• রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
৫ টাকায় ১২০ কিলোমিটার চলে রতনের মোটরসাইকেল তিতাস গ্যাস ফিল্ডে দেশের প্রথম গভীর অনুসন্ধান কূপ খনন শুরু সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, অনিয়ম ঠেকাতে নতুন উদ্যোগ মেরিন ড্রাইভে চলন্ত প্রাইভেট কারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা কালীগঞ্জের আড়াইশ বছরের ‘১৩ গম্বুজ মসজিদ’: অযত্নে বিলীন হচ্ছে মুঘল স্থাপত্যের স্মৃতি শ্রীপুরে ইমামের ঘরে অস্ত্রের মুখে তাণ্ডব: পিস্তল ঠেকিয়ে মাদ্রাসাছাত্রীকে তুলে নিল আসন্ন ঈদুল আজহা পরের দিন নাচোল রেলওয়ে স্টশন মর্নিং ক্রিকেট ক্লাবের উদ্যোগে নবীন ও প্রবীনদের মিলন মেলার আয়োজন করা হয়েছে। তেলের দাম বৃদ্ধি, আগামী কাল রবিবার থেকে কার্যকর। নাচোলে প্রত্যাশা একাডেমীর উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ইতিহাসের সর্বোচ্চ উচ্চতায় জ্বালানি তেলের দাম! এক লাফে বাড়লো ১৬.৭% পর্যন্ত। প্রতি লিটার ডিজেল ১৫ টাকা বেড়ে ১১৫, অকটেন ২০ টাকা বেড়ে ১৪০, পেট্রোল ১৯ টাকা বেড়ে ১৩৫ ও কেরোসিন ১৮ টাকা বেড়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মধ্যরাত থেকে কার্যকর হবে নতুন দাম।

গোমস্তাপুরে করোনায় ঢাকা কোচ মাস্টার ও সহকর্মীরা অসহায়

Reporter Name / ৩৬৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৬ জুলাই, ২০২১

শফিকুল ইসলাম, গোমস্তাপুর: বৈশ্বিক
মহামারী করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত জনজীবন।করোনাকালে অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন, কেউ হারিয়েছেন নিজের কাজের জায়গা। তাই থমকে গেছে জীবনযাত্রা।চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার ঢাকা কোচ মাস্টার সমিতির মাস্টার ও সহকর্মীরা বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এপ্রিল (২০২১) মাসের শুরু থেকে অদ্যবধি ঢাকাগামী সমস্ত কোচ বন্ধ থাকায় তারা বেকার জীবন যাপন করছেন। আয়ের পথ হয়ে গেছে বন্ধ।
জীবন-জীবিকার তাগিদে অনেকেই ইতিমধ্যে বেছে নিয়েছেন অন্য পেশা। জড়িয়ে গেছেন নানা কাজে। কারণ পেট তো আর বাধা মানে না। সংসারের হাল ধরতে গিয়ে ঢাকা কোচের মাস্টাররা এবং তাদের
সহকর্মীরা নিম্ন কাজ করতেও দ্বিধা বোধ করছেন না।
এমতাবস্থায় ঢাকা কোচ সমিতির সকল সদস্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট করোনাকালে আর্থিক প্রণোদনা পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন।
উপজেলা ঢাকা কোচ মাস্টার সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী জানান,করোনা ভাইরাসের কারণে গত ২০২০ সালে ৪ মাস এবং ২০২১ সালের
এপ্রিল মাস থেকে সকল ঢাকা কোচ বন্ধ থাকায় আমাদের সকলকে অত্যন্ত কষ্টের সাথে দিন যাপন করতে হচ্ছে। ইতিমধ্যেই অফিস ঘরের ভাড়া বাকি
পড়ে গেছে, বিদ্যুৎ বিলও অনাদায়ী অবস্থায় রয়েছে। সংসার চালানোর
মতো সামর্থ্য আমরা হারিয়ে ফেলেছি। এই অবস্থায় আমরা গতবছর অর্থাৎ ২০২০ সালে উপজেলা প্রশাসনের নিকট সাহায্যের জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমরা কোন সাহায্য পায়নি। তাই
নিরুপায় হয়ে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট সুদৃষ্টি কামনার জন্য দাবি জানাচ্ছি। উল্লেখ্য বর্তমানে গোমস্তাপুর উপজেলার প্রায় ৭০
জন মাস্টার ও সহকর্মীরা কর্মহীন হয়ে পড়ায় মানবেতর দিনযাপন করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category