• শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন

বছরে ৪০০ কোটি টাকার বিড়ালের খাবার আমদানি:দেশে শখ করে বিড়াল পোষার প্রবণতা বাড়ছে

Reporter Name / ৩৬৭ Time View
Update : সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ইয়াহইয়া নকিব, ঢাকা:তিন বছর আগে রাজধানী ঢাকার কাঁটাবন থেকে দেশি-বিদেশি মিশ্র জাতের একটি বিড়ালছানা কিনেছিলেন ব্যবসায়ী কাজী ফারুকুল ইসলাম। প্রথমে তাঁর স্ত্রী কিছুটা এতে বিরক্ত হলেও এখন ‘নেকো’ নামে সেই বিড়ালের সবচেয়ে বেশি যত্ন নেন তিনিই। প্রাণীটির জন্য মাসে দুই কেজি ক্যাট ফুডের (বিড়ালের জন্য প্রক্রিয়াজাত খাবার) পেছনে ব্যয় হয় হাজারখানেক টাকা। সেই সঙ্গে কাঁচা মাছ আর সেদ্ধ মুরগি মিলিয়ে মাসে বিড়ালটির পেছনে খাবারের ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় তিন হাজার টাকা। তবে এমন কিছু জাতের বিড়াল আছে, যেগুলোকে তিন বেলাই ক্যাট ফুড খাওয়াতে হয়।

কাজী ফারুকুল ইসলাম বলেন, ‘খিদে পেলে মিষ্টি সুরে ডাকা শুরু করে নেকো। লেজ খাড়া করে গা ঘেঁষে চক্কর দিতে থাকে। তবে রাগ করে কেউ ধমক দিলে কাছে আসে না। বাসার সবাই নেকোকে খুব আদর করে।’

ফারুকুলের মতো ঢাকার অনেকেই শখ করে বিড়াল পুষছেন। শুধু ঢাকায় নয়, সারা দেশেই বিড়াল পোষার প্রবণতা বাড়ছে। দেশি বিড়ালের পাশাপাশি নানা জাতের বিদেশি বিড়াল রয়েছে এ তালিকায়। এসব বিড়ালের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্যাকেটজাত খাবার বিক্রি হচ্ছে দোকানে।

কুমিল্লা সদরের কালিয়াজুরি এলাকার আরিফুল ইসলাম দুই বছর ধরে ‘কুসুম’ ও ‘কুটুস’ নামে দুটি বিড়াল পোষেন। প্রাণী দুটিকে টাকি মাছ ও ভাত খাওয়ানো হয়। তবে মাঝেমধ্যে ক্যাট ফুডও দেওয়া হয়। আরিফুল জানান, তাঁর এলাকাতেই পশুপাখির মাঝারি মানের ক্যাটফুড প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়। এ শ্রেণিতে রয়েছে মেও, ক্যাটি বস, ক্যাপ্টেন, জঙ্গল, পাওপাও ইত্যাদি।

কমের মধ্যে স্মার্ট হার্টের দাম পড়ে ৩০০ টাকা কেজি।
দেশীয় মুদ্রায় এই খাতে আমদানি ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৯৪ কোটি ১২ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।

মাঝারি মানের ক্যাট ফুড প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়। এই শ্রেণিতে রয়েছে মেও, ক্যাটি বস, ক্যাপ্টেন, জঙ্গল, পাওপাও ইত্যাদি। কমের মধ্যে স্মার্ট হার্টের দাম পড়ে ৩০০ টাকা কেজি। মেও ও

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সুত্র মতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে বিড়ালের খাবার আমদানির পরিমাণ ছিল ৩২,১৫৬ টন।চীন থেকে এসেছে সর্বোচ্চ১৭,৭৩৮ টন।

এখন বিড়ালের খাবারের বাজার বড়। বিক্রিও বেশি। কাঁটাবন অ্যাকুয়া অ্যান্ড পেটস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, এখন জেলায় জেলায় পশুর খাবারের দোকান হয়েছে। একসময় মানুষ কুকুর পালত। এখন বিড়াল পালন বেড়েছে। কারণ, বিড়ালে ঝামেলা কম, বাসার ভেতর রাখা যায়।
তথ্য:প্রথম আলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
amazing-link-zeus.ca