• বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে কখনও আসেননি, সেই আসনেই প্রার্থী আলীম নিজামী নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত

রাঙ্গাবালীতে পল্লী বিদ্যুতের কাজে বাগড়া, সিন্ডিকেটের দাপট

Reporter Name / ২৩২ Time View
Update : সোমবার, ৩০ আগস্ট, ২০২১

সঞ্জিব দাস, গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।
শিগগিরই বিদ্যুৎতের আলো জ্বলবে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায়। সেই প্রতিক্ষায় রয়েছে উপজেলাবাসী। কিন্তু সদর ইউনিয়নে পল্লী বিদ্যুতের কাজে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, রাঙ্গাবালী ইউনিয়নে একটি সিন্ডিকেট ওয়্যারিংকাজে বাঁধা সৃষ্টি করছে। ওই সিন্ডিকেট নিজেরাই সার্টিফিকেটবিহীন লোকজন দিয়ে ওয়্যারিং করাতে মিটার স্থাপনেও বাগড়া দিচ্ছেন। ফলে সংযোগ পেতে বিড়ম্বনায় থাকা সুবিধাপ্রত্যাশীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্থানীয় লোকজন ও পল্লী বিদ্যুৎ সূত্রে জানা গেছে, সিন্ডিকেটের দীর্ঘদিনের বাঁধা বিপত্তির পর রোববার সকাল সাড়ে ৯ টায় বিদ্যুৎ সংযোগ ও মিটার স্থাপনের জন্য রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের বাহেরচর বাজারের মন্দির রোডের সামনে ব্যানার লাগিয়ে কার্যক্রম শুরু করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আলোর ফেরিওয়ালা টিম। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে ছাত্রলীগের কর্মী পরিচয়ে কয়েকজন এসে তাদের কার্যক্রমে বাঁধা দিয়ে হুমকি ধামকি দেয়। তাৎক্ষণিক কার্যক্রম বন্ধ করে ব্যানার ও সরঞ্জাম গুটিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পল্লী বিদ্যুতের লোকজন।
পল্লী বিদ্যুতের লোকজন বলছেন, নিয়মানুযায়ী সার্টিফিকেটধারী টেকনিশিয়ান দিয়ে গ্রাহক নিজ অর্থে ওয়্যারিং করাবে। ওয়্যারিংয়ের মজুরি এবং মালামাল গ্রাহকের। ওয়্যারিং সম্পন্ন হলে মিটার স্থাপন করে দিবে পল্লী বিদ্যুৎ। আবাসিকের জন্য ৪৫০ টাকা এবং বাণিজ্যিকের সরকারি ফি ৮৫০ টাকা। কিন্তু সুবিধাপ্রত্যাশীদের অভিযোগ, ওয়্যারিংয়ে গ্রাহকের স্বাধীনতা নেই। স্থানীয় সিন্ডিকেটের নির্ধারিত লোক দিয়েই ওয়্যারিং করাতে হয়। তাদের ফি এক হাজার টাকা। কিন্তু বেশিরভাগ অদক্ষ এবং সার্টিফিকেটবিহীন। অথচ পল্লী বিদ্যুতের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সার্টিফিকেটধারী টেকনিশিয়ানদের মাধ্যমে ওয়্যারিং করাতে সর্বোচ্চ ছয় শ’ টাকা হলেই হয়। রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের বাহেরচর বাজারের কম্পিউটার ব্যবসায়ী এম সোহেল বলেন, ‘গ্রাহকের যাকে ভাল লাগে, যিনি অভিজ্ঞ সার্টিফিকেটধারী তাকেই দিয়েই কাজ করাবে। অদক্ষ সার্টিফিকেটবিহীন লোক দিয়ে কাজ করালে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু এখানে হচ্ছেটা কি? সব জায়গায় বাণিজ্য করা ঠিক না।’ এ উপজেলায় ওয়্যারিং করতে আসা কয়েকজন সার্টিফিকেটধারী টেকনিশিয়ানের অভিযোগ, গোপনে দুই-একটা ওয়্যারিং করলেও সিন্ডিকেটের হুমকি-ধামকিতে কেউ কাজ করতে সাহস পাচ্ছে না। তাই সংযোগ পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছে গ্রাহকরা।
নাম প্রকাশ না করার অনুরোধে পল্লী বিদ্যুতের এক কর্মচারী বলেন, ‘সকালে আমরা বসছিলাম আলোর ফেরিওয়ালা টিম। আমরা কাজ কেবল শুরু করছি। তখনই ছাত্রলীগের ছেলেপেলে এসে বলে চেয়ারম্যান (রাঙ্গাবালী ইউপি) মহোদয় আপনাদেরকে ডাকে। আইসাই হুমকি ধামকি দিছে। পরে চেয়ারম্যান মামুন খানের বাসায় নিয়া গেছে । চেয়ারম্যান বলেন, আপনি এখানে কাজ করতেছেন কিজন্য? আপনারা রেট কমালেন কেন? আপনাদের এত বার বলা সত্ত্বেও এ এলাকায় যদি ঢোকেন ছাত্রলীগের ছেলে পেলে মারধর করে তাহলে কিভাবে ঠেকাবেন আপনারা। চেয়ারম্যান বলে, আমি টোটাল উপজেলার কাজই করাতে চেয়েছিলাম। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে কথা হয়েছিল পুরোটা না, আমি রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের কাজ করাবো। চেয়ারম্যান এ কথা বলার পরে আমরা (পল্লী বিদ্যুতের লোকজন) এখানে কাজ করবো না বলে বড়ইতলা বাজারে (ছোটবাইশদিয়া) চলে আসছি। তারা চাইতেছে যে কাজগুলো ওইখানে না করা হয়। তারা তাদের লোক দিয়ে করাবে। রাঙ্গাবালী ইউনিয়নে আমরা কাজ করবো না।’
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (গলাচিপা-রাঙ্গাবালী) প্রকৌশলী মাইনউদ্দীন বলেন, ‘আলোর ফেরিওয়ালা টিমকে বাঁধা দেওয়ার বিষয়টি শুনেছি। আমাকে ওভার টেলিফোনে জানানোর কারণেই আমি এসেছি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে আমরা দেখবো। তারপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। (রোববার) আলোর ফেরিওয়ালার কার্যক্রম পরিচালনা করতেছিলাম। সাথে সাথে গ্রাহকের বাড়ি ওয়্যারিং করে দেওয়া। তার প্রয়োজনীয় জামানতের অর্থ গ্রহণ করা। সমস্ত কার্যক্রম একসঙ্গে পরিচালনা করে মিটার স্থাপন করে চলে যাওয়া। কিন্তু তাতো হলো না।’ তিনি আরও বলেন, ‘রাঙ্গাবালী উপজেলার মধ্যে রাঙ্গাবালী ইউনিয়নে মিটার স্থাপন কার্যক্রম কম। উপজেলায় মোট ৭০০ মিটার লাগিয়েছি। এরমধ্যে রাঙ্গাবালী ইউনিয়নে ২৫-৩০টি মিটার লাগিয়েছি। এর বেশি সম্ভব হয়নি। এটা দেখি, কি কারণে ঘটনাগুলো ঘটছে। পরবর্তীতে এ্যাকশন নিব আমরা।’
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাশফাকুর রহমান বলেন, ‘পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়ে আগামী মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাঙ্গাবালীর বিদ্যুৎ সংযোগ উদ্বোধন প্রয়োজন। এ কাজে যারা ঝামেলা করবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca