• শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ/২৬ এর উদ্বোধন গোপালপুরে ‘বাকি খাওয়া’ নিয়ে সংঘর্ষ, ভাঙচুর-লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত অর্ধশতাধিক পরিবার! বেনাপোলে নির্যাতনের পর হত্যা, মরদেহ ফেলে গেল ধানক্ষেতে জ্বালানি তেল সংগ্রহে অনভিপ্রেত ঘটনা প্রশাসনের ব্যখ্যা বাগমারা’য় ৭ মাসের শিশু নিয়ে পালিয়েছে এক গৃহবধূ আদমদীঘিতে প্রিপেইড মিটার সংযোগ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন রামুতে ইউপি সদস্য অপহৃত: ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, জনমনে চরম আতঙ্ক নওগাঁর নিয়ামতপুরের বাহাদুরপুর গ্রামে গভীর রাতে গলা কেটে একই পরিবারের ৪ জন সদস্যকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। কারাগারেই এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে নোয়াখালীর শিক্ষার্থী কর্মসংস্থান বাড়াতে দেশের বন্ধ জুটমিল গুলো চালু করা হবে : বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম

তানোরে কাজি নিযোগে অনিয়মের খবর ফাঁস সোহানুল হক পারভেজ, তানোর(রাজশাহী):

Reporter Name / ২৭৭ Time View
Update : বুধবার, ৭ এপ্রিল, ২০২১

রাজশাহীর তানোর পৌরসভায় নীতিমালা লঙ্ঘন ও জালিয়াতি করে নিকাহ্ রেজিস্ট্রার (কাজি) নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। ওদিকে দীর্ঘদিন পর কাজি নিয়োগে অনিয়মের খবর ছড়িয়ে সংশ্লিস্ট বিভাগে ব্যাপক তোলপাড় সৃস্টি হয়েছে। এদিকে সরেজমিন তদন্তপুর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে এলাকাবাসি বিক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার বাসিন্দা জামায়াত মতাদর্শী আব্দুস সামাদের পুত্র সালাউদ্দিন তানোর পৌরসভার কুঠিপাড়া গ্রামের বেলালের বাড়িতে ভাড়া ছিলেন। এদিকে ২০০৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর তথ্য গোপণ ও জালিয়াতি করে তানোর পৌরসভার নাগরিকত্ব দেখিয়ে তিনি তানোর পৌরসভার নিকাহ্ রেজিস্ট্রার(কাজি) নিয়োগ নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওদিকে ২০০৭ সালের ১১ মার্চ তানোর পৌর মেয়র এমরান আলী মোল্লা (প্রয়াত) প্রত্যায়নপত্র দিয়েছেন সালাউদ্দিন তানোর পৌরসভার নাগরিক নয় তিনি কুঠিপাড়া গ্রামে ভাড়া বাড়িতে বসবাস করেন। এখন প্রশ্ন হলো তাহলে তিনি কিভাবে ২০০৬ সালে তানোরের নাগরিক হলেন-? তানোর পৌর মেয়রের প্রত্যায়নপত্র প্রমাণ করে তিনি জালিয়াতি করে কাজি হয়েছেন। এছাড়াও ২০০৯ সালের ৩১ মার্চ তানোর পৌরসভার গোল্লাপাড়া গ্রামের ওয়াজেদ আলীর পুত্র আবুল কালাম আজাদ বাদি হয়ে কাজি সালাউদ্দিনকে বিবাদী করে রাজশাহী তানোর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা করেন। যাহার মামলা নম্বর ৪১/০৯অঃপ্রঃ।এদিকে স্থানীয়রা জানান, ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই গোল্লাপাড়া গ্রামে বাল্য বিয়ে দিয়েছেন যাহার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ১৩/০৮ এবং একই গ্রামে ২০০৮ সালের ২৫ এপ্রিল আরো একটি বাল্য বিয়ে দিয়েছেন যাহার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ৫৮/২০০৮ বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী জানান, নকল তোলাসহ নানা কাজে কাজি অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেন, এছাড়াও কাজি নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। তিনি আরো বলেন, বিবাহ রেজিস্ট্রি, তালাক ইত্যাদি কাজে সরকার নির্ধারিত ফি আছে তবে কাজি তা লঙ্ঘন করে অতিরিক্ত টাকা আদায় করেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে নিকাহ্ রেজিস্ট্রার (কাজি) সালাউদ্দিন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে ষড়যন্ত্র করে আসছে, তারাই এসব অপপ্রচার করছে। এবিষয়ে রাজশাহী জেলা রেজিস্ট্রার বলেন, বিষয়য়টি তার জানা নাই, তবে এবিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নিয়ে দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।#


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category