• শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পাবনায় ফোনের আসক্তি থেকে দূরে রাখতে স্কুল শিশুদের মাঝে ছাগল বিতরণ গাজীপুরে ঝুঁকির মুখে নগরায়ণ চাঁদা নিয়ে দ্বন্দ্ব! একদিন বন্ধের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাস চলাচল স্বাভাবিক। চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে দুই সংগঠনের বিরোধের জেরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে দূরপাল্লাসহ আন্তঃজেলা ও উপজেলা রুটে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ঠাকুরগাঁওয়ে ফোনে অভিযোগ পেয়ে রাস্তার কাজে অনিয়ম ঠেকাতে ঘটনাস্থলে ডিসি সাতক্ষীরায় সাড়ে তিন হাজার কেজি রাসায়নিক মিশ্রিত আম আটক, পরে বিনষ্ট ছেলের গাড়ীর পেট্রোল সংগ্রহের জন্য মা দীর্ঘ লাইনে সাতক্ষীরায় কোম্পানির প্রতিনিধির ভুল পরামর্শে ৮০লক্ষ টাকার ক্ষতির মুখে তরমুজচাষী নাচোলে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ/২৬ এর উদ্বোধন গোপালপুরে ‘বাকি খাওয়া’ নিয়ে সংঘর্ষ, ভাঙচুর-লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত অর্ধশতাধিক পরিবার!

গাজীপুরে ঝুঁকির মুখে নগরায়ণ

Reporter Name / ২৪ Time View
Update : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

​সাব্বির, গাজীপুর প্রতিনিধি :

​শিল্পনগরী গাজীপুরে অপরিকল্পিত নগরায়ণ এখন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। একদিকে যেমন ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ও নকশা তোয়াক্কা করা হচ্ছে না, অন্যদিকে দুর্বল কাঠামোর ওপর একের পর এক গড়ে উঠছে বহুতল ভবন। চরম উদ্বেগের বিষয় হলো, ফায়ার সার্ভিস কর্তৃক ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ঘোষিত ভবনেই চলছে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম। এমনকি তদারকি সংস্থা ‘গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ (গাউক)-এর কার্যালয়টিও একটি অপরিকল্পিত ভবনে অবস্থিত হওয়ায় পরিকল্পিত নগর গড়বার সদিচ্ছা নিয়ে জনমনে বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

​শহরের প্রাণকেন্দ্র রাজদিঘীর পাশে একটি ১০ তলা ভবনকে ফায়ার সার্ভিস অনেক আগেই বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত করেছে। অথচ আইন অমান্য করে সেই ভবনেই চলছে জেলা পরিসংখ্যান অফিসসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের কাজ। শুধু তাই নয়, জেলার অধিকাংশ থানা ভবনই বর্তমানে ভাড়ায় নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে। সরকারি সংস্থাগুলোই যেখানে নিয়ম মানছে না, সেখানে সাধারণ মানুষের মধ্যে আইন মানার প্রবণতা কমে আসাই স্বাভাবিক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

​শিল্পাঞ্চল হওয়ায় গাজীপুরে জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতিনিয়ত বাড়ছে। সেই সুযোগে কোনো অনুমোদন ছাড়াই ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন। এসব এলাকায় রাস্তা এতই সরু যে, অগ্নিকাণ্ড বা বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি প্রবেশের ন্যূনতম সুযোগ নেই। সচেতন নাগরিকরা বলছেন, একের পর এক তদারকি সংস্থা (পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও বর্তমানে গাউক) পরিবর্তন হলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি।

​গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল মাননান জানান, “প্রতিষ্ঠানটি পূর্ণাঙ্গভাবে কাজ শুরুর আগেই অসংখ্য অবৈধ ভবন গড়ে উঠেছে। রাতারাতি সব ভেঙে ফেলা সম্ভব নয়। তবে বর্তমানে যেসব ভবন নিয়ম ভেঙে তৈরি হচ্ছে, সেগুলোর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
​অন্যদিকে জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া বিষয়টিকে দুঃখজনক অভিহিত করে বলেন, “সরকারি দপ্তরগুলোর নিয়ম মানার ক্ষেত্রে আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। নতুন ভবনের ক্ষেত্রে কঠোর তদারকি নিশ্চিত করা হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category