• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে নেমে বাবা-ছেলেসহ ৪ জনের মৃত্যু ভালোবাসার বিয়ের আট মাস পার হতে না হতে স্বামী রহস্যজনক মৃত্যু স্ত্রী পলাতক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল প্রেমের টানে চীন থেকে নবীনগরে: বিয়ের আশায় তরুণীর বাড়িতে চীনা যুবক, এলাকায় চাঞ্চল্য অবৈধভাবে সার পাচারকালে হাতেনাতে আটক; ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা ঠাকুরগাঁওয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন: বালু ব্যবসায়ীকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা ভাগ্য বদলাতে লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে নিখোঁজ টাঙ্গাইলের শহিদুল স্টার্টআপ সাইন্স প্রজেক্ট নাচোলের এশিয়ান স্কুল জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন: জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত নাচোলে স্মার্ট ফোনের অপব্যবহার, মাদক, কিশোর অপরাধ ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময়সভা আবারও ঠাকুরগাঁও জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত মোঃ খাইরুল ইসলাম

ধর্মপাশায়, বিনা অনুমতিতে দুই দিন অনুপস্থিত শিক্ষক, ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন

Reporter Name / ৭২ Time View
Update : রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬

রবি মিয়া ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার শরিশ্যাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক বিনা অনুমতিতে দুই দিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
জানা গেছে, শরিশ্যাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মুক্তা খানম গত ১৭ মে থেকে ১৮ মে পর্যন্ত কোনো ধরনের পূর্বানুমতি বা ছুটি গ্রহণ না করে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং শিক্ষা কার্যক্রমের স্বাভাবিক শৃঙ্খলা নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চৌধুরী তোহিদুন নবী স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩ এর (খ) ধারা অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশ অমান্য করা ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হয়। তাই বিষয়টি সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে হাজিরা খাতার অনুলিপিও সংযুক্ত করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। প্রতিবেদনের অনুলিপি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সুনামগঞ্জ ও অফিস নথিতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মুক্তা খানম জানান, প্রধান শিক্ষকের নিকট ছুটির কথা বললে উনি ছুটি দেননি। তবে আমার ছুটির প্রয়োজন ছিলো। প্রধান শিক্ষক ছুটি না দেয়ায় আমি উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার এর নিকট যোগাযোগ করি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চৌধুরী তৌহিদুন নবী জানান, মুক্তা খানম ছুটি না নিয়েই বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন। উনি নিয়ম নীতির কোনো তোয়াক্কা করেন না।

কিছুদিন পূর্বে আমি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে উপজেলায় দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও মিথ্যাচার করেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দ্বীন ইসলাম জানান, মুক্তা খানমের ছুটির কোন দরখাস্ত পাইনি। প্রধান শিক্ষকের চিঠির প্রেক্ষিতে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category