• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নাচোল উপজেলা চত্তরে বৈশাখের মঞ্চে গান গেয়ে দর্শকদের মাতোয়ারা করলো গীতাঞ্জলির অন্যতম সদস্য মাসুদা শিফা মনের সুস্থতার জন্য মিউজিক খুব জরুরি — ডব্লিউ,এইচ ডলার মনের সুস্থতার জন্য মিউজিক খুব জরুরি-ডাব্লিউ, এইচ ডলার নাচোলে গীতাঞ্জলি সাংস্কৃতিক যুব একাডেমীর শিল্পীবৃন্দ বৃহস্পতিবার নাচোল পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের মঞ্চ কাপালেন নাচোলে বীনা মুল্যে ৫৬২০জন প্রান্তীক কৃষকদের মাঝে প্রনোদনা বিতরণ নাচোল পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা নাচোলে বীনা মুল্যে ৫৬২০ প্রান্তীক কৃষকদের মাঝে প্রনোদনা বিতরণ চৌমুহনীতে বাসে অভিযান: ৩ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক ঝিনাইদহে ইটভাটার পুকুরে ভাসছিল কিশোরীর মরদেহ সাতক্ষীরার কলারোয়ায় স্বর্ণের বারসহ চোরাকারবারী আটক

টেকনাফে ১৫ জন প্রান্তিক কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

Reporter Name / ৩৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

মোহাম্মদ তোফাইল টেকনাফ :

পহেলা বৈশাখে কৃষকদের জন্য নতুন উদ্যোগ ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ ও ‘প্রি-পাইলটিং’ প্রকল্পের কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০ টার দিকে টেকনাফ এজাহার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে টেকনাফ উপজেলার ১৫ জন প্রান্তিক কৃষকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ।

এর আগে, গতকাল রাতে টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপে বিজিবির রিসোর্টে রাত্রী যাপন করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ল্যাপটপে একটি বাটন টিপলেন, আর সঙ্গে সঙ্গে টেকনাফসহ সারা দেশের ১১টি উপজেলার ২২ হাজার ৬৭ জন প্রান্তিক কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে গেল আড়াই হাজার টাকা করে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি ১৫ জন কৃষক-কৃষাণীর হাতে স্মার্ট ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেন। এর মাধ্যমে দেশে আধুনিক ও ডিজিটাল কৃষি ব্যবস্থাপনার এক নতুন দিগন্ত সূচিত হলো। টেকনাফের ১ হাজার ৬ শত ৯৮ জন কৃষক আজ সরাসরি এই প্রকল্পের সুফল ভোগ করেন।

অনুষ্ঠানস্থলে সকাল ১০ টা ৪০ মিনিটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রবেশ করলে পুরো মাঠ করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে। তিনি হাত নেড়ে সমবেত জনতাকে শুভেচ্ছা জানান। পবিত্র কোরআন পাঠের পর মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন— এসব কার্ড চালু আমাদের জাতীয় জীবনের মহতী উদ্যোগ। এ দেশের কৃষককে মূল্যায়ন করার জন্য আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রথম উদ্যোগ নিয়েছিল। খাল খনন কর্মসূচি, স্বনির্ভর বাংলাদেশ রূপান্তরের জন্য ও কৃষির সমৃদ্ধির জন্য তিনি যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন তারপর আমরা খাদ্য রপ্তানিকারক হিসেবে নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পেরেছি বিশ্বের দরবারে।

তিনি আরও বলেন, ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মধ্য দিয়ে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে বর্তমান সরকার। এর আগে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড এবং খালখনন কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যা বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category