• শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত নাচোল সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ১ম বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শিবগঞ্জে ৪ বছর ধরে কৃষকের কৃষি উপকরন ও টাকা উধাও

Reporter Name / ৭৩২ Time View
Update : শনিবার, ১৯ জুন, ২০২১

ডিস্ট
চাঁপাই নবাবগঞ্জ ঃ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে গত ৪ বছর ধরে কৃষি উপকরন ও এর টাকা সহ আরও একটি প্রকল্পের টাকা আতœসাতের অভিযোগ উঠেছে।আর এসব ফিরে পেতে প্রশাসনের কাছে তদন্তের অভিযোগ দায়ের হলেও তা আলোর মুখ দেখেনি আজও।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মোবারকপুর ইউনিয়নের অন্তত ৩০ জন কৃষকের কৃষি উপকরন প্রদানের কার্ড কৃষকদের কৃষি উপকরন ও টাকা দেয়ার নাম করে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানের নির্দেশে হাতিয়ে নেয় ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ ইউসুফ আলী।বারবার সেসব কার্ড ফেরত চাইতে গেলে তাদের জানানো হয় কৃষি উপকরনের বরাদ্দ আসলে তাদের কার্ডে বরাদ্দ লিখে ফেরত দেয়া হবে।দেয়া হবে টাকা ও উপকরন।কিন্তু কৃষকদের কার্ডগুলো অনুসন্ধান করে দেখা গেছে ঐ ইউনিয়নের অন্তত ৩০ জন কৃষক কে কার্ড ফেরত না দিয়ে কার্ডে বরাদ্দ দেয়া হয় বীজ,সার ও টাকা।দীর্ঘ ৪ বছর এভাবেই ঐসব কৃষকের প্রণোদনার উপকরন ও টাকা আতœসাৎ করা হয় বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কৃষকদের।লক্ষিপুর গ্রামের কৃষক মঈন উদ্দিনের কার্ড থেকে দেখা যায় তার কার্ডে ১৮ সাল এবং ২০ সালে ৩ দফায় ৩৫ কেজি বীজ,২০ কেজি ইউরিয়া,৬০ কেজি ডি এ পি ৩৫ কেজি এমওপি সার এবং ৫শ টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও তিনি তা পাননি বলে দাবী করেন মঈন।একইভাবে মোবারকপুরের শরিফ আলীর দাবী তার নামে ১৮ ও ২০ সালে ৪ দফায় ৬০ কেজি বীজ,২০ কেজি ইউরিয়া,৬০ কেজি ডিএপি,৩৫ কেজি এমওপি ও ৫শ টাকা বরাদ্দ থাকলেও তিনিও তা পাননি।একই অবস্থা ঐ ইউনিয়নের অন্তত ৩০ জন কৃষকের।
এ ব্যাপারে কৃষক লাল মোহাম্মদ ও নুরুল ইসলাম জানান, তারা তাদের কার্ড তৈরীর পর ফেরত চাওয়ার জন্য একাধিকবার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম মিঞা ও গ্রামপুলিশ ইউসুফের কাছে গেলেও তারা তা কর্ণপাত করেনি।উল্টো তাদের নামে কোন বরাদ্দ আসেনি বলে তাদের তাড়িয়ে দেয়া হয়।এমনকি তাদের নামে ২০১৮ সালে বরাদ্দ ৫শ টাকা ব্যাংক থেকে পাবার কথা থাকলেও ইউসুফ তার একাউন্ট থেকে ব্যাংক কতৃপক্ষকে ম্যানেজ করে সব টাকা তুলে নিয়েছে।নিজ একাউন্ট থেকে টাকা তুলতে ব্যাংকে কোন প্রকার সাক্ষর বা টিপ সই না দিলেও তাদের একাউন্ট থেকে টাকা তুলে নিয়েছে চেয়ারম্যান বলে দাবী ভুক্তভোগী কৃষকদের। তাদের দাবী গত ৪ বছরে সরকারী কোন প্রণাদনায় পাননি তারা।
