• রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আসন্ন ঈদুল আজহা পরের দিন নাচোল রেলওয়ে স্টশন মর্নিং ক্রিকেট ক্লাবের উদ্যোগে নবীন ও প্রবীনদের মিলন মেলার আয়োজন করা হয়েছে। তেলের দাম বৃদ্ধি, আগামী কাল রবিবার থেকে কার্যকর। নাচোলে প্রত্যাশা একাডেমীর উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ইতিহাসের সর্বোচ্চ উচ্চতায় জ্বালানি তেলের দাম! এক লাফে বাড়লো ১৬.৭% পর্যন্ত। প্রতি লিটার ডিজেল ১৫ টাকা বেড়ে ১১৫, অকটেন ২০ টাকা বেড়ে ১৪০, পেট্রোল ১৯ টাকা বেড়ে ১৩৫ ও কেরোসিন ১৮ টাকা বেড়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মধ্যরাত থেকে কার্যকর হবে নতুন দাম। ঠাকুরগাঁওয়ে পাম্পে তেল নিতে গিয়ে হাতাহাতি মহাসড়ক অবরুদ্ধ ডিজেল সংকটে স্থবিরতার আশঙ্কা: মহাখালীতে বাসের দীর্ঘ সারি, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সালথায় গভীর রাতে নারীঘরে এএসআই আটক, গণপিটুনির পর হাসপাতালে ভর্তি—ঘটনা নিয়ে তোলপাড় ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপন প্রকল্পের টেন্ডার আগামী মাসে সরকার দেবে ২‌‌১ হাজার ২৭৭ কোটি ও বিপিসির তহবিল থেকে ১৪ হাজার ১৮৭ কোটি টাকার যোগান পীরগঞ্জে জ্বালানি তেল নিয়ে কারসাঁজির ভিডিও করায় সাংবাদিকের উপড় হামলা, মোবাইল কোর্টে ফিলিং স্টেশনের জরিমানা মোংলায় প্রকাশ্য দিবালোকে স্বামীকে মারধরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের

২৮ বছরেও বিচার হয়নি বেনাপোল যুবদল নেতা হত্যা মামলার:মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন নিহত নেতার স্ত্রী

Reporter Name / ৯১ Time View
Update : শুক্রবার, ২০ জুন, ২০২৫

বেনাপোল প্রতিনিধি:
১৯৯৭ সালের ৪ আগস্ট। ঢাকার রমনা থানাধীন পরীবাগ এলাকায় ভয়াবহ নির্মমতায় যুবদল নেতা মোশাররফ হোসেনকে জবাই করে ও মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়। যশোরের শার্শা উপজেলার ভবেরবেড় ৬ নম্বর ওয়ার্ডের এই তরুণ রাজনীতিকের মৃত্যুতে তোলপাড় হয়েছিল এলাকায়। কিন্তু ২৮ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও তার হত্যার বিচার হয়নি। মামলার কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই, গ্রেফতার হয়নি কোনো খুনি।

নিহত মোশাররফ হোসেনের পিতা ছিলেন মৃত মোসলেম আলি। তার সন্তানরা ছিলেন তখন অপ্রাপ্তবয়স্ক। আজ প্রাপ্তবয়স্ক বড় ছেলে নিপুণ হোসেন বলেন, “আমরা তখন শিশু ছিলাম, বাবার লাশ দেখে কিছুই বুঝিনি। আজ বুঝি কী হারিয়েছি। কিন্তু এতদিনেও বিচার না হওয়ায় আমরা চরম হতাশ। আমরা আমার বাবার খুনিদের বিচার চাই।”

নিপুণ আরও জানান, বাবার মৃত্যুর পর মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন মা। আজ ২৮ বছর পরেও তিনি পুরোপুরি সুস্থ হননি। “আমার মা মানসিক রোগী হয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ান। আমাদের পরিবার একেবারে ধ্বংস হয়ে গেছে।”

স্থানীয়রা মনে করেন, মোশাররফ হোসেন ছিলেন এলাকার প্রভাবশালী যুব নেতা। তার জনপ্রিয়তাকে ভয় পেয়ে পরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। দীর্ঘদিনেও কোনো বিচার না হওয়ায় এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে।

পরিবার ও এলাকাবাসীর দাবি—পুনরায় তদন্তের মাধ্যমে খুনিদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category