কুড়িগ্রাম এর ভূরুঙ্গামারীতে লকডাউনে নিম্ম-মধ্যবিত্ত পরিবার লোকজন বিপাকে

প্রকাশিত: ৯:৪১ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৭, ২০২১

আরিফুল ইসলাম জয়
কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

নিম্ম আয়ের লোকজনরা হতাশা কন্ঠে সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে যা বললেন-
“দ্বিতীয় বার করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধিতে দেশে লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছেন সরকার”।
“আয় রোজগার না থাকলে পরিবার কিভাবে বাঁচবে সে দিকেও সু-দৃষ্টি রাখা দরকার”।

এদিকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে কঠোর সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন নিশ্চিতে উপজেলায় মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা ব্যাপী সকাল ৯টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দোকানবন্ধ না রাখিলে মামলা বা জরিমানা করা হয়, এমনিকি মাস্ক না পড়িলেও জরিমানা।

৫ এপ্রিল সারা দেশব্যাপী লকডাউনের অংশ হিসেবে উপজেলার সাধারণ মানুষ কোন রকম দিন পার করছেন। সপ্তাহ ধরে লকডাউন ঘোষণা করায় দিশেহারা হয়ে পড়েন নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষ। লকডাউনে ভূরুঙ্গামারী বসবাসরত নিম্ম ও মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন চরম ভাবে বিপাকে পড়েছেন। এ যেন তাদের উপর মরার ঘা।

রিক্সা চালক আবু হাসেম এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, পরিবারের ছয় জনের ভরনপোষণ তার উপর। যদি একদিন বসে থাকি, তাহলে বাড়ীর সবাইকে উপোস থাকতে হবে। নেই কোন ব্যাংক ব্যালেন্স। দৈনিক আয়ের উপর নির্ভরশীল।

এদিকে ভূরুঙ্গামারী কলেজ মোড়ের হোটেল ব্যবসায়ী মো: বাবু মিয়া, সঞ্জয় বসাক যৌথ সাক্ষাতে বলেন, সামনে আসছে রমজান। আয় রোজগারের জায়গা না থাকায় খুব কষ্ট হচ্ছে পরিবারের ঘানি টানতে। করোনা সচেতন মূলক প্রচারণার পাশাপাশি লকডাউন শীতিল করা হোক। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দামও কমানো হউক।

উল্লেখ্য যে, ভূরুঙ্গামারী বাজারে অধিকাংশ ব্যবসায়ীক দোকানপাঠ লকডাউনে বন্ধ থাকলেও ফাঁকে ফাঁকে লুকোচুরিতে দোকান খুলে বেচাকেনাও করচ্ছেন। এছাড়া অনেক ব্যবসায়ীরা নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে নির্বোধ দৃষ্টিতে অযথা দাড়িয়ে থাকেন কোন কারণ ছাড়াই।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিপক কুমার দেব শর্মা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কালে তিনি বলেন- করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ বা নির্দেশ মেনে অভিযান অব্যাহত থাকবে।