• সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ২০ নারীকে সেলাই মেশিন প্রশিক্ষণ প্রদান টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে নেমে বাবা-ছেলেসহ ৪ জনের মৃত্যু ভালোবাসার বিয়ের আট মাস পার হতে না হতে স্বামী রহস্যজনক মৃত্যু স্ত্রী পলাতক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল প্রেমের টানে চীন থেকে নবীনগরে: বিয়ের আশায় তরুণীর বাড়িতে চীনা যুবক, এলাকায় চাঞ্চল্য অবৈধভাবে সার পাচারকালে হাতেনাতে আটক; ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা ঠাকুরগাঁওয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন: বালু ব্যবসায়ীকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা ভাগ্য বদলাতে লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে নিখোঁজ টাঙ্গাইলের শহিদুল স্টার্টআপ সাইন্স প্রজেক্ট নাচোলের এশিয়ান স্কুল জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন: জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত নাচোলে স্মার্ট ফোনের অপব্যবহার, মাদক, কিশোর অপরাধ ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময়সভা

আগামী ১৬ ডিসেম্বর ট্যাকটিক্যাল বেল্টে ‘হ্যান্ডস ফ্রি পুলিশিং’ এর মাধ্যমে বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ !

Reporter Name / ২৯৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০

পুলিশের রাইফেল কখনো কাঁধে ঝোলানো, কখনো হাতে। এভাবে বছরের পর বছর ধরে পুলিশের মাঠপর্যায়ের সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখে সবাই অভ্যস্ত। তবে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা রাইফেল বয়ে বেড়ানোর অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশে। উন্নত বিশ্বের আদলে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যদের দেওয়া হবে ছোট পিস্তল।

এ জন্য বাংলাদেশ পুলিশে সংযোজন করা হচ্ছে ট্যাকটিক্যাল বেল্ট। ছয় চেম্বারের আধুনিক এই ট্যাকটিক্যাল বেল্টেই থাকবে পিস্তল, হ্যান্ডকাফ, অতিরিক্ত ম্যাগাজিন, এক্সপেন্ডেবেল ব্যাটন, পানির পটসহ প্রয়োজনীয় সবকিছু। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের হাত থাকবে সম্পূর্ণ খালি। এতে বিপদগ্রস্ত মানুষের যে কোনো প্রয়োজনে দ্রুত সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে পারবে পুলিশ। আবার অপরাধীকে দ্রুত ঘায়েল করতে ট্যাকটিক্যাল বেল্টে থাকা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহার করতে পারবেন অনায়াসেই।

ট্যাকটিক্যাল বেল্টের মূল স্লোগান হলো ‘হ্যান্ডস ফ্রি পুলিশিং’ মানে হাত খালি রাখা। এতে বড় অস্ত্র বহনের ঝক্কিঝামেলা আর থাকবে না। এতে পুলিশের কাজে গতি আসবে, মনোবলও বাড়বে। একই সঙ্গে পুলিশকে দেখতেও আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী লাগবে।

আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের দিনে প্রাথমিকভাবে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ও চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) পুলিশ সদস্যদের মাঝে ১০ হাজার ট্যাকটিক্যাল বেল্ট সরবরাহ করবে পুলিশ সদর দপ্তর। এর পর পর্যায়ক্রমে পুরো পুলিশ বাহিনীর সব সদস্যকে এই ট্যাকটিক্যাল বেল্ট দেওয়া হবে। পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ পুলিশকে আধুনিকভাবে গড়ে তোলার অংশ হিসেবে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। এরই অংশ হিসেবে তিনি পুলিশে ট্যাকটিক্যাল বেল্টের মতো আধুনিক সরঞ্জাম যুক্ত করতে যাচ্ছেন।

জনবান্ধব পুলিশিংয়ের মূল কথা পুলিশকে কাছের ভাববে সাধারণ মানুষ। বিপদে ভরসা মনে করবে। এ জন্য উন্নত বিশ্বে পুলিশের অস্ত্র সাধারণত প্রয়োজন ছাড়া প্রদর্শন করা হয় না। আবার এমনভাবে পুলিশ সদস্যদের কাছে সংরক্ষণ করা হয়, যেন অপরাধীদের দমনে দ্রুত সেটি ব্যবহার করতে পারে। ট্যাকটিক্যাল বেল্টের কারণে অস্ত্র থাকবে হিডেন (লুকানো)।

এতে সাধারণ মানুষের পুলিশের অস্ত্রের দিকে সহজে নজর না পড়ে। ট্যাকটিক্যাল বেল্টে ছয়টি চেম্বার থাকবে। এসব চেম্বারে প্রাথমিকভাবে থাকছে ছোট অস্ত্র, এক্সপেন্ডেবল ব্যাটন, ওয়্যারলেস সেট, ৫০০ মিলিলিটার পানির বোতল ও ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের জন্য পজ মেশিন। পরবর্তী সময়ে ট্যাকটিক্যাল বেল্টে বডি অন ক্যামেরা, টর্চলাইটসহ প্রয়োজনীয় আরও কিছু ফিচার যুক্ত করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category