• শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২০ অপরাহ্ন

৬০০ গাড়ি নিয়ে খুলনার পথে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ

Reporter Name / ২২ Time View
Update : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬

প্রায় ৬০০ গাড়ির বহর নিয়ে খুলনার পথে যাত্রা শুরু করেছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হয়। জোটের বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা সমাবেশে অংশ নেন। সেখানে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন।

আয়োজকদের ঘোষণা অনুযায়ী, সকাল ৮টায় বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে গাড়ির বহর নিয়ে লংমার্চ শুরু হওয়ার কথা। পথে বিভিন্ন জেলা থেকে আরও গাড়ি যুক্ত হয়ে বহরের সংখ্যা দেড় হাজারে পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছেন নেতারা।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লংমার্চের প্রস্তুতি ও কর্মসূচির বিস্তারিত জানান দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি জানান, ঢাকা থেকে যাত্রা করে বহরটি শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ ও বাগেরহাটের ফকিরহাট হয়ে রূপসা সেতু দিয়ে খুলনায় প্রবেশ করবে। এরপর যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী জনসভায় অংশ নেবে লংমার্চে থাকা নেতাকর্মীরা।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে পথে ছয়টি স্থানে পথসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে সকাল ৯টায় শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা, সকাল ১১টায় বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাঁটাখালীর মোড়, দুপুর সাড়ে ১২টায় খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বর এবং দুপুর ২টায় ফুলতলার বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বরে পথসভা হবে।

এ ছাড়া বিকেল সাড়ে ৩টায় যশোরের মুড়লীর মোড় এবং বিকেল ৫টায় ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে পথসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সবশেষে রাত সাড়ে ৮টায় কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী জনসভা হবে।

মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সারসংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

জনগণের সাত দফা দাবি আদায় এবং সরকারের ব্যর্থতা ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের প্রতিবাদে এটি ১১ দলীয় ঐক্যের তৃতীয় দফার লংমার্চ বলে জানিয়েছেন আয়োজকেরা। ঢাকা থেকে খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়া পর্যন্ত প্রায় ৪১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ কর্মসূচিকে আগের দুটি লংমার্চের তুলনায় সবচেয়ে বড় বলে উল্লেখ করেছেন তাঁরা।

লংমার্চের কারণে মহাসড়কে সাধারণ মানুষের চলাচল ও ব্যবসা-বাণিজ্যে সাময়িক অসুবিধা হতে পারে বলে দুঃখ প্রকাশ করেছেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে মহাসড়কের একটি পাশ ব্যবহার করে কর্মসূচি পরিচালনার চেষ্টা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
amazing-link-zeus.ca