• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নাচোল উপজেলা চত্তরে বৈশাখের মঞ্চে গান গেয়ে দর্শকদের মাতোয়ারা করলো গীতাঞ্জলির অন্যতম সদস্য মাসুদা শিফা মনের সুস্থতার জন্য মিউজিক খুব জরুরি — ডব্লিউ,এইচ ডলার মনের সুস্থতার জন্য মিউজিক খুব জরুরি-ডাব্লিউ, এইচ ডলার নাচোলে গীতাঞ্জলি সাংস্কৃতিক যুব একাডেমীর শিল্পীবৃন্দ বৃহস্পতিবার নাচোল পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের মঞ্চ কাপালেন নাচোলে বীনা মুল্যে ৫৬২০জন প্রান্তীক কৃষকদের মাঝে প্রনোদনা বিতরণ নাচোল পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা নাচোলে বীনা মুল্যে ৫৬২০ প্রান্তীক কৃষকদের মাঝে প্রনোদনা বিতরণ চৌমুহনীতে বাসে অভিযান: ৩ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক ঝিনাইদহে ইটভাটার পুকুরে ভাসছিল কিশোরীর মরদেহ সাতক্ষীরার কলারোয়ায় স্বর্ণের বারসহ চোরাকারবারী আটক

নাগরপুরে চাঞ্চল্যকর ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন আসামি গ্রেফতার

Reporter Name / ৩৫৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই, ২০২২

নাগরপুরে চাঞ্চল্যকর ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন আসামি গ্রেফতার

 

মোঃ আব্দুর রাজ্জাক রাজা, নাগরপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

টাংগাইলের নাগরপুরে ২৪ ঘন্টার মধ্যে শফিকুল ইসলাম (৪৫) হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন করেছে থানা পুলিশ। নাগরপুর থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায় যে, গত ১৯/৭/২২ তারিখ সকাল ৬.৩০ এর দিকে মানড়া নয়াপাড়া কালভার্টের
নিচে অজ্ঞাত নামা যুবকের রক্তাক্ত লাশ পাওয়া গেলে স্থানীয় লোকজন থানায় খবর দেন। থানা পুলিশ অনুসন্ধান করে অজ্ঞাত নামা ব্যক্তির পরিচয় বের করতে সমর্থ হয়। উক্ত লাশটি শফিকুল ইসলাম (৪৫) নামে স্থানীয় এক ব্যক্তির বলে সনাক্ত করা হয়।

মৃতের স্ত্রী মোছা রাহেলা বেগম বাদী হয়ে এ সংক্রান্তে এজাহার দায়ের করলে নাগরপুর থানার মামলা নং ৮, ১৯/০৭/২০২২ ধারা : পেনাল কোড ৩০২/৩৪/২০১ রুজু হয়। এজাহারে বাদী জানায় যে, তার স্বামী মৃত শফিকুল ইসলাম টুকটাক কৃষি কাজ করা ও জমি দেখাশোনার কাজ করতো। গত ১৮/৭/২২ সকাল ৯ টার পর বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। এরপর তার আর কোন খোজ পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে গত ১৯/৭/২২ তারিখ সকাল ৬.৩০ এর দিকে মানড়া নয়া পাড়া কালভার্টের নিচে তার লাশ পাওয়া যায়।  অজ্ঞাত নামা ব্যক্তিরা তার স্বামীকে হত্যা করে লাশ লুকানোর উদ্দেশ্যে কালভার্টের নিচে ফেলে গেছে মর্মে বাদী তার এজাহারে উল্লেখ করে।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান যে, তিনি উক্ত অপরাধের তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে এসআই মনোয়ার হোসেনকে নিয়োগ করে ছিলেন। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ও ম্যানুয়াল ইনটেলিজেন্স কাজে লাগিয়ে
তদন্তের মাধ্যমে নাগরপুর থানা পুলিশ এই মামলার রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে।

এ বিষয়ে মির্জাপুর-নাগরপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এস. এম. মনসুর মূসা জানান যে, মৃত শফিকুল ইসলাম কিছুদিন পূর্বে স্থানীয় মোরশেদা আক্তার নামক এক মহিলার সাথে জোর পূর্বক শারীরীক সম্পর্ক স্থাপন করে। মোরশেদা আক্তারের স্বামী প্রায় এক বছর যাবত বিদেশে থাকেন। গত ১৮/৫/২২ বিকেল ৫ টার দিকে শফিকুল আবারো মোরশেদার বাড়িতে যায়। উল্লেখ্য যে, ডিসিস্ট বিভিন্ন রোগে ভুগছিলো এবং অসুস্থ ছিলো। বাড়িতে তখন কেউ ছিলো না। শফিকুল মোরশেদার সাথে সেদিনও অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করে। মোরশেদা বাধা দিলে টিউবওয়েলের পাড়ে তাদের মাঝে ধস্তাধস্থি হয়। মোরশেদা এক পর্যায়ে শফিকুলের মুখকাপড় দিয়ে চেপে ধরে রাখে ও টিউবওয়েলের মেঝেতে আঘাত করে। ভিকটিমের মৃত্যু ঘটলে পাশের টয়লেটের মধ্যে লাশ লুকিয়ে রাখে। মোরশেদা বিষয়টি তার দেবর বারেক ও ভাসুর ফুলচানকে জানায়। তারা লাশ লুকানোর সিদ্ধান্ত নেয়। রাত আনুমানিক ১২ টার
দিকে লাশ বস্তায় ভরে বারেকের অটোরিক্সাতে করে এনে উল্লিখিত কাল ভার্টের নিচে ফেলে দিয়ে যায়।

এ বিষয়ে নাগরপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান যে, ১৯/৭/২২ তারিখে রাত ১১ টার দিকে এসআই মনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে নাগরপুর থানার একটি দল হত্যাকান্ডে জড়িত মোরশেদা আক্তারকে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হলে সে ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে নিজেকে জড়িয়ে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা নাগরপুর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মনোয়ার হোসেন মুঠোফোনে জানান, হত্যাকান্ডে সংশ্লিষ্ট আলামত অটো গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে এবং অপর দুই আসামী বারেক ও ফুলচানকে গ্রেফতার করে জবানবন্দির জন্য বৃহস্পতিবার(২১ জুলাই) টাংগাইল কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category