• শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০১:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজাপুরে ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রীর লাশ উদ্ধার নরসিংদীতে রাস্তায় পড়ে থাকা এসএসসি পরীক্ষার ২৬৮ খাতা উদ্ধার রামুতে বন্য হাতির আক্রমণে মা মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু বাহুবলে বন্যাদুর্গত হাওরাঞ্চল পরিদর্শন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তার আশ্বাস মহানন্দা সেতুতে টোল আদায় বন্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানববন্ধন নাচোলে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনি ও পুরস্কার বিতরণ বেলগাছি রেলওয়ে স্টেশন অবহেলায় জর্জরিত, চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা টাঙ্গাইলে পরিমাপে জ্বালানি তেল কম: ৫০ হাজার টাকা জরিমানা চিতলমারীতে হতদরিদ্র রিনা বেগম পেলেন নতুন গৃহ বেনাপোলে পণ্য পরিবহন বন্ধ রেখে বন্দর চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি

মায়ের মরদেহ নিয়ে ঘুমালেন ছেলে-মেয়েরা

Reporter Name / ১৬৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ, ২০২১

মোঃরফিকুল ইসলাম মিঠু।। সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সদরের রাজনপুর গ্রামে মায়ের মরদেহ দুই দিন ধরে লুকিয়ে রেখেছিলেন ছেলে ও মেয়েরা। তবে এখানেই শেষ নয়, মরদেহ নিয়ে দুই দিন ঘরেই ছিলেন তারা।

সোমবার (২২ মার্চ) সন্ধ্যায় এ ঘটনা জানাজানি হলে গ্রামে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ রাতেই ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে। দুদিন ধরে মরদেহ ঘরে লুকিয়ে রাখায় মরদেহটি ফুলে গিয়ে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। এর পরে নিহতের আত্মীয় ও স্থানীয় গ্রামবাসী মরদেহটি দাফন করেন।

প্রতিবেশী ও পুলিশ জানান, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সদরের ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ছানা মিয়া চলতি বছরের ২ জানুয়ারি মারা যান। স্ত্রীর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল না তার। যে কারণে ছানা মিয়ার স্ত্রী জেসমিন বেগম এক ছেলে ও তিন মেয়েকে নিয়ে সিলেট মহানগরে বসবাস করতেন।

অসুস্থ অবস্থায় গত শনিবার (২০ মার্চ) নগরের মিরবক্সটুলাস্থ উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জেসমিন বেগম মারা যান। একই দিন রাত ৩টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান তার ছেলে-মেয়েরা। তারপর থেকেই ঘরবন্দি ছিলেন তারা। এই বাড়ির আশপাশের লোকজনও জানতেন না ঘরের মধ্যে মরদেহ রয়েছে।

এ ঘটনার পর নিহত জেসমিনের ছেলে সনি, মেয়ে সুমা, ইমা ও উমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। তখন তারা পুলিশকে জানান, সাংসারিক জীবনে তার বাবা ও মায়ের মাঝে দূরত্ব ছিল। বাবা-চাচারা ৫ ভাই। বাবা আগেই মারা গেছেন। মাও মারা গিয়েছে। সম্পদের জন্য চাচারা যদি মারধর করে বের করে দেন, এজন্য তাদের মায়ের মৃত্যুর বিষয়টি কাউকে বলেননি। দাফন করতে না পারায় মরদেহ ঘরে লুকিয়ে রাখেন।

ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শাফায়াত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জেসমিন বেগমের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালের দেয়া মৃত্যুসনদও রয়েছে। তবে মৃতের সঙ্গে সন্তানদের ঘুমানোর বিষয়টি অস্বাভাবিক। মানসিক সমস্যায় ভোগার কারণে এমনটি করেছে তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category