• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০২:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে নেমে বাবা-ছেলেসহ ৪ জনের মৃত্যু ভালোবাসার বিয়ের আট মাস পার হতে না হতে স্বামী রহস্যজনক মৃত্যু স্ত্রী পলাতক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল প্রেমের টানে চীন থেকে নবীনগরে: বিয়ের আশায় তরুণীর বাড়িতে চীনা যুবক, এলাকায় চাঞ্চল্য অবৈধভাবে সার পাচারকালে হাতেনাতে আটক; ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা ঠাকুরগাঁওয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন: বালু ব্যবসায়ীকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা ভাগ্য বদলাতে লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে নিখোঁজ টাঙ্গাইলের শহিদুল স্টার্টআপ সাইন্স প্রজেক্ট নাচোলের এশিয়ান স্কুল জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন: জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত নাচোলে স্মার্ট ফোনের অপব্যবহার, মাদক, কিশোর অপরাধ ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময়সভা আবারও ঠাকুরগাঁও জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত মোঃ খাইরুল ইসলাম

কুষ্টিয়ায় তিন কার্যদিবসে ধর্ষণ মামলার রায়, সেই মাদ্রাসা সুপারের যাবজ্জীবন

Reporter Name / ৩৭৩ Time View
Update : শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০২০

শাহীন আলম লিটন, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি !!!
এবার কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার আলোচিত মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মাত্র তিন কার্যদিবসে রায় প্রদান করলো আদালত। রায়ে মাদ্রাসা সুপার মাওলানা আব্দুল কাদেরকে যাবজ্জীবন কারাদ- ও এক লক্ষ টাকা জরিমানা আনাদায়ে আরো ১ বছরের জেল দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর দেড় টায় আসামীর উপস্থিতিতে এ রায় প্রদান করেন কুষ্টিয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইবুনালের বিচারক মুুন্সী মোঃ মশিয়ার রহমান। এত দ্রুত সময়ে রায় দেয়ার ঘটনা জেলায় এটিই প্রথম। দেড় মাস আগে এ মামলা দায়ের করা হয়। আদালত সুত্রে জানা যায়, গত ৩ ও ৪ অক্টোবর মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ ইউনিয়নের স্বরূপদহ চকপাড়া এলাকায় সিরাজুল ইসলাম দারুল উলুম মরিয়ম নেসা মহিলা মাদরাসায় ১৩ বছরের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে দুই দফায় ধর্ষণ করে মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আব্দুল কাদের। ঘটনার পর ০৫ অক্টোবর ঐ ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ওইদিন পুলিশ মাওলানা আব্দুল কাদেরকে গ্রেফতার করে। পরের দিন ০৬ অক্টোবর আব্দুল কাদের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন।
মিরপুর থানা পুলিশের এসআই আতিক এই মামলার তদন্ত করে মাত্র ৭ দিনের মাথায় আদালতে গত ১৩ অক্টোবর তাকে অভিযুক্ত করে চার্জশীট প্রদান করে।
এরপর গত ১২ নভেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ মামলার চার্জ গঠন করেন। ১৩ ও ১৪ নভেম্বর ছুটি ছিল। ১৫ নভেম্বর বাদীসহ ১৩ জনের স্বাক্ষ্য নেয় আদালত। বিচার কার্য শুরুর মাত্র তিনদিনের মাথায় মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) বিচারক মুন্সী মোঃ মশিয়ার রহমান আসামীর উপস্থিতিতে রায় প্রদান করে। আদালতের পিপি আব্দুল হালিম বলেন, মাত্র তিন কার্যদিবসে রায় হওয়ার বিষয়টি দেশে বিরল। দ্রুত এ রায়ের মাধ্যমে নির্যাতিত পরিবারটি ন্যায় বিচার পেয়েছে। এ রায়ের মাধ্যমে আদালতের প্রতি সাধারন মানুষের আস্থা আরো বেড়ে গেল। আগামীতে দ্রুততম সময়ের মাধ্যে এ ধরনের রায় আরো হবে বলে আমরা আশা করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category