমেনের জবানবন্দি আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনান ৫ দিন যাবত নিখোঁজ ৯ বছরের শিশু ধর্ষণ! চার মাসে অভিযুক্ত কে আটক করতে পারেনি গোমস্তাপুর থানা পুলিশ ৯ বছরের শিশু ধর্ষণ! চার মাসে অভিযুক্ত কে আটক করতে পারেনি গোমস্তাপুর থানা পুলিশ অটোমোবাইল শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত মাগুরায় খন্ডিত লাশের মাথা ও পা উদ্ধার, আটক-১ বরগুনার আমতলীতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান : জরিমানা ৬ হাজার টাকা।



কোটচাঁদপুর সিটি হাসপাতালে রক্তমাখা কাপড় রেখে রোগীর পেট সেলাই

Reporter Name / ০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ, ২০২১



ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
পেটের মধ্যে রক্ত পরিস্কার করা (মফস) কাপড় রেখেই এক সিজারিয়ান রোগীর পেট সেলাই করেছে ডাঃ আনিছুর রহমান নামে এক কথিত চিকিৎসক।
কোটচাঁদপুর শহরের সিটি ( প্রাঃ) হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।সিজারের ৮ দিনের মাথায় ঝিনাইদহ শহরের আল-আমিন ক্লিনিকে আবার দ্বিতীয় দফা অপারেশন করে ওই রোগীর পেটের মধ্যে থাকা রক্তমাখা কাপড় বের করা হয়। এ নিয়ে হৈচৈ পড়ে গেছে।রোগীর স্বজনরা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী তুলেছেন।
তথ্য নিয়ে জানা গেছে,ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চোরকোল গ্রামের পিকুলের সন্তানসম্ভবা মেয়ে রুনা খাতুন সিজারের জন্য ভর্তি হয় কোটচাঁদপুর শহরের সিটি ক্লিনিকে।
গত ২০ মার্চ সেখানে সিজার করেন জীবননগরের (আদি বাড়ি মাগুরা) চিকিৎসক ডাঃ আনিছুর রহমান। সিজারের সময় রোগীর পেটের মধ্যে মফস রেখে সেলাই করা হয়।রোগীর খালু বাবু মিয়া জানান, কিছুদিন পর রোগীর অবস্থা খারাপ হয়ে পড়লে ঝিনাইদহ শহরের সমতা ক্লিনিকে ডাঃ সোহেল আহম্মদের দিয়ে আলট্রাসনো করা হয়।রিপোর্টে পেটের মধ্যে কাপড়ের অস্তিত্ব মেলে।দ্রুত রুনা খাতুনকে শহরের হামদহ এলাকার আল-আমিন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।
গত ২৮ মার্চ রোগীকে দ্বিতীয় দফায় অপারেশন করেন ডাঃ জাহিদ।গৃহবধু রুনা খাতুনের অবস্থা কিছুটা উন্নতির দিকে হলেও মাত্র ৮ দিনের ব্যবধানে দুইবার অপারেশন করায় আর্থিক ও রোগীর শরীরের ক্ষতির বিষয়টি বিবেচ্য হয়ে দাড়িয়েছি।
বিষয়টি নিয়ে ডাঃ জাহিদ জানান,রোগীর পেট থেকে রক্ত পুজ ও মফস জাতীয় জিনিস বের করা হয়।তবে রোগী এখন সুস্থ।তিনি বলেন,চিকিৎসকদের আরো সতর্ক ও সচেতন না হলে রোগীর জীবন বিপন্ন হতে পারে।
এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর সিটি ক্লিনিকের মালিক জাহাঙ্গীর জানান,ডাক্তাররা তো অপারেশন করেই খালাস।কিন্তু ভুল চিকিৎসার পেক্ষিতে পরবর্তী ঝামেলা তো ক্লিনিক মালিকদেরই পোহাতে হয়।তিনি বলেন ক্লিনিকের পক্ষ থেকে রোগীকে সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। তবে ভুল চিকিৎসার চিকিৎসক ডাঃ আনিছুর রহমানের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন সেলিনা বেগম জানান, ঘটনাটি আমি শুনেছি।অফিস বন্ধ থাকায় ব্যবস্থা নিতে পারেনি।তিনি বলেন আগে ডাঃ ফাহিম উদ্দীন ও ডাঃ সোহলে রানা নামে দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি।এরা হাটেবাজারে গজিয়ে ওঠা অবৈধ ক্লিনিকে অপারেশন করে রোগীর জীবনকে ঝুকির মধ্যে ফেলে দিচ্ছিল।তারা চলে যাওয়ায় হয়তো ডাঃ আনিছ তাদের স্থান দখল করেছে।
সিভিল সার্জন বলেন,দায়ী চিকিৎসক ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।উল্লেখ্য কোটচাঁদপুরের সিটি ক্লিনিক সিভিল সার্জন অফিসের বন্ধ তালিকায় থাকলেও রহস্যজনক কারনে তা আবার চালু করা হয়েছে।




আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category





%d bloggers like this: