নাচোল প্রতিনিধি:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে পূর্ব শত্রুতার জেরে গম্ভীরা গানের শিল্পীর ছেলেকে বেধড়ক পেঠালেন সন্ত্রাসীরা।
আহত যুবক ফুলবাড়ি গ্রামের গম্ভীরা শিল্পী জাহাঙ্গীর আলম এর ছেলে কাহার আলী(২২)।
ভূক্তোভূগি ও পত্যক্ষ দর্শীরা জানায়, গত শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১০টার দিকে ফুলবাড়ি বাজার থেকে চা পান করে বাড়ি ফেরার পথে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ফুলবাড়ী গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস এর ছেলে এমদাদুল (৪৫), সেলিম (৫২)জিয়াউর রহমানের ছেলে
সুজন(২৫),তরিকুলের ছেলে দেলোয়ার (২৩), আয়েশ উদ্দিনের ছেলে আশিকুল, এনামুলের ছেলে কামরুল ও মাহাতাবের ছেলে জিয়াউর(৪৫)সহ আরো অজ্ঞত ২৫/৩০জন কাতা, লোহার রড, লাঠি, লাদনাসহ তার উপর আক্রমন চালাই। তাকে মাটি ফেলে দিয়ে বেড়ক মরপিট করে। হত্যার উদ্যোশে উক্ত বিবাদিরা তার মাথার উপর কাতা দিয়ে এলোপাথারি কোপ মেরে রক্তাক্ত জখম করে। উক্ত বিবাদিরা কাহার আলীকে মৃত ভেবে ফুলবাড়ি বাজারের পাশে খাড়ি ফেলে দেয়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত কাহার আলীকে উদ্ধার করে রাত ২.৩০ মিনিটে নাচোল হাসপাতালে ভর্তি করাই। রোগীর অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। ভুক্তোভ’গি কাহার আলীর চাচা বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান জানান, আমার ভাতিজার উপর সন্ত্রাসী হামলাকারীরা ১৪/১০/২৫ইং তারিখে ফুলবাড়ি গ্রামের নওশাদ আলীর ছেলে মিলন ও আলম জোড়া খুন মামলার তালিকাভুক্ত আসামী।(মামলা নং,১০,১১,১২ ,১৩,১৪,১৫) আমার ভাতিজাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তারা পরিকল্পিত ভাবে হামলা চালাই। অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবী করছি। গম্ভীরা গানের জনপ্রিয় নানা জাহাঙ্গীর আলম জানান, আমার ছেলের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার সাথে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবী জানাচ্ছি। শিল্পী পরিবারের উপর হামলা মানে সমগ্র শিল্পী সামাজের উপর নগ্ন হস্তক্ষেপ। শিল্পীরা হচ্ছে দেশের সম্পাদ। শিল্পকে উপজীব্য করে একটি জাতির পরিচয় ঘটানোর জন্য নিরলসভাবে কাজ করে। তারা ও তাদের পরিবাররে সদস্যরা যদি হামলা মামলার শিকার হয় তাহলে দেশের আইন শৃংঙ্খালা পরিস্থিতি প্রশ্নবিদ্ধ হয়। নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ জানান, এখনও কোন অভিযোগ পায়নি। পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।