• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৪:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে নেমে বাবা-ছেলেসহ ৪ জনের মৃত্যু ভালোবাসার বিয়ের আট মাস পার হতে না হতে স্বামী রহস্যজনক মৃত্যু স্ত্রী পলাতক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল প্রেমের টানে চীন থেকে নবীনগরে: বিয়ের আশায় তরুণীর বাড়িতে চীনা যুবক, এলাকায় চাঞ্চল্য অবৈধভাবে সার পাচারকালে হাতেনাতে আটক; ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা ঠাকুরগাঁওয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন: বালু ব্যবসায়ীকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা ভাগ্য বদলাতে লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে নিখোঁজ টাঙ্গাইলের শহিদুল স্টার্টআপ সাইন্স প্রজেক্ট নাচোলের এশিয়ান স্কুল জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন: জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত নাচোলে স্মার্ট ফোনের অপব্যবহার, মাদক, কিশোর অপরাধ ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময়সভা আবারও ঠাকুরগাঁও জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত মোঃ খাইরুল ইসলাম

নওগাঁয় সাংবাদিকদের দেখে মাইকে ঘোষণা দিয়ে তেল দেওয়া বন্ধ করলেন সুমন ফিলিংস

Reporter Name / ১১৫ Time View
Update : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

নওগাঁ জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে জ্বালানি তেল বিক্রিতে চরম স্বেচ্ছাচারিতা ও সাংবাদিককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে নওগাঁ সদরস্থ ‘সুমন ফিলিং স্টেশন’ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে পাম্পে সাংবাদিকের উপস্থিতিতে মাইকিং করে তেল বিক্রি বন্ধ করে দিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের খেপিয়ে তোলার মাধ্যমে এক ভয়াবহ ‘মব’ বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালায় পাম্প কর্তৃপক্ষ।

সকাল আনুমানিক ৮:৫০ মিনিটে জাতীয় দৈনিক ‘গণকণ্ঠ’-এর জেলা প্রতিনিধি মির্জা তুষার আহমেদ সহ কয়েকজন সাংবাদিক সুমন ফিলিং স্টেশনে সংবাদ সংগ্রহে যান। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, জেলা প্রশাসনের নিয়ম তোয়াক্কা না করে গ্রাহকদের মাঝে তেলের বৈষম্য করা হচ্ছে। উপস্থিত গ্রাহকরা অভিযোগ করেন, পাম্প কর্তৃপক্ষ কাউকে ৫০০ টাকা, কাউকে ১০০০ টাকা আবার কাউকে ১২০০ টাকার তেল দিচ্ছে যার কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই এবং সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে।

অনিয়মের এই দৃশ্য সাংবাদিকরা ভিডিও করতে গেলে পাম্প মালিক ও কর্মচারীরা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। এক পর্যায়ে পাম্পের মাইক ব্যবহার করে ঘোষণা দেওয়া হয় যে, “পাম্পে সাংবাদিক উপস্থিত থাকায় এখন কাউকে তেল দেওয়া হবে না।” এই উসকানিমূলক ঘোষণার ফলে তেল নিতে আসা সাধারণ মানুষ উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং পাম্পে একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

মূলত নিজের অপরাধ ঢাকতে সাংবাদিককে চাপে ফেলার জন্য সাধারণ গ্রাহকদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে পাম্প কর্তৃপক্ষ। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির এক পর্যায়ে পাম্প মালিক ও তার সহযোগীরা লাঞ্ছিত করেন। পাম্প এলাকা থেকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয় এবং ভিডিও ধারণ করতে বাধা প্রদান করা হয়।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, ইতিপূর্বেও এই পাম্পের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির ভিডিও ফুটেজ তাঁর কাছে প্রমাণিত হিসেবে সংরক্ষিত আছে। পূর্বের সেই আক্রোশ থেকেই আজ তাকে দেখা মাত্রই পরিকল্পিতভাবে লাঞ্চিত করা হয়।

এ বিষয়ে নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীন মাহমুদ বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ভিডিও ধারণ বা সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। পাম্পের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে যদি ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায় এবং ভিডিও করতে বাধা প্রদানের বিষয়টি প্রমাণিত হয়, তবে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category