• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তিতাসে ৫৯২ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প, গ্যাস নিয়ে মিলতে পারে বড় সুখবর একনেকে ৫৮ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন, বড় চমক কোন খাতে? সেন্টমার্টিন ভ্রমণে সুখবর, কাল থেকে কোন জাহাজ কখন ছাড়বে? পোরশায় দুই অবৈধ ইটভাটাকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা। ব্যবসায়ী মানিক হত্যা মামলায় বাবা ও দুই ছেলের যাবজ্জীবন এআইয়ের চাপে ক্যানভায় বড় ছাঁটাই, ১২০০ কর্মীর সামনে অনিশ্চয়তা সেন্টমার্টিনে অগ্নিনিরাপত্তায় কোস্ট গার্ডের যৌথ মহড়া নতুন এনআইডি পেয়েই বিপাকে প্রবাসী, তাঁর নামে ১৮টি সিম নিবন্ধন ঢাবিতে ৯ মাসের বিনা মূল্যের রুশ ভাষা কোর্স চালুর উদ্যোগ দৌলতপুর খাদ্যগুদামে দুদকের অভিযান, নথিতে মিলল অসংগতি

কামানের গোলা নাকি মদের বোতল, চীনের ব্যাখ্যায় বাড়ছে বিতর্ক

Reporter Name / ২ Time View
Update : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

পাপুয়া নিউগিনিতে ৩২ কেজি ওজনের একটি সন্দেহভাজন কামানের গোলা উদ্ধারের ঘটনায় নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বস্তুটিকে চীনের তৈরি সামরিক গোলা বলে দাবি করা হলেও চীনা দূতাবাসের বক্তব্য, এটি আসলে কামানের গোলার আদলে তৈরি একটি মদের বোতল। তবে চীনের এমন ব্যাখ্যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে চীনা দূতাবাস জানায়, উদ্ধার হওয়া বস্তুটি কোনো বিপদের কারণ নয়। চীন থেকে অবৈধ সামরিক অস্ত্র পাপুয়া নিউগিনিতে পাচার করা প্রায় অসম্ভব বলেও দাবি করেছে দূতাবাস।

গত শুক্রবার পাপুয়া নিউগিনির রাজধানী পোর্ট মোরসবির একটি নির্মাণস্থলে বাণিজ্যিক পণ্যবাহী কনটেইনারের ভেতর থেকে বস্তুটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় চার চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ।

উদ্ধারের পর বস্তুটি সচল বিস্ফোরক কি না, তা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করে কর্তৃপক্ষ। সে সময় দেশটির পুলিশ কমিশনার ডেভিড ম্যানিং ঘটনাটিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক আবিষ্কার হিসেবে বর্ণনা করেন।

বুধবার (৪ নভেম্বর) অস্ট্রেলিয়ার একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাতে বলা হয়, উদ্ধার হওয়া বস্তুটি চীনের তৈরি টাইপ-৫৯ মডেলের ১৩০ মিলিমিটার কামানের গোলা। এতে রাসায়নিক বিস্ফোরক ও ফিউজ রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে এ তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি বিবিসি।

এর আগে বস্তুটিকে নিছক নকল কিংবা নিষ্ক্রিয় কামানের গোলা বলে মনে করার ধারণা নাকচ করেছিল পাপুয়া নিউগিনির পুলিশ। দেশটির সংবাদমাধ্যমেও এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

অন্যদিকে চীনা দূতাবাসের দাবি, দেশটিতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের অন্যতম কঠোর আইন ও বিধিবিধান রয়েছে। ফলে চীন থেকে এ ধরনের সামরিক অস্ত্র অবৈধভাবে পাপুয়া নিউগিনিতে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ খুবই সীমিত।

তবে দূতাবাসের ব্যাখ্যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের পুরোপুরি সন্তুষ্ট করতে পারেনি। অনেকে বস্তুটির ওজন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের প্রশ্ন, একটি মদের বোতলের ওজন কীভাবে ৩২ কেজি হতে পারে? আবার কেউ কেউ বলেছেন, বস্তুটিতে মদের বোতল হিসেবে শনাক্ত করার মতো কোনো লেবেলও দেখা যায়নি।

সন্দেহভাজন বস্তুটি আসলে বিস্ফোরক, নাকি মদের বোতল—তা নিয়ে এখনো বিতর্ক রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষার ফল এবং আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র: অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং করপোরেশন, বিবিসি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
amazing-link-zeus.ca