• শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত নাচোল সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ১ম বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আমার স্ত্রীকে ওরা হত্যা করেছে বললেন টুঙ্গিপাড়ার সলিমুল্লাহ শেখ

Reporter Name / ৩৯৯ Time View
Update : শুক্রবার, ৪ আগস্ট, ২০২৩

পলাশ সিকদার, গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:


আমার সহধর্মীনি নাদিরা বেগমকে আমার চাচাতো ভাই কবিরুল ইসলাম চুন্নু এর হুকুমে মেরে ফেলেছে তার জামাই ও এস্কেন্দার আলী মোল্লা সহ তার সহযোগীরা। গিমাডাঙ্গা গ্রামের মধ্য পাড়ার নওয়াব আলী শেখ এর ছেলে সলিমুল্লাহ শেখ গনমাধ্যম কর্মীদের একথা জানান।

সরেজমিনে গেলে জানা যায়, গত ১২ই মে এ ঘটনা ঘটে ওহিদ গাজীর বাড়ির পাশের রাস্তায়। ঐ দিন সলিমুল্লাহ ছনু চাচাতো ভাইদের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে মটর সাইকেল যোগে থানায় যাবার পথে দূবৃত্তরা হামলা করে তাদের উপর, মটর সাইকেলের পিছে বসা নাদিরা বেগমকে পিছন থেকে বাড়ি মেরে ফেলে দেয়। দূবৃত্তদের লাঠির আঘাতে নাদিরা বেগম গাড়ী থেকে পড়ে গিয়ে অচেতন হয়ে যায়। প্রথমে তাকে টুঙ্গিপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়, ওখানকার কর্তব্যরত ডাক্তার রোগীর অবস্থা খারাপ দেখে খুলনা গাজী মেডিকেলে প্রেরন করেন।ওখান থেকে শেখ নাছের হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য যায়, সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাদিরার মৃত্যু হয়। স্ত্রীর মরোদেহ বাড়িতে এনে এলাকাবাসী ও মাদবরদের ক্ষপ্পরে পড়ে মামলা দিতে বিলম্ব হয়। তারই সমাজের কিছু অসাধু মাতবর ও মুরব্বিরা ব্যপারটা মিমাংসা করে দেবে বলে জানায়, একপর্যায়ে ছনু শেখ তার স্ত্রী হত্যার ব্যপারে মামলা দেবে বলে এলাকার কিছু অসাধু লোকজন তাকে ভয়ভিতী প্রদর্শন ও জিম্মি করে রেখে মামলা করতে দিবেনা বলে বাড়ি থেকে বের হতে দেয় নাই। ঘটনাস্থলে গেলে আরো জানা যায়, বহুদিন ধরে কবিরুল ইসলাম চুন্নু জোর করে সলিমুল্লাহ ছনুর জায়গা জমি জোর দখল করে খায়। সলিমুল্লা কিছু বলতে আসলে তাকে মারধর করে। তার ৪টি মেয়ে এদের উপরও বারবার অত্যাচার করে আসছে এই চুন্নু ও তার জামাই।

এ ব্যপারে মৃত নাদিরা এর স্বামী সলিমুল্লাহ গনমাধ্যম কর্মীদের জানান, আমার স্ত্রী মারা যাওয়র পর ওরা আমাকে ও আমার পরিবারের লোকজনদের প্রায় ১ মাস জিম্মি করে রাখে, ওরা বারবার ব্যপারটা মিমাংসা করে দেবে বলে আমাকে বাড়ি থেকে বের হতে দেয় নাই, মামলাও করতে দেয় নাই।ওরা আমার পরিবারের সাথে দীর্ঘ্য দিন যাবত অত্যাচার করেই চলেছে। ওরা আমার গাছ কেটে নিয়ে যায়, আমার পুকুরের মাছ মেরে ফেলে ঔষুধ দিয়ে, আমার পুকুরের মধ্যে অবৈধ ভাবে জোর করে গরুর গবর ফেলে, আমরা কিছু বলতে গেলে ওরা আমার ও আমার পরিবারের উপর বিভিন্ন প্রকার অত্যাচার করে, এ ব্যপারে টুঙ্গিপাড়া থানায় একাধিক অভিযোগ দায়ের করা আছে।তার কাছে তার স্ত্রী হত্যার ব্যপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঐ দিন আমার চাচাতে ভাই, তার জামাই ও তার পরিবারের লোকজন আমাদের উপর হামলা করে, আমি সহ্য করতে না পেরে আমার স্ত্রীকে নিয়ে থানায় ব্যপারটি জানাবো বলে বাড়ি থেকে বের হই্, দূবৃত্তরা ব্যপারটি বুঝতে পেরে ওহিদ গাজীর বাড়ির সামনে গিয়ে ওত পেতে থাকে, আমরা ওখানে পৌছালে কবিরুল ইসলাম চুন্নুর হুকুমে তার জামাই এস্কেন্দার আলী মোল্লা আমার স্ত্রীর মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করে ফেলে দেয়, তার সাথে থাকা সহযোগীরা আমার স্ত্রীকে এলোপাথারী ভাবে মারতে থাকে।এলাকার লোকজন চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে আসলে দূবৃত্তরা পালিয়ে যায়।

তিনি আরো বলেন, কবিরুল ইসলাম চুন্নু আমার সৎ ভাই, সে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়িয়েছে আগে, তার বিরুদ্ধে খুনের মামলা, ডাকাতি মামলা সহ আরো অনেক মামলা আছে যা টুঙ্গিপাড়া থানায় খোজ খবর নিলে জানা যাবে। সে ফ্রিডম পার্টি করেছে সেই সাথে তৎকালীন সময়ে বিএনপি ও করেছে, তার উপর খুনের মামলা থাকাকালীন সময়ে পাকিস্থান পালিয়ে যায় সেখানে সে বহুবছর থেকে আসে। টাকার বিনিময়ে মুক্তিযোদ্ধা হয়েছে, মুক্তি যোদ্ধার সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে নানা অপকর্ম করে বেঁচে যাচ্ছে। তার মেয়ে জামাই টুঙ্গিপাড়া স্ট্রান্ডার্ড ব্যাংকে কর্মরত আছে, সেখান থেকে এসে আমাদের উপর অত্যাচার করছে। এই চুন্নু আমাদের সমাজের কিছু অসাধু লোকজনদের সাথে নিয়ে তার সকল অপকর্ম ঢেকে রাখে।

আজ আমি গোপালগঞ্জ আদালতের দারস্ত হয়ে আমার স্ত্রী হত্যার মামলা দায়ের করেছি। মামলার তদন্ত চলমান।আমি একজন সামান্য মুদি দোকানদার। আমার চারটি ছেলে মেয়ে, আমার একটি মেয়ে শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী, আর একটি মেয়ে কলেজে পড়ে। ওরা আমাকে পথে বসিয়ে দিয়েছে। আমি আমার স্ত্রী হত্যার বিচার চাই। আমি বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আপনাদের মাধ্যমে আবেদন করছি, তিনিই একমাত্র মমতাময়ী মা, যে আমার স্ত্রী হত্যার বিচারের ব্যবস্থা যাতে হয়, সেই দিকে দৃষ্টিদান করবে। আমি চাই যারা আমার স্ত্রীকে হত্যা করেছে তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের ব্যবস্থা গ্রহন করা হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca