পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে ভাই ভাই বিরোধ

Zarif Zarif

Hossain

প্রকাশিত: ৬:৪৮ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১, ২০২১

জারিফ হোসেন স্টাফ রিপোর্টার

চাঁপাইনববাগঞ্জ সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের বালুগ্রামের বাসিন্দা মৃত শ্রী মধু কর্মকার। তার আছে ৫ ছেলে। ৫ ভাই ভাগ হয়েছে দু-গ্রুপে। দু ভাই শ্রী জয়চাঁন, শ্রী উওম (৩২) এক গ্রুপ, ৩ ভাই শ্রী দিলিপ (৩১) শ্রী দিমাই(৩৭), শ্রী সুশীল(৩০) আরেক গ্রুপ। বাবার রেখে যাওয়া ৩ কাঠা মাটি নিয়ে বিরোধ। ভাই ভাই হামলা হয়, মামলা হয়, বাড়িও যায় পুলিশ। গেলো বছর থেকে মেটিনি পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে ভাগাভাগির বিরোধ। অভিযোগ আছে বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলাম মিমাংসার নামে করছে টালবাহানা। দু ভাই মিলে মারধোরও করেছে কয়েকবার তিন ভাই কে। চলতি বছরের ৩১ শে জানুয়ারী বিকেল সাড়ে ৩টা বালুগ্রাম মোড়ে তিন ভাইকে পিটিয়ে জখম করে দু ভাইসহ তাদের সহযোগীরা। এ মর্মে সদর মডেল থানাতে অভিযোগ করেছে ভাই শ্রী সুশীল ।

জানা যায়; পৈতৃক সম্পত্তিতে শ্রী সুশীলের আছে একটি দোকান ঘর। বিগত শালিসে দোকান ঘরের নতুন করে দরজা মেরামত করা নিষেধ ছিলো। দোকান ঘরে গিয়ে দু ভাই জোর করে দরজা মেরামত করতে যায়। শ্রী সুশীল বাঁধা দিলে ২ ভাইসহ তাদের সহযোগীরা মারধোর করলে তার মাথা ফেটে জখম হয়। শ্রী দিমাই ভাইকে বাঁচাতে আসলে তাকেও মারে শ্রী জয়চাঁনের সহযোগী মহারাজপুর এলাকার আলাউদ্দীন (৫০) তাকেও হাতুড়ি পিটা করে। বাড়িতে ভাই ভাই গন্ডগোলের কথা শুনে কর্মস্থল থেতে ছুটে আসে শ্রী দিলিপ। মারামারি বন্ধ করতে গেলে তাকেও হাতুড়ি পেটা করা হয়। জখম হয়া ৩ ভায়ের আর্তনাদে এলাকাবাসী আসলে ২ ভাইসহ তাদের সহযোগীরা হুমকী দিয়ে পালিয়ে যায়।

থানায় অভিযোগ কারী শ্রী শুসিল প্রতিবেদককে জানায়, জোর করে মাটি লিখে আমার বড় ভাই জয়চাঁন। শালিসে দোকান ঘরের নয়া করে দরজা মেরামত করা নিষেধ ছিলো। বাধাঁ দিতে গেলে আমায় মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়। হাসপাতালে এসে ডাক্তাররা ২টা সেলাই করে দেয়। এর আগেও মাথা ফাটিয়ে ১১ টা সেলাই করতে হয়। আহত শ্রী দিলিপ প্রতিবেদককে জানায়, মহারাজপুর এলাকার আলাউদ্দীন আমাকে হুমকী দিয়ে দোকান ঘরের নতুন করে দরজা মেরামত করতে যায়। আমি বাধা দিতে গেলে আলাউদ্দীন ও আতাহার গ্রামের ফুকা মন্ডলের ছেলে কালাম বেধড়ক হাতুরী দিয়ে মারধোর করে। অভিযুক্তদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মিমাংসার নামে টালবাহানা করার অভিযোগের বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলাম প্রতিবেদককে সদুত্তর দিতে পারেনি। সদর থানার ওসি মোজাফফর হোসেন প্রতিবেদককে জানায়, বিবাদিরা থানায় অভিযোগ করেছে। বাদি তাদের নামে আগেরও মামলা আছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তকরে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।