অপরদিকে গত ঈদুল ফিতরের সময় সরকারী প্রণাদনা হিসেবে ভিজিএফ বাবদ সাড়ে ৪শ টাকা করে ১ হাজার দরিদ্রের প্রায় সাড়ে ৩ লাখ চাকা আতœসাতেরও অভিযোগ উঠেছে একই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম মিঞার বিরুদ্ধে। ৯৭২ নম্বরে নাম থাকা সুমন আলী নামক এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জানান, তিনি ঈদের সময়ে ভিজি এফের কোন টাকা পাননি।এছাড়াও কৃষক আলম ও গৃহীনি মিনিয়ারা বেগমের অভিযোগ তারাও ঈদের সময়ে কোন সরকারী প্রণাদনার টাকা পাননি।
এ ব্যাপারে একই এলাকার শ্রমিক লীগের নেতা সবুজ আলী বিভিন্ন তথ্য প্রমান দেখিয়ে এ প্রতিবেদককে জানান, তাদের ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তৌহিদুর রহমান মিঞা গ্রাম পুলিশ ইউসুফের মাধ্যমে এলাকার ২৮শ ৫ জনের মধ্যে ১ হাজার লোকের ভিজিএফের টাকা এবং এরাই একে অপরের যোগসাজস করে এলাকার ৫০ জন কৃষকের টাকা ও কৃষি উপকরন ৪ বছর ধরে আতœসাত করে আসছে। এ নিয়ে তিনি সহ সচেতন মহল প্রতিবাদ করায় তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে।তিনি চলতি বছরের মে মাসে জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দিলেও সে অভিযোগের এখনও তদন্ত শুরু হয়নি।
অপরদিকে অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ ইউসুফ দাবী করেন, তিনি কোন কৃষকের কৃষি কার্ড নেননি বা চেয়ারম্যানের নির্দেশে তিনি কোন অনিয়ম বা ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করেননি।যার যা প্রাপ্ত তা সংশ্লিষ্ট কৃষক বুঝিয়ে পেয়েছে।
অপরদিকে অভিযুক্ত ইউনিয়ন চেয়ারম্যান তৌহিদুর রহমান মিঞা বলেন, আল্লাহর রহমতে আমি ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান, আধামণ সার,বীজ বা ৫শ টাকা মেরে আমি লাভবান হবনা। কার কার্ড,কোথায় আছে আমি নিজেও কিন্তু জানিনা। প্রথমবার(২০১০ সালে) আমি চেয়ারম্যান থাকা কালে ঐ সময়ের মেম্বারগণ কার্ড তুলে সবাইকে দিত। এরা তুলেছে কি করেছে তা জানিনা। কয়েকদিন আগে আমি বিষয়টি জেনে অফিস কে বলেছি কার কার কার্ড আপনারা তাদের ডেকে দিয়ে দিয়েন। এসব বিষয় ইউনিয়নের সচিব ও গ্রাম পুলিশরা তদারকি করে। দাখিলকৃত অভিযোগ প্রসঙ্গে তার দাবী, অভিযোগকারী একজন ধান্ধাবাজ।এর আগে বিভিন্ন কর্মসুচিতে সে ভ্যাজাল করে মামলা করে বিপাকে ফেলার চেষ্টা করে। সে ২ লাখ টাকা উৎকোচও নিয়েছে,যা তিনি মোবাইল ফোনে বিস্তারিত না বলে বিস্তারিত জানতে তার দপ্তরে এ প্রতিবেদক কে চা খাওয়ার দাওয়াত দেন ।

আর বর্তমান অগ্রণী ব্যাংক মোবারকপুর শাখার ব্যবস্থাপক আহসান হাবিব জানান, এটা অন্য ব্যবস্থাপকের সময়ের ঘটনা।এ ধরনের বিষয় শুনেছি যে গ্রামপুলিশ নাকি কৃষকের টাকা এখান থেকে তুলে নিয়ে গেছে।তবে ব্যাংকে টাকা তোলার সময় টিপসই সংরক্ষিত আছে।টিপসই গুলো কার এটা পরীক্ষা নিরিক্ষা ছাড়া বলা সম্ভব নয়।
এ ব্যাপারে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক মুঞ্জুরুল হাফিজ জানান, তিনি বিষয়টি জানতেননা।এমাত্র জানলেন।দ্রুত বিষয়টি তদন্তের জন্য তিনি বুধবারই(১৬ জুন) সংশ্লিষ্ট শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে দায়িত্ব দিচ্ছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca