• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে বিদ্যালয়ে কোচিং, ব্যবহৃত হচ্ছে শ্রেণিকক্ষ-বিদ্যুৎ চোখে জল আনা বার্তায়, পর্তুগালকে বিদায় জানালেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো শেখ হাসিনা শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে আসবেন না যে, পাসপোর্ট দিয়ে আনতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ১০ মাস পর ৮৩৬ পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনের পথে প্রথম জাহাজ শেকৃবি ভিসিকে ১০ মিনিটের সময় দিলেন শিক্ষার্থীরা, এরপর কী হবে? ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১২ ডিসেম্বর, জেনে নিন ইউনিটভিত্তিক যোগ্যতা দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেলে নতুন ধাপ, চার প্যাকেজের চুক্তি স্বাক্ষর মাদ্রাসার ঘর নির্মাণের কথা বলে জমি দখলের অভিযোগ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১ পদে প্রভাষক নিয়োগ, জেনে নিন আবেদনের পদ্ধতি

হার্ট অ্যাটাকের আগেই যে ৩ রোগ বাড়িয়ে দেয় হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি

Reporter Name / ২২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট কিংবা বুকে চাপ অনুভব করার মতো উপসর্গ দেখা দিলে অনেকেই হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা করেন। তবে হৃদ্‌যন্ত্রের ঝুঁকি একদিনে তৈরি হয় না। বরং শরীরের কিছু অসুস্থতা দীর্ঘদিন নিয়ন্ত্রণে না থাকলে ধীরে ধীরে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস ও অতিরিক্ত মানসিক চাপ হৃদ্‌যন্ত্রের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে শুধু জীবনযাত্রার কারণেই হৃদ্‌রোগ হয় না। কিছু দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতাও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

উচ্চ রক্তচাপ

উচ্চ রক্তচাপ হৃদ্‌রোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকির কারণ। স্বাভাবিকের তুলনায় রক্তচাপ বেশি থাকলে হৃদ্‌যন্ত্রকে রক্ত পাম্প করতে অতিরিক্ত চাপ নিতে হয়। দীর্ঘদিন এ অবস্থা চলতে থাকলে হৃদ্‌যন্ত্র ও ধমনির ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। এতে হৃদ্‌যন্ত্র দুর্বল হয়ে পড়ার পাশাপাশি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

ডায়াবেটিস

রক্তে শর্করার মাত্রা দীর্ঘদিন বেশি থাকলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের পাশাপাশি রক্তনালিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের হৃদ্‌রোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা জরুরি।

কোলেস্টেরল

হৃদ্‌যন্ত্র সুস্থ রাখতে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন। বিশেষ করে খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল (LDL) বেশি থাকলে ধমনির দেয়ালে চর্বিজাতীয় পদার্থ জমতে পারে। এতে রক্ত চলাচলের পথ সরু হয়ে যায় এবং হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়ে। অন্যদিকে, ভালো কোলেস্টেরল বা এইচডিএল (HDL) শরীর থেকে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল অপসারণে সহায়তা করে।

তাই উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, শরীরচর্চা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
amazing-link-zeus.ca