• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নীলফামারীতে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন উদ্বোধন: লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখের বেশি শিশু শেষ বয়সে সন্তানের নির্যাতন: জমি না দেওয়ায় বাবাকে পিটিয়ে অবরুদ্ধ নাচোল রেলস্টেশন ফ্রেন্ডস ক্লাব আয়োজিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৫ টাকায় ১২০ কিলোমিটার চলে রতনের মোটরসাইকেল তিতাস গ্যাস ফিল্ডে দেশের প্রথম গভীর অনুসন্ধান কূপ খনন শুরু সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, অনিয়ম ঠেকাতে নতুন উদ্যোগ মেরিন ড্রাইভে চলন্ত প্রাইভেট কারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা কালীগঞ্জের আড়াইশ বছরের ‘১৩ গম্বুজ মসজিদ’: অযত্নে বিলীন হচ্ছে মুঘল স্থাপত্যের স্মৃতি শ্রীপুরে ইমামের ঘরে অস্ত্রের মুখে তাণ্ডব: পিস্তল ঠেকিয়ে মাদ্রাসাছাত্রীকে তুলে নিল আসন্ন ঈদুল আজহা পরের দিন নাচোল রেলওয়ে স্টশন মর্নিং ক্রিকেট ক্লাবের উদ্যোগে নবীন ও প্রবীনদের মিলন মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

কক্সবাজারে কাল থেকে বিশেষ হামের টিকাদান শুরু: উদ্বোধন করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Reporter Name / ৪১ Time View
Update : শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬

রিয়াজ উদ্দীন রিয়াদ, কক্সবাজার :
কক্সবাজার জেলায় আশঙ্কাজনক হারে হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করছে স্বাস্থ্য বিভাগ। আগামীকাল রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে জেলার উচ্চ সংক্রমিত হিসেবে চিহ্নিত দুই উপজেলার তিন ইউনিয়ন এবং কক্সবাজার পৌরসভার বৃহত্তর পাহাড়তলী এলাকায় এই কর্মসূচি একযোগে শুরু হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে এই কর্মসূচীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সশরীরে উপস্থিত থেকে অথবা ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে টিকাদান কার্যক্রমের শুভ সূচনা করবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে কক্সবাজারে হামের প্রকোপ উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশেষ করে কক্সবাজার পৌরসভার বৃহত্তর পাহাড়তলী, রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়ন এবং মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ও বড় মহেশখালী ইউনিয়নকে উচ্চ সংক্রমিত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হাম আক্রান্ত রোগীদের একটি বড় অংশই এসব এলাকার বাসিন্দা।
শনিবার বিকেলে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর জানান, সারাদেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলার সাথে মিল রেখে কক্সবাজারেও এই বিশেষ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
এসব এলাকার ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সকল শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে। ইতোমধ্যে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ টিকাদানের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। স্থানীয় কেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন ও স্বাস্থ্যকর্মী নিশ্চিত করা হয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন আরও বলেন, “হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এই বিশেষ টিকাদান অত্যন্ত জরুরি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রাথমিকভাবে তিনটি ইউনিয়ন ও শহরের একটি এলাকাকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। রোববার থেকেই পূর্ণোদ্যমে কাজ শুরু হবে।”
উল্লেখ্য, কক্সবাজারের দুর্গম এলাকাগুলোতে শিশুদের হামের ঝুঁকি কমাতে স্বাস্থ্য বিভাগ এবং স্থানীয় প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। নির্ধারিত এলাকার সকল অভিভাবকদের নিকটবর্তী কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।  


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category