• শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন

চমেক মেডিকেলে রোগীদের দুর্ভোগ,হাসপাতালের শৌচাগারের বেহাল দশা

Reporter Name / ৩০৮ Time View
Update : শনিবার, ১২ মার্চ, ২০২২

চমেক মেডিকেলে রোগীদের দুর্ভোগ,হাসপাতালের শৌচাগারের বেহাল দশা

 

তহিদুল ইসলাম রাসেল, চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধানঃ

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বেশিরভাগ টয়লেট ব্যবহার করতে পারছেন না রোগীরা। প্রায় টয়লেটের কমোড ভাঙা ও নিয়মিত পরিস্কার করা হয় না। তাছাড়া অনেক টয়লেটে নেই লাইট ও দরজার ছিটকিনি। এসব কারণে ব্যবহার অনুপোযেগী হয়ে পড়েছে টয়লেটগুলো। ফলে রোগীদের দুর্ভোগের অন্ত নেই।

শুক্রবার (১১ মার্চ) সকালে চমেক হাসপাতালে ২৬ নম্বর অর্থো সার্জারি ও ৮ নম্বর শিশু ওয়ার্ডসহ বেশ কিছু ওয়ার্ড ঘুরে দেখা গেছে, প্রত্যেক ওয়ার্ডে পাঁচ থেকে ছয়টি টয়লেট রয়েছে। এর বেশিরভাগ টয়লেটের কমোড ভাঙা, নেই দরজার ছিটকিনি ও বাতি। টয়লেটের আশেপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে রোগীদের বাসি পচা খাবার। কমোডে মলের ছড়াছড়ি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ২৫ নম্বর অর্থো সার্জারি ওয়ার্ডের এক রোগী বলেন, টয়লেটে মোবাইল ফ্ল্যাশ লাইট জ্বালিয়ে যেতে হয়। যাদের মোবাইলে ফ্ল্যাশ লাইট নেই তাদের অন্ধকারের মধ্যে টয়লেট ব্যবহার করতে হয়। তাছাড়া টয়লেটের আশেপাশে প্রায়ই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে ময়লা আবর্জনা। নিয়মিত পরিস্কার করা হয় না টয়লেটগুলো। যেগুলো পরিস্কার করা হয় সেগুলোও নামেমাত্র। ফলে অধিকাংশ টয়লেট ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এসব টয়লেট থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ ও রোগ জীবানু।

আয়েশা আক্তার নামের এক রোগী বলেন, টয়লেটের দরজায় হুক না থাকায় সঙ্গে একজনকে নিয়ে বাহিরে দাঁড় করিয়ে টয়লেট সারতে হয়। তাছাড়া ভেতরে লাইট নেই, অন্ধকারে ভয় লাগে। সব সময় অপরিচ্ছন্ন থাকলেও সুইপারদের অনেকে দায়িত্ব পালন না করে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালালি করে।

তিনি জানান, টয়লেট পরিষ্কারের কথা বললে সিস্টাররা কর্ণপাত করেন না। আয়ারা রোগীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। হাসপাতালের বাইরের পরিবেশ যতটা সুন্দর, ভেতরে ততটা অপরিষ্কার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসান মহানগর নিউজকে বলেন, এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। লোকবলের অভাবে কাজে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। তবে প্রতি ওয়ার্ডে দুজন করে সুইপার নিয়মিত টয়লেটগুলো পরিষ্কার করে থাকে।

তিনি আরও বলেন, ৫০০ বেডের হাসপাতালে আড়াই হাজার রোগী সামলানোর জন্য যে জনবল দরকার তা নেই। ফলে আউটসোর্সের মাধ্যমে লোক নিয়োগ দিয়ে কাজ সারতে হচ্ছে। হাসপাতালে বেশ কিছু টয়লেটের দরজা-জানালা ভাঙা। শিগগিরই টয়লেটের নষ্ট দরজা-জানালা মেরামত করে ব্যবহার উপযোগী করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
amazing-link-zeus.ca