• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে নেমে বাবা-ছেলেসহ ৪ জনের মৃত্যু ভালোবাসার বিয়ের আট মাস পার হতে না হতে স্বামী রহস্যজনক মৃত্যু স্ত্রী পলাতক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল প্রেমের টানে চীন থেকে নবীনগরে: বিয়ের আশায় তরুণীর বাড়িতে চীনা যুবক, এলাকায় চাঞ্চল্য অবৈধভাবে সার পাচারকালে হাতেনাতে আটক; ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা ঠাকুরগাঁওয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন: বালু ব্যবসায়ীকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা ভাগ্য বদলাতে লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে নিখোঁজ টাঙ্গাইলের শহিদুল স্টার্টআপ সাইন্স প্রজেক্ট নাচোলের এশিয়ান স্কুল জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন: জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত নাচোলে স্মার্ট ফোনের অপব্যবহার, মাদক, কিশোর অপরাধ ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময়সভা আবারও ঠাকুরগাঁও জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত মোঃ খাইরুল ইসলাম

গোমস্তাপুরে করোনায় ঢাকা কোচ মাস্টার ও সহকর্মীরা অসহায়

Reporter Name / ৩৮৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৬ জুলাই, ২০২১

শফিকুল ইসলাম, গোমস্তাপুর: বৈশ্বিক
মহামারী করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত জনজীবন।করোনাকালে অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন, কেউ হারিয়েছেন নিজের কাজের জায়গা। তাই থমকে গেছে জীবনযাত্রা।চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার ঢাকা কোচ মাস্টার সমিতির মাস্টার ও সহকর্মীরা বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এপ্রিল (২০২১) মাসের শুরু থেকে অদ্যবধি ঢাকাগামী সমস্ত কোচ বন্ধ থাকায় তারা বেকার জীবন যাপন করছেন। আয়ের পথ হয়ে গেছে বন্ধ।
জীবন-জীবিকার তাগিদে অনেকেই ইতিমধ্যে বেছে নিয়েছেন অন্য পেশা। জড়িয়ে গেছেন নানা কাজে। কারণ পেট তো আর বাধা মানে না। সংসারের হাল ধরতে গিয়ে ঢাকা কোচের মাস্টাররা এবং তাদের
সহকর্মীরা নিম্ন কাজ করতেও দ্বিধা বোধ করছেন না।
এমতাবস্থায় ঢাকা কোচ সমিতির সকল সদস্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট করোনাকালে আর্থিক প্রণোদনা পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন।
উপজেলা ঢাকা কোচ মাস্টার সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী জানান,করোনা ভাইরাসের কারণে গত ২০২০ সালে ৪ মাস এবং ২০২১ সালের
এপ্রিল মাস থেকে সকল ঢাকা কোচ বন্ধ থাকায় আমাদের সকলকে অত্যন্ত কষ্টের সাথে দিন যাপন করতে হচ্ছে। ইতিমধ্যেই অফিস ঘরের ভাড়া বাকি
পড়ে গেছে, বিদ্যুৎ বিলও অনাদায়ী অবস্থায় রয়েছে। সংসার চালানোর
মতো সামর্থ্য আমরা হারিয়ে ফেলেছি। এই অবস্থায় আমরা গতবছর অর্থাৎ ২০২০ সালে উপজেলা প্রশাসনের নিকট সাহায্যের জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমরা কোন সাহায্য পায়নি। তাই
নিরুপায় হয়ে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট সুদৃষ্টি কামনার জন্য দাবি জানাচ্ছি। উল্লেখ্য বর্তমানে গোমস্তাপুর উপজেলার প্রায় ৭০
জন মাস্টার ও সহকর্মীরা কর্মহীন হয়ে পড়ায় মানবেতর দিনযাপন করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